আসসালামু আলাইকুম,
সবাই কেমন আছেন? আশা করি আপনারা সবাই আল্লাহ তায়ালার অশেষ রহমতে অনেক ভালো আছেন৷ আমিও আল্লাহ তায়ালার দয়ায় অনেক ভালো আছি৷ আজকে আমি আপনাদের সাথে আমার আজকের দিনলিপিটা শেয়ার করব৷ আশা করি আপনাদের সবার কাছে ভালো লাগবে, চলুন শুরু করি-
প্রতিটা মানুষই তার প্রত্যেকটা দিনই নতুন কোনো ভাবে, ব্যস্ততার মাঝে বা আনন্দে কাটায়৷ আমিও ঠিক তেমই আমরার দিনগুলো পার করে থাকি৷ আজকে সকালে ঘুম থেকে উঠে বেশ দেরি হয়ে গেল৷ মেস থেকে বাসায় গেলে ঘুমটা জানি না কেনো বেড়ে যায়৷ এরপর হাতমুখ ধুয়ে সকালের নাস্তাটা খেয়ে নিলাম৷ গত দুই দিন আগে আমি মেস থেকে বাসায় গিয়েছিলাম, আজকে আবার মেসে চলে আসা লাগবে৷ এজন্য সকালের নাস্তা করার পরই আমি কিছুটা সময় রেস্ট নিয়ে মেসে আসার উদ্দেশ্যে রওনা হলাম৷ আমি মেটামুটি সকাল ১১ঃ৩০ টার দিকে আমার মেসে চলে আসলাম। রুমে এসে ফ্রেশ হয়ে কিছুটা সময় রেস্ট নিলাম। জুম্মার নামাজের আগ পর্যন্ত আমি মেটামুটি বসেই কাটিয়ে দিলাম।, এরপর আজান দিলে রেডি হয়ে জুম্মার নামাজ আদায় করতে গেলাম।
নামাজে য়াওয়ার আগ মুহূর্ত
নামাজ থেকে এসে রুমে না গিয়ে হাঁটতে হাটতে নদূর ধারে গেলাম৷ আমি বর্তমানে আমার মেস ছেড়ে দিয়ে আমার বোনের বাসায় থাকি,, এটাকেই মেস বলে থাকি আমি৷ আমাদের এখানে আজকে কুষ্টিয়ার মধ্যে দিয়ে বয়ে যাওয়া গড়াই নদীতে নৌকা বাইচ খেলা হবে৷ এটা আমার বোনের বাসার ঠিক পাশেই, কুষ্টিয়া ঘোড়ার ঘাট এলাকাতে খেলাটা অনুষ্ঠিত হবে৷ এজন্য নামাজ শেষ করে রুমে না গিয়ে খেলা দেখতে গেলাম, কারণ খেলাটা নামাজের পর শুরু হওয়ার কথা ছিল। নদীর ধারে গিয়ে আমি তে বেশ অবাক হয়ে গেলাম৷ এতো পরিমাণ মানুষের ভীর যা বলা মুশকিল৷ নৌকা বাইচ খেলা দেখার জন্য কয়েক হাজার মানুষের সোমাগম৷ আমি প্রায় অনেকগুলো বছর পর আজকে নৌকা বাইচ খেলা দেখলাম। নদীর ধারে গিয়ে দাড়িয়ে থাকলাম,, তবে খেলা শুরু হতে হতে ৪ টা বেজে গেল।এতো টা সময় আমি এবং আমার এক ছাত্র সবার মতো নদীর ধারে দাড়িয়ে ছিলাম খেলা দেখার জন্য৷
নদীতে নৌকা বাইচ
আমার ফোনের ক্যামেরা ভালো না হওয়ার কারণে বাইচের নৌকারগুলোর ছবিগুলো ভালো করে তুলতে পারি নাই,। তবে অনেক দিন পর খেলা দেখে বেশ আনন্দ হয়েছে৷ শুক্রবার কুষ্টিয়া শহরের সকল কিছু বন্ধ থাকে, তাই খেলা দেখার জন্য মানুষের সোমাগম বেশি ছিল৷ যাই হোক আমি দুই রাউন্ড খেলা দেখে রুমে চলে আসলাম। খেলা তিন দিন ধরে হবে, আজকেই প্রথম দিন ছিল। রুমে এসে খাওয়া দাওয়া করে আসরের নামাজ টা আদায় করলাম। এরপর কিছুটা সময় এমনিতেই বাসায়ই কেটে গেল৷ মাগরিবের সময় হলে, নামাজ আদায় করে আমি পড়তে বসলাম৷ তখন আমার বোন ছোলা রান্না করে দিয়ে গেল খাওয়ার জন্য খেতে খেতে পড়তে শুরু করলাম।
ছোলা রান্না
আজকের দিনটা আমি বেশ আনন্দের মাঝেই কাটিয়েছি৷ কিন্তু আনন্দের মাঝে কিছুটা চিন্তাও ছিল, কারণ আমার পরিক্ষা চলছে, এজন্য একটু পড়াশুনার চাপে আছি। আজকের মতো আমার দিনলিপিটা এখানেই শেষ। সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন, আবারও দেখা হবে আমার নতুন কোনো পোষ্টের মাঝে৷
সবাইকে অনেক ধন্যবাদ আমার আজকের পোষ্টটা পড়ার জন্য।


