বাংলাদেশ বনাম দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যকার ২য় ওয়ানডে ম্যাচ

R
rahat

ঐতিহাসিক এক জয়ের পর হতাশাজনক এক হার। হ্যা,শুনতে খারাপ লাগলেও এটিই বাস্তব।কাল যোহানসবার্গ এ সবকিছু ই যেনো ওলটপালট করে দিলো প্রোটিয়া বাহিনী।২০ মার্চ বাংলাদেশ সময়ে দুপুর ২ টায় টসে জিতে ব্যাট করতে নামে বাংলাদেশ।

স্কোয়াড এ কোনো পরিবর্তন ছাড়াই ২য় ওয়ানডেতে নামে টাইগাররা।অপরদিকে ৩ টি পরিবর্তন নিয়ে বোলিং করতে নামে প্রোটিয়ারা।বাংলাদেশের কাছে এই মাঠ যেনো ছিলো নরক এর মত।আগের খেলার পিচ এর সাথে এই পিচের পার্থক্য অনেক।যেমন বাউন্সি তেমন টার্ন পাচ্ছিল বোলাররা।ফলে বাংলাদেশ যেনো তাদের বোলিং এটাক এর সামনে দাড়াতেই পারছিল না।একের পর এক উইকেটের পতন হতে থাকে শুরু থেকেই।যার ফলশরুপ বাংলাদেশের স্কোর বার ওভার চার বলে মাত্র ৩৪।কিন্তু ততক্ষণে সাজঘরে ফিরে গেছেন টপ অর্ডার ৫ জন ব্যাটসম্যান।কাসিগো রবাদা আর লঙ্গী নিজেদের বোলিং এর সামনে টাইগার ব্যাটসম্যানদের যেনো খুব অচেনা আর অসহায় লাগছিলো।ঠিকমতো ডিফেন্স ই করতে ব্যর্থ হচ্ছিল বার বার।পরে মাহমুদুল্লাহ আর আফিফ এর ৬০ রানের পার্টনারশিপ এর পর মাহমুদুল্লাহ আউট হন ২৫ রানে।দলের স্কোর তখন ৯৪-৬।মনে হচ্ছিল ম্যাচটা এখানেই শেষ।কিন্তু পরে দুই তরুণ আফিফ হাসান আর মেহেদী মিরাজ ৮৬ রানের পার্টনাশিপ দেয়।কিন্তু মিরাজ ৩৮ রান করে আউট হয়ে যাবার পর আফিফ ও দলের সর্বোচ্চ রান করে আউট হন ৭২ রানে।তারপর ৫০ ওভার শেষে বাংলাদেশের স্কোর দাড়ায় ১৯৪-৯।দলের মধ্যে তারা ছাড়া আর কেউই ভালো স্কোর করতে স্বক্ষম হয়নি।ফলে প্রোটিয়াদের টার্গেট দাড়ায় ১৯৫।

ছোট টার্গেট তারা করতে নেমে প্রথম থেকেই মারকুটে ছিলেন প্রোটিয়া ব্যাটসম্যানরা।মনেই হচ্ছিল না এই পিচেই আগের ইনিংস এ বোলাররা এমন ধস নামিয়েছিল।তারা ওপেনিং পার্টনারশিপ এই তুলেন ৮৬ রান তাও বার ওভার তিন বলেই।নয় চার আর দুই চয়ে কুইন্টন ডি কক তার ইনিংসটি সাজান মাত্র ৪১ বলে ৬২ রানে।তাছাড়াও জনেমান মালান ২৬ রান, মাভূদা ৩৭ আর ডি কক দলের সর্বোচ্চ ৬২ রান করে আউট হন।ভারেন ৫৮ রানে আর ডাসসেন ৮ রান করে অপরজিত থাকেন।প্রোটিয়ারা খুব সহজেই ৭ উইকেটের বড় ব্যাবধানে হারায় টাইগারদের।দলের সর্বোচ্চ ৫ উইকেট নেওয়া কসিগো রাবাদা হন ম্যাচ সেরা।

ফলে সিরিজে এখন ১-১ এ সমতা বিরাজ করছে।

আর্টিকেলটি পড়ার জন্যে সকলকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

Comments