রিয়াল মাদ্রিদ বনাম লেভান্তের মধ্যকার ম্যাচের বিবরণ

R
rahat

লা লিগায় রিয়াল মাদ্রিদ আর লেভান্তের মধ্যকার ম্যাচটি আজ বাংলাদেশ সময় রাত ১:৩০ টায় শুরু হয়,যেখানে রিয়াল মাদ্রিদ পয়েন্ট টেবিলের একদম শীর্ষে আর লেভান্তের রয়েছে পয়েন্ট টেবিলের একদম তলানিতে।ম্যাচটির সম্পূর্ন বিবরণ নিচে দেয়া হলো -

   == শক্তিমত্তার আরেক নাম যে রিয়াল মাদ্রিদ সেটি আরেকবার প্রমাণ করলো দলটি।অনেকেই ছোট দলের সাথে খেলতে গিয়ে ছন্দ হারিয়ে ফেলেন,আবার অনেকে খুব সিরিয়াসলি ম্যাচটাকে প্রাধান্য দেয়াতে নিজেদের সেরাটা খেলতে পারেন।রিয়ালের খেলা দেখে তেমনই মনে হচ্ছিল।

     •ম্যাচের প্রথমার্ধ থেকেই যেনো পাগলের মত আক্রমন করতে থাকে রিয়াল।মনে হচ্ছিল তাদেরকে শুধু আক্রমন করার জন্যেই নামানো হয়েছে।কয়টা আক্রমন আর ঠেকানো যায়।শুরুতেই ম্যাচের ১৩ মিনিটের মাথায় গোল করে বসেন রিয়ালের মেন্ডে।এগিয়ে দেন নিজের এর দলের প্রথম গোলের মাধ্যমে।এরপর ক্যাপ্টেন করিম বেঞ্জেন্মা দলের পক্ষে দ্বিতীয় গোলটি করেন ম্যাচের ১৯ মিনিটেই।রিয়ালকে এগিয়ে দেন ২-০ তে।এরপর ফর্মে থাকা রদ্রিগো ৩৪ মিনিটে রিয়ালকে আরেক গোল করে ব্যাবধান বাড়ান ৩-০ তে।পুরো খেই হারিয়ে ফেলে লেভান্তে।এর পর শুরু হয় জুনিয়রের ঝড়।প্রথমার্ধের ৪৫ মিনিটের মাথায় শেষ পেরেকটি ঠুকেন উদীয়মান খেলোয়াড় জুনিয়র।৪-০ তে এগিয়ে থেকে প্রথমার্ধ শেষ করে রিয়াল।

     • লেভান্তে যেনো নিজেদের হারিয়ে খুঁজছে।ম্যাচ তো ইতোমধ্যে হাতছাড়া হয়েই গেছে।তার উপর আরো অর্ধেক খেলাই বাকি।কি হবে,কি করবে এইসব ভাবতে ভাবতেই আবার খেলতে নামে দ্বিতীয়ার্ধে।তবে এইবার বলের দখল নিজেদের মাঝেই রাখার চেষ্টা করতে থাকে দলটি।কোনোভাবেই যেনো গোল না হয় সেইদিকে কড়া নজর রাখতেছিলো সকলে।কিন্তু জুনিয়রকে কেউ ঠেকাতে পারলো না।দ্বিতীয়ার্ধ পুরোটাই নিজের করে নিয়েছেন এই উদীয়মান তরুণ খেলোয়াড়।৬৮ মিনিটে নিজের জোড়া গোলে দলকে এগিয়ে দেন ৫-০ তে।এর পরও থামেননি ৮৩ মিনিটে করে বসেন হ্যাট্রিকও। নিজের হ্যাট্রিক এর মাধ্যমে দলকে এগিয়ে দেন ৬-০ তে।সবাই ভাবতেছিলো কি হচ্ছে এইসব,আর কত গোল দিবে রিয়াল।তবে এর পর ৬-০ তে জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে রিয়াল।অপরদিকে গোল বন্যায় ভাসতে ভাসতে হেরে মাঠ ছাড়ে লেভান্তে।

 ∆ এই বিশাল জয়ের ফলেও কারোরই পয়েন্ট টেবিলের অবস্থানের কোনো পরিবর্তন হয়নি।তবে রিয়াল সমর্থকরা ম্যাচটি খুব উপভোগ করেছেন সেটি বলা বাহুল্য।

আর্টিকেলটি পড়ার জন্যে সকলকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

Comments