বাংলাদেশের ব্যাটিং বিপর্যয়ে টেস্ট সিরিজে হোয়াইওয়াশ ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে

R
rahat

গত ২৪ শে জুন বাংলাদেশ সময় রাত আটটায় শুরু হয় বাংলাদেশ বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজের মধ্যকার দ্বিতীয় টেস্টের খেলা।নিজেদের মাঠে ২ ম্যাচ টেস্ট সিরিজের প্রথম টেস্ট জিতে ১-০ তে এগিয়ে আছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

     • আগের টেস্টের ভুলগুলো শুধরে নতুন করে পারফরম্যান্স এর উন্নতি করার চেষ্টা সকলেরই।বাংলাদেশ টসে হেরে প্রথমে ব্যাটিং পায়।পরে নিজেদের উইকেট টিকিয়ে রাখার অনেক চেষ্টা চালিয়ে যেতে থাকে তারা।যদিও মাঝে মাঝে ভুল হয়ে যাচ্ছিল তবুও চেষ্টা চালিয়ে যেতে থাকে তারা।কিন্তু বেশিক্ষণ টিকে থাকতে পারলো না বাংলাদেশের ওপেনিং জুটি।৪১ রানেই ভাঙলো সেটি।কিন্তু এর পর থেকে আবার সবার দায়িত্বহীন ব্যাটিং।সেই আগের টেস্টের অনুরূপ চলতেছিল।নিয়মিত বিরতিতে যেভাবে উইকেট পারছিলো দেখে মনেই হচ্ছিল না টেস্ট ম্যাচ হচ্ছে,শুধু আউট হবার জন্যেই যেমন ক্রিজে নামছিল ব্যাটসম্যানরা।বাংলাদেশের ইনিংস ২৩৪ রানেই শেষ হয়ে যায় ওয়েস্টইন্ডিজ এর বোলিংয়ের সামনে।দলের পক্ষে তামিম ইকবাল ৪৬ এবং লিটন দাশের ৫৩ রানের ইনিংস ছাড়া উল্লেখযোগ্য কোনো ইনিংস নেই।অপরদিকে সেলস এবং জোসেফ ৩ টি করে উইকেট শিকার করেন।

     • জবাবে ব্যাটিং করতে নেমে ওয়েস্ট ইন্ডিজ খুব স্বাচ্ছন্দ্যের সাথে খেলে যাচ্ছিলো।মনেই হচ্ছিল না একটু আগেই এই ক্রিজে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা পরাস্ত হয়েছিলেন।ওদের প্রথম ওপেনিং জুটি ভাঙতেই পর করে ফেলেন ১০০ রান।পরে মোটামুটি জুটি করে করে সকলেই ফেরত যাচ্ছিলেন।তবে ১৩১ রানের পর পরপর তিনটি উইকেট হারানোর পর একটি আশা জেগেছিল বাংলাদেশের।কিন্তু সেটি আবার মলিন হয়ে যায় ব্লাকুড এবং মায়ার্স এর ১১৬ রানের জুটিতে। ময়ার্স শেষ পর্যন্ত লড়াই করে যান একাই।ওয়েস্ট ইন্ডিজের ইনিংস শেষ হয় ৪০৮ রানে।যেখানে দলের পক্ষে মায়র্স একাই সর্বোচ্চ ১৪৬ রান করেন,এছাড়াও কম্পবেল ৪৫ এবং ব্লাকুড ৪০ রান করেন।বাংলাদেশের খালেদ হাসান একাই নেন ৫ উইকেট,এছাড়াও মেহেদী ৩ টি এবং সাকিব দুইটি উইকেট শিকার করেন।ফলে তারা লিড পায় ১৭৪ রানের।

    • জবাবে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিং করতে নেমে বাংলাদেশের অবস্থা আরো খারাপ হয়ে যায়।উইকেট আরো তাড়াতাড়ি পড়তে থাকে তাদের।একটু আগে যে ধর্যের পরীক্ষা দিয়ে গেলেন ময়ারস সেটি মনেই হচ্ছিল না বাংলাদেশের ব্যাটিং দেখে।খুব তাড়াতাড়ি উইকেট হারানোর ফলে বাংলাদেশের ইনিংস ব্যবধানে হারার একটি সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল।সোহান শেষের দিকে সেই ব্যাবধান কমিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে টার্গেট দেয় ১৩ রানে।বাংলাদেশের ইনিংস শেষ হয়ে যায় মাত্র ১৮৬ রানেই।দলের পক্ষে শান্ত ৪২ এবং সোহান সর্বোচ্চ ৬০ রান করা ছাড়া অন্যেরা ঠিকমতো ক্রিজে দাড়াতেই পারেনি।ব্যাটিং বিপর্যয়ের শিকার বাংলাদেশ আবারও।অপরদিকে রোচ,জোসেফ,সেলস প্রত্যেকে ৩ টি করে উইকেট শিকার করেন।

     ∆ ওয়েস্ট ইন্ডিজ এর ফলে ১৩ রানের সহজ টার্গেট খুব সহজেই জিতে নে ১০ উইকেটের বিশাল ব্যাবধানে।ফলে বাংলাদেশকে ২-০ তে হোয়াইট ওয়াশ করলো ওয়েস্ট ইন্ডিজ।প্লেয়ার অফ দা ম্যাচ এবং প্লেয়ার অফ দা সিরিজ দুটিই জিতে নেয় কাইল মায়ারস।

আর্টিকেলটি পড়ার জন্যে সকলকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

Comments