মিষ্টি প্রেমের গল্প ২

R
raju

উয়েব থাকে থামনেল ডাউনলোড করা। মিষ্টি পেমের গল্প পব ২। 

আমার এইসব আতেল সুলভ কথা-র্বাতা তনু আমলে নিলনা। বরং করুনা ভরা দৃষ্টিতে আমার মুখের দিকে তাকিয়ে রইল। আমার খুব অস্বস্থি লাগতেছিল। মেয়েদের দৃষ্টি উপেক্ষা করার সাধ্য খুব কম পুরুষেরই থাকে। আমার খুব ইচ্ছে করছে ওর হাতটা ধরতে কিন্তু আমি তা করলাম না। আমার মনকে, আমার ইচ্ছেকে আমি নিয়ন্ত্রন করলাম। জানিনা কতক্ষন পারতাম তবে সেই পরিক্ষায় মাকে যেতে হলনা। তার আগেই তনু যথেষ্ট বিরক্তি নিয়ে চলে যাবার জন্য পা বাড়ালো। আমি খেয়াল করলাম কালো জিন্স প্যান্ট এর সাথে সদা ফতুয়ায় ওরে ভারি সুন্দর লাগছে। ও ওড়না পরে না। ওর রুচিবোধ অতি স্মাটনেস দেখে প্রায়ই আমার মনে হয় মেয়েটা যথেষ্ট বোকা। সুন্দরী মেয়েদের সম্যসা হল তারা প্রতেকেই ভাবে যে পুরো দুনিয়াটা তার পেছনে পেছনে ঘুরছে। তার জন্য সবাই পগল। এই ধারণা নিয়ে তারা বোকার মত আচরণ করে ঘুরে বেড়ায়। খেয়াক রাগে তার বুক কাঁপছে। আমি তাতে বিচলিত হলাম না। কেননা তনু আমার গার্ল ফেরে- বা প্রেমিকা নয়। ওর রাগকে প্রশয় না দিয়ে বরং নিজেকে কেমন নায়ক নায়ক মনে হচ্ছে। মনে হচ্ছে তনু আবার হয়ত আমার কাছে ফিরে আসবে।

 

আমি ওর প্রতিক্ষায় বসে আছি। বেশ কিছুক্ষন পর ওর ফিরে এল। লক্ষি মেয়ে মত চুপ করে পাশে বসে পড়ল। কিন্তু ওর চোখে রাজ্যর মেঘ দেখতে পেলাম। আমি কিছু বলতে গেলাম না,পাছে শ্রাবন নামে।

 

ক্যাম্পাস জুড়ে রঙিন প্রজাপতির মত তরুন-তরুনীরা ঘুড়ে বেড়াচ্ছে। বাতাসে তাদের টুকরো কথা উচ্ছ্বল হাসির শব্দ ভেসে বেড়াচ্ছে। বেশ কিছুক্ষন যাবার পর আমি বললাম,

 

চকবার খাবি?

 

তুই কেন খাওয়াবি! তুইতো আমার বয় ফেরে- না, তাইনা?

য়াশলাইয়ের কাঠর মত হঠাৎ করেই জ্বলে উঠল তনু। ক্রোধ ভরা দৃষ্টি নিয়ে ও আমার দিকে তাকিয়ে থাকে। তনুর দিক তাকিয়ে মনে হল ও আরো কিছু কঠিন কথা খুজছে। সে বাক্য খুজে পাচ্ছেনা। রাগে ওর ঠোট কাঁপছে। লিপিষ্টিক বিহিন ওর ঠোটর রংটা বেশ মকীয়। পুরো ঠোট টা যেকোন যুবকের মাথা নষ্ট করে দেবার জন্য যথেষ্ট। আজ আর কিছু বলবো না কল বলবো।

Comments