টাইগারদের বিপক্ষে নিজেদের মাটিতেই হোয়াইট ওয়াশের শিকার ওয়েস্ট ইন্ডিজ

R
rahat

ওয়েস্ট ইন্ডিজ এবং বাংলাদেশের মধ্যকার ওয়ানডে সিরিজের তৃতীয় এবং শেষ ওয়ানডে টি অন্য ভেনুতে অনুষ্ঠিত হবার কথা থাকলেও পরে তা আগের মাঠ গায়ানাতেই অনুষ্ঠিত হয় বাংলাদেশ সময় রাত ৮ টায়।সিরিজে ইতোমধ্যে বাংলাদেশ ২-০ ব্যাবধানে সিরিজ জিতে নিয়েছে।হোয়াইট ওয়াশ এবং নিয়ম রক্ষার জন্যে মাঠে নামা ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রতিপক্ষ তাদেরকে হোয়াইট ওয়াশ করার লক্ষে খেলতে নামা টাইগাররা।এবারেও টাইগার অধিনায়ক তামিম ইকবাল টসে জিতে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়।বাংলাদেশ দলে আজকের ম্যাচে তাইজুল কে রাখা হয় শরিফুল কে বাদ দিয়ে।তার মানে শুধু মাত্র একজন পেসার নিয়েই খেলতে নামে টাইগাররা।খেলাটির সম্পূর্ন বিবরণ নিচে দেয়া হলো -

     • প্রথমে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল ব্যাটিংয়ে নেমে প্রথম ১৬ রানেই ৩ উইকেট হারায়।আবারও আগের দুই ম্যাচের পুনরাবৃত্তি ঘটতে থাকে,তার উপর আজকে বাংলাদেশের স্পিন এটাক আরো শক্তিশালী।কারণ তাইজুল ইসলামের স্পিন এটাকের ব্যাপারে সবারই কম বেশি জানা আছে।টেস্টে বাংলাদেশের হয়ে সবচাইতে কম সময়ে ১০০ উইকেট শিকারের রেকর্ডটিও তার।ফলে ওয়েস্ট ইন্ডিজ চাপের মধ্যেই পরে যায় মাত্র ১৬ রানেই ৩ উইকেট হারিয়ে।দলীয় ৯ রানে কিং,১৫ রানে হোপ আর ১৬ রানে ব্রোকস।তবে পরে কর্টি আর পরান মিলে ৬৭ রানের জুটি গড়েন।তবে সেটিও ভেঙ্গে যায় দলীয় ৮৩ রানের মাথায়।তারপর পরান আবার পাওয়েল কে নিয়ে জুটি গড়তে চাইলে সেটিও ৩৪ রানের মধ্যে ভেঙ্গে যায় দলীয় ১১৭ রানে।তারপর আবার যথানিয়মে উইকেট পারতে শুরু করে।দলীয় ১২৫ রানে পল এবং ১৪৬ রানে আকিল হোসেন আউট হয়ে যান।তবে একপ্রান্তে অধিনায়ক পরান ক্রিজে টিকে ছিলেন অনেক্ষণ।তবে দলীয় ১৫০ রানের মাথায় তিনিও আউট হয়ে যান।এবং পরে ১৫৩ রানের মাথায় মোতি এবং ১৭৮ রানে শেফার্ড আউট হবার মাধ্যমে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ইনিংস শেষ হয় ১৭৮ রানেই।দলের পক্ষে কার্টি ৩৩ এবং পরান দলীয় সর্বোচ্চ ৭৩ রান করেন।অপরদিকে মুস্তাফিজ আর না দুটি করে উইকেট নেন এবং তাইজুল ইসলাম একাই দলীয় সর্বোচ্চ ৫ টি উইকেট নেন।

      • এইবারেও ১৭৯ রানের সহজ টার্গেট নিয়ে ব্যাটিংয়ে নামে বাংলাদেশ।প্রথমে ২০ রানেই ওপেনিং জুটি ভেঙ্গে যায় টাইগারদের।দলীয় ২০ রানের মাথায় আউট জয়ে যান শান্ত।পরে তামিম আর লিটন মিলে ৫০ রানের জুটি গড়ার পর দলীয় ৭০ রানে তামিম আউট হয়ে গেলে পরে নিয়মিত বিরতিতে বাংলাদেশের ও উইকেট পড়তে থাকে।দলীয় ৯৬ রানে লিটন আর আফিফ আউট হবার পর ১১৬ রানে আউট হয়ে যান মোসাদ্দেক হোসেনও।তখন মাত্র ১১৬ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে টাইগাররা কিছুটা চাপের মধ্যেই পড়ে যায়।তবে সেখান থেকে মাহমুদুল্লাহ আর সোহান মিলে দলকে আবার টেনে তুলেন।তবে দলীয় ১৪৭ রানের সময় মাহমুদুল্লাহ আউট হয়ে গেলে সোহানের সাথে আবার জুটি করেন মেহেদী মিরাজ।এবং দুইজনে একদম ম্যাচ জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন।ফলে বাংলাদেশ ৪ উইকেটের ব্যাবধানে জয় পায়।দলের পক্ষে মাহমুদুল্লাহ ৩৪,তামিম ৩৪,লিটন দলীয় সর্বোচ্চ ৫০ রান এবং সোহান ৩২ রান করে অপরাজিত থাকেন।অপরদিকে মোতি একাই দলীয় সর্বোচ্চ ৪ টি উইকেট সংগ্রহ করেন।

        ∆ এই ম্যাচ জয়ের ফলে টানা ১০ ওয়ানডে জিতে নিলো বাংলাদেশ ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে,এবং এই সিরিজে হোয়াইট ওয়াশের শিকার হলো ওয়েস্ট ইন্ডিজ নিজেদের মাটিতেই।প্লেয়ার অফ দা ম্যাচ নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশের তাইজুল ইসলাম এবং প্লেয়ার অফ দা সিরিজ নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক তামিম ইকবাল।

আর্টিকেলটি পড়ার জন্যে সকলকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

Comments