প্রথম টেস্টে ড্র করলেও দ্বিতীয় টেস্টে সিংহের থাবা থেকে বাঁচতে পারেনি টাইগাররা।দ্বিতীয় ইনিংসে এসে যেনো সম্পূর্ন পরাস্ত টাইগাররা।নিজেদের মাঠে এমন পারফরম্যান্স হয়তো কেউ আশা করেনি।
• প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের মাত্র ২৫ রানে ৫ উইকেট পড়ার পর জুটি গড়েন মুশফিক এবং লিটন।তাদের ২৫৩ রানের জুটি উপর ভর করেই বাংলাদেশের স্কোর দাড়ায় ৩৬৫ তে।কিন্তু তারপর শ্রীলঙ্কা হয়ে উঠে আরো অনবদ্য।তাদের একের পর এক জুটি একদিকে যেমন বাংলাদেশের লিড কমাচ্ছিল অপরদিকে নিজেদের সংগ্রহ বেড়াচ্ছিল লঙ্কানরা।যেটা আস্তে আস্তে রূপ নেয় ভয়ঙ্করভাবে।তাদেরকে অলআউট করতে করতে তাদের স্কোরবোর্ডে তখন ৫০৫ রান।অপরদিকে বাংলাদেশকে লিড দেয় ১৪০ রানের।ততক্ষণে চতুর্থ দিনের শেষ সেশনে প্রায় অর্ধেক শেষ।এই ম্যাচটা ড্র করা কোনো ব্যাপারই ছিলো না টাইগারদের জন্যে।কিন্তু তারা কি করলো!ঐদিনের ১৩ ওভার খেলতেই চার উইকেট হারিয়ে ফেললো।বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপে যে এতটা ধস নামবে সেটি বাংলাদেশের প্রধান প্রশিক্ষক রাসেল ডমিঙ্গ আগে চিন্তা করেননি।তাকে এই ব্যাপারে খুব চিন্তিত দেখাচ্ছিল।তিনি পরে সংবাদ সম্মেলনে বলেন ব্যাটিং ধসের ব্যাপারটা আগে জানা থাকলে এমনটিই হতো না।ব্যাটিং অর্ডারে পরিবর্তন আনা যেতে পারে।
পঞ্চম দিন মুশফিক আউট হবার পর সাকিব আর লিটন মিলে মোটামুটি একটা জুটি দার করায়,যেটির উপর ভর করে প্রথম সেশনটা শেষ করে বাংলাদেশ।কিন্তু পরের সেশনে নেমেই আবারও ধস নামে বাংলাদেশের।২০ রান করতে করতেই বাকি ৫ উইকেট হারিয়ে ১৬৯ রানে অলআউট বাংলাদেশ।ফলে শ্রীলংকাকে সহজ টার্গেট দেয় মাত্র ২৯ রানের।যেটি শ্রীলঙ্কা প্রথম তিন ওভারেই অতিক্রম করে ১০ উইকেট ম্যাচটি জিতে নেয়।
∆ ম্যান অফ দা ম্যাচ নির্বাচিত হন শ্রীলংকার আসিথা ফার্নান্দো।যিনি প্রথম ইনিংসে ৪ টি এবং দ্বিতীয় ইনিংসে ৬ টি উইকেট নেন।আর মেন অফ দা সিরিজ নির্বাচিত হন এই টেস্ট সিরিজের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক শ্রীলংকার আরেক প্লেয়ার অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুস।
আর্টিকেলটি পড়ার জন্যে সকলকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

