চিকিৎসা বিজ্ঞান (Medical Science)

P
piya3

 

প্রাথমিক চিকিৎসা:

প্রাথমিক প্রতিবিধান হল চিকিৎসা শাস্ত্রের অন্তর্গত একটি প্রাথমিক বিভাগ। এই বিদ্যালয়ে অভিজ্ঞ একজন প্রতিবিধানকারী কেউ দুর্ঘটনা বা অসুস্থ হলে তাকে সঠিক পদ্ধতিতে যত সরকারি প্রাথমিক প্রতিবিধান দিতে পারে। পুরো চিকিৎসা করা প্রতিবেদনের উদ্দেশ্য নয় কারণ প্রতিবিধানকারী চিকিৎসক নন। প্রতিবেদন করে ডাক্তার আসার আগ পর্যন্ত বা হাসপাতালে স্থানান্তর করার আগ পর্যন্ত অসুস্থ ব্যক্তির প্রাণ রক্ষা করা, রোগীর অবস্থা যেন আরও খারাপ না হয় সেদিকে লক্ষ্য রেখে জীবন রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়।

ক) চামড়া ছড়ে যাওয়া:

১) ছড়ে যাওয়া থেঁতলানো জায়গায় ঠান্ডা পানি বা বরফ লাগাতে হবে। পরিষ্কার তোয়ালে বা কাপড় ঠান্ডা পানিতে ভিজিয়ে আঘাতপ্রাপ্ত স্থানভেদে রাখতে হবে। শুকিয়ে গেলে পুনরায় পিছিয়ে দিতে হবে।

২) রক্ত বের হলে তা বন্ধ করার ব্যবস্থা করতে হবে। জীবাণুমুক্ত তুলা দিয়ে জমাট রক্ত মুছে অ্যান্টিসেপটিক মলম লাগাতে হবে।

খ) মাংসপেশিতে টান ধরা:

খেলাধুলা করার সময় বা ভারী কোনো জিনিস তোলার সময় মাংসপেশিতে টান লেগে মাংসপেশির আর ছিলে ব্যথা অনুভূত হয় এবং চলতে গেলে কষ্ট হয়। এর ফলে আহত স্থানটিকে বিশ্রাম দিয়ে বরফ লাগাতে হবে। ২৪ ঘন্টা পর গরম পানিতে বোরিক অ্যাসিড পাউডারের কমপ্লেস প্রয়োগ করতে হবে।

গ) ফুলে যাওয়া:

ফুটবল খেলার সময় বুটের আঘাতে বা বক্সিং খেলার সময় মুষ্টির আঘাতে বা পড়ে গিয়ে আঘাত লাগলে শরীরের কোন স্থানে ফুলে যেতে পারে। এর প্রথম কাজই হলো বরফ লাগানো। কিছুক্ষণ বরফ লাগালে ফুলা আস্তে আস্তে কমে যাবে।

ঘ) পুড়ে যাওয়া:

১) আক্রান্ত স্থান শীতল পানির প্রবাহ মাত্রার নিচে ১০-১৫ মিনিট ধরে রাখতে হবে। গা পুড়ে গেলে শাওয়ার বা গোসলের ঝরনার পানির নিচে দাঁড়াতে হবে। 

২) পোড়া অংশ শুকনো জীবাণুমুক্ত গজ ব্যান্ডেজ দিয়ে ঢেকে দিতে হবে, যাতে জীবাণুর সংক্রমণ না হয়।

৩) ব্যথানাশক ঔষধ দিতে হবে। যেমন-প্যারাসিটামল।

৪) জ্ঞান থাকলে আক্রান্ত ব্যক্তিকে খাবার স্যালাইন বা শরবত বা ডাবের পানি খেতে দিতে হবে।

৫) ডিম টুথপেস্ট মাখন এবং ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কোন ধরনের মলম ব্যবহার করা যাবে না।

৬) পোড়ার মাত্রার রোগীর পক্ষে বোঝা সম্ভব নয়। তাই অল্প পড়লেও একবার ডাক্তার দেখানো উচিত।

 

ধন্যবাদ সকলকে লেখাটি পরিদর্শন করার জন্য।

Comments