প্রেম করা ভালো জিনিস কি খারাপ জিনিস আমি সে কথার মধ্যে যাচ্ছি না। আমি বলতে চাচ্ছি যে যদি তোমার মধ্যে একটু বড় কোনো স্বপ্ন থেকে থাকে, যদি তুমি একটু বড় কোন ইচ্ছা পূরণ করার কথা ভেবে থাকো, বড় বলতে বড় সাধারণের থেকে একটু বড় করতে পারো তুমি একটি গরিব ঘরের ছেলে।
কিন্তু তাহলেও তোমার মধ্যে কোটি টাকা তার একটা স্বপ্ন থাকতেও পারে। বর্তমানে পৃথিবীতে তুমি যদি সেরা 10 টি বৃহৎ মানুষের নামের তালিকা তৈরি করো, তাহলে তুমি দেখতে পাবে তাদের মধ্যে সাত জন মানুষ ছিল এমন জায়গা থেকে উঠে আসা যেখান থেকে বড় কিছু করা তোমার আমার কাছে একেবারে অসম্ভব বলে মনে হয়। এখন আমি তোমাকে ফেসবুকের জনক মার্ক জুকারবার্গ বা অ্যাপেলের ফাউন্ডার স্টিভ জবস তাদের মত এত বড় কিছু করার কথা বলছি না নিজের ছোট ছোট যে স্বপ্নগুলো আছে ছোট ছোট যে ইচ্ছা গুলো আসছে সেই প্রত্যেকটি ইচ্ছাকে পূরণ করার চাহিদা যদি তোমার মধ্য থেকে থাকে স্বপ্ন দেখা প্রত্যেকটি স্বপ্নগুলোকে যদি একদিন সত্যি করতে চাও তাহলে তোমাকে কোন একটি কাজের মধ্যে নিজের সমস্ত দেশে লাগিয়ে দিতে হবে। সারা দিনের বেশিরভাগ সময় সেখানেই দিতে হবে।
সেগুলো নিয়ে দিনভর পড়ে থাকতে হবে। উঠতে-বসতে ওগুলো নিয়ে ভাবনা চিন্তা করতে হবে তবেই তুমি ছোট্ট একটি কাজকে অনেক বড় একটা কাজ দিতে। আর যেগুলো অনেক দূরে আছে কাল সে গুলোকে অনেক কাছে নিয়ে আসতে পারবে। মধ্যেও নিজের নামটা একটু আলাদা করতে পারবে। কিন্তু তুমি যদি এমন কোন জায়গায় বসে থাকো তোমার জীবনে আরও একটা এমন কোন জিনিস যদি থেকে থাকে, সেটার পিছনে প্রতিদিন তোমাকে অনেকটা সময় দিতে হয় সেটা নিয়ে ভাবনা চিন্তা করতেই তোমার অর্ধেক দিন ফুরিয়ে যায় তাহলে কিভাবে তুমি একটা ছোট্ট কাজকে ভীষণ বড় করে তুলবে!!
কিভাবে তুমি একটা ছোট্ট জায়গা থেকে উঠে এসে বড় কিছু। কারন এরকম কোনো কিছু করতে হলে তোমার সমস্ত এনার্জি সমস্ত দেন ওই একটা কাজের মধ্যেই লাগাতে হবে। যে কাজটা করার মাধ্যমে তুমি জীবনে অনেক ঠকে যেতে পারছ সেটা করতে বসে তোমার মন যদি প্রেমিকার কথা ভাবতে শুরু করে দেয় তাহলে কিভাবে তুমি তোমার সামনের পড়ে থাকা কাজটি করতে পারবে। যদি অন্য কোন ব্যাপার হয় পরে দেখবো মনে করে হয়তোবা তুমি তখন এড়িয়ে যেতে পারবে কিন্তু যদি সেটা প্রেম ভালোবাসার জিনিস হয় তৎক্ষণাৎ তুমি সেই চিন্তা ভাবনার জল থেকে বেরিয়ে আসতে পারবে না।
রাউন্ড এন্ড রাউন্ড রাউন্ড রাউন্ড সেটাই মাথার মধ্যে ঘুরতে থাকবে আর তোমার কাজের বারোটা বাজতে থাকবে। কারন তোমার এই বয়সে তোমার ভিতরে সবথেকে স্ট্রং ইমোশন হলে এটাই। অন্য যেকোনো বিষয়কে হয়তো তুমি হ্যান্ডেল করে নিতে পারবে কিন্তু যদি তুমি একবার প্রেম ভালোবাসার মধ্যে ঢুকে যাও তাহলে এটাকে তুমি কখনোই কন্ট্রোল করতে পারবেনা। বরং এটাই তোমার প্রত্যেকটা দিন প্রত্যেকটা ডিসিশন কে কন্ট্রোল। যে কাজটা করছো যদি তুমি সাধারণ কারণ অনুমান করা রেজাল্ট আশা করে থাকো তাহলে ঠিক আছে কোন ব্যাপার না। একদিকে প্রেম আর একদিকে নিজের কাজ কিভাবে জীবন চালিয়ে যেতে পারো। কিন্তু তুমি যে কাজটা করছো সেটা কি নিয়ে যদি অনেক দূর পর্যন্ত ভেবে থাকো, অল কাস্ট এর মাধ্যমে জীবনে অনেক বড় হওয়ার আশা করে থাকে আর বিশেষ করে যদি তুমি একটি গরিব ঘরের ছেলে হয়ে থাকো তাহলে ভাই বর্তমানে তোমাকে শুধু ওই কাজটার মধ্যেই ঢুকে থাকতে হবে।
আর পাঁচটা ছেলের মতন না ভেবে তোমাকে একটু আলাদা ভাবে ভাবতে হবে যতদিন না তুমি বিশেষ কিছু একটা করতে পারছো তেমন আমাকে ইমোশনাল জিনিস থেকে তোমাকে দূরে তো বজায় রাখতে হবে। যদি তুমি ভেবে থাকো তুমি এই দুটো জিনিস কি একসাথে ম্যানেজ করে নিতে পারবে তাহলে তুমি ভুল একটা ডিসিশন নিজেও বুঝতে পারবে। কারণ একমাত্র তুমি যতটা দৌড়াতে পারবে তোমার মনে যদি দ্বিতীয় কোনো ভাবনা দৌড়াতে থাকে তোমার প্রতি কম হতে বাধ্য হবে। নিজের সমস্ত শক্তি কাজে লাগিয়ে আগে জীবনে কিছু একটা করো।
কারণে টাকার আই সবথেকে কঠিন কাজ। আর এটাই সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ কাজ যার উপরে তোমার গোটা জীবনটা নির্ভর করে। জীবনে কি করবে এটা না ভেবে যদি কিভাবে প্রেম করবে এভাবে যদি তোমার দিন কাটিয়ে দাও। তাহলে সেখানেই পৌঁছাতে তোমাকে অনেকটা সময় লাগবে। আর তার শুরুটা তোমাকে এখন থেকেই করতে হবে জীবনে কিছু একটা করব সেটার শুরু।

