আপেক্ষিকতাবাদ ( Theory of Relativity)

P
piya3

 

আপেক্ষিকতাবাদ ( Theory of Relativity)

 

জার্মান বিজ্ঞানী আইনস্টাইন বিশ্বাস করতেন কল্পনাশক্তি জ্ঞান অপেক্ষা অধিক গুরুত্বপূর্ণ। হাজার ১৯০৫ সালে তিনি দেখান যে পদার্থ এবং শক্তি প্রকৃতপক্ষে অভিন্ন পদার্থকে শক্তিতে রূপান্তরিত করা যায়। m ভর বিশিষ্ট কোন পদার্থকে সম্পূর্ণরূপে শক্তিতে রূপান্তরিত করলে প্রাপ্ত শক্তির পরিমাণ হবে E = mc2,এখানে c হল আলোর বেগ। একে আইনস্টাইনের পদার্থ ও শক্তি রবীন্দ্র বিষয়ক সূত্র বলা হয়। থিওরি অফ রিলেটিভিটি প্রণেতা আলবার্ট আইনস্টাইন। নিউটনীয় বলবিদ্যা দৈর্ঘ্য ভর সময় দ্রুতগতির নির্ভর নয়। কিন্তু আপেক্ষিক তত্ত্ব অনুসারে দৈর্ঘ্য ভর সময় আপেক্ষিক যা বস্তু বা প্রসঙ্গ কাঠামোর উপর নির্ভরশীল। একে আইনস্টাইনের আপেক্ষিকতা বলে। আপেক্ষিকতা অর্থ কোন কিছুর সাপেক্ষে। যেমন আপেক্ষিক ভর বলতে কোন প্রসঙ্গ কাঠামো থেকে কোন স্থির পর্যবেক্ষক কোন বস্তুর ভর পরিমাপ করেন তা বোঝায়।

 

হিগস-বোসন:

মহাবিশ্বে দুই ধরনের মৌলিক কণিকা আছে। যথা বসন্ত ফার্মিয়ন। ভবিষ্য চার ধরনের বন রয়েছে যথা মহাকর্ষ তাড়িতচৌম্বকীয় দুর্বল নিউক্লিয়ার বল এবং শক্তিশালী নিউক্লিয়ার বল। এবল বা বিক্রিয়া গুলোর কার্যকর হয় বল বাহক কণাগুলোর আদান-প্রদানের মধ্য দিয়ে। কণাগুলোর সাধারণ নাম বোসন কণা। বসন এর একটি সাধারণ ধর্ম হচ্ছে ইসলাম ঘূর্ণন বেগ পূর্ণ সংখ্যার। এই বসুন কণাগুলো বোস-আইনস্টাইন পরিসংখ্যান মেনে চলে। আলবার্ট আইনস্টাইনের সাথে যৌথভাবে আইনস্টাইন পরিসংখ্যান প্রদান করেন। অধ্যাপক সতেন্দ্রনাথ বসু বৃহত্তর বাংলার তিন শিক্ষায়তন ঢাকা-কলকাতা এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন।

ব্রিটিশ পদার্থবিজ্ঞানী পিটার হিগস হাজার ১৯৬৪ সালের শক্তি হিসেবে এমন একটি কণা ধারণা দেন যা বস্তুর ভর সৃষ্টি করে এবং এর ফলে মহাবিশ্ব সৃষ্টি সম্ভব হয়েছে। এই কথাটি হলো হিগের কণা। সিক্স কণাকে বিজ্ঞানে হিগস-বোসন বলে উল্লেখ করা হয়। কারণ হিগস কণা একটি বোসন কণা। এ কণিকাকে অনেক মজা করে ঈশ্বরের কণিকা ও বলে থাকেন। হিগস-বোসন কোয়ান্টাম তত্ত্বের একটি বিষয়। মহাবিশ্বে আরেক ধরনের করা হচ্ছে ইলেকট্রন প্রোটন এবং নিউট্রন। এগুলোকে বলা হয় ফার্মিয়ন। ফার্মিয়ন এর স্পিন ভগ্নাংশ সংখ্যা। এ কণাগুলো ফার্মি ডিরাক পরিসংখ্যান মেনে চলে।

 

ধন্যবাদ সকলকে আমার লেখাটা পরিদর্শন করার জন্য।

Comments