আসসালামু আলাইকুম,
সবাই কেমন আছেন? আশা করি আপনারা সবাই ভালে আছেন? আমিও ভালো আছি, আবারও আপনাদের মাঝে হাজির হয়ে গেলাম আমার আরেকটা নতুন পোষ্ট নিয়ে৷ আজকে আমি শহরের চার দেয়ালে বন্দি থাকা নিয়ে কিছু কথা আপনাদের সাথে শেয়ার করব। চলএন শুরু করি-
আপনাদের কাছে শহরের জীবন কেমন লাগে যানি না। তবে আমার কাছে বেশি একটা ভালো লাগে না। গ্রামের মতো শান্তি কোথাও গেলে পাওয়া যাবে নাহ। মাঝে মাঝে শহরের জীবনটা যেনো আমার নাজেহাল লাগে, মনে হয় পালায়ে যায়। কিন্তু উপায় নাই এখানেই থাকতেই হবে। গত কালকের একটা ঘটনা বলি, রাত তখন ১২:৩০ টা বাজে৷ কেবল মাত্র একটু ঘুমের নিদ্রাতে গিয়েছিলাম। হঠাৎ চলে গেল কারেন্ট। কারেন্ট চলে যাওয়াতে যেনো মনে হতে লাগল, আমরা কোনো এক আগুনের কুন্ডলিতে শুয়ে আছি৷ কোথাও একটু বাতাস নাই৷ জানালা খুললেও যেনো একটুও বাতাসের দেখা পাওয়া যায় না। ইটের চার দেওয়ালটা যেনো কারেন্ট যাওয়াতে আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।
এরপর শুরু করল মশার কামুড়। শুয়ে থাকতে না পেরে দরজাটা খুলে বাইরে গেলাম একটু বেলকনিতে৷ কিন্তু সেখানেও যেনো প্রকৃতির কোনো বাতাসের দেখা যায়। মনে হতে লাগল, শহরের জীবনটা আর ভালো লাগে না। গ্রামেই শান্তি বাইরে বের হলেই সেই প্রকৃতির মুক্ত বাতাস মনটাকে শীতল করে দেয়। শহর যেনো আমার কাছে খাঁচায় থাকা পাখির মতো। প্রায় আধা ঘন্টা পর কারেন্ট আসল। ভাবলাম যাক, একটু শান্তিতে এবার ঘুমানো যাবে। কিন্তু কোথায় আর শান্তি, কিছুটা সময় শুয়ে না থাকতেই আবারও সেই কারেন্ট চলে গেল।
মনের মধ্যে হচ্ছি, বিদ্যুৎ অফিসের লোকগুলোকে হাতের কাছে পেলে একটু ধুলায় দিতাম। এই কষ্ট যেনো আর সহ্য করা যায় না। আবারও সেই রুমে থাকতে না পেরে রুম থেকে বের হয়ে বাইরো রাস্তায় চলে গেলাম। রাস্তায় গিয়ে দেখি আমার মতো আরও অনেকেই রুমে থাকতে না পেরে রাস্তায় হাঁটাহাটি করতেছে৷ বেশ কিছুটা সময় হাটাহাটি করার পর দেখি কারেন্ট চলে আসছে। আমি তখন রুমে গেলাম। তখন আর ঘুমানো হলো না৷ কারণ আগামি কালকো রোজা থাকতে হবে, এজন্য, রান্না করতে হবে৷ তাই রান্না করতে গেলাম।
বর্তমান সময়ে দেশো জ্বালানি সংকট দেখা দেওয়ার কারণে, দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যহত হচ্ছে, এজন্য লোড শেডিং বেশি হচ্ছে। যার জন্য জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে গিয়েছে। আশা করি আমার আজকের পোষ্টটা আপনাদের সবার কাছে ভালো লেগেছে। সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন। আবারও দেখা হবে আমার নতুন কোনো পোষ্ট নিয়ে।
সবাইকে অনেক ধন্যবাদ আমার আজকের পোষ্টটা পড়ার জন্য ।


