প্রিয় বন্ধুরা,
পরম করুনাময় সৃষ্টিকর্তাকে ধন্যবাদ জানিয়ে আজকে আমি আমার লেখাটি শুরু করতে যাচ্ছি।
আসলে সৃষ্টিকর্তাকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করতে হবে সব সময় কারণ তার জন্যই আমরা সুস্থ সাবলীল একটা জীবন যাপন করতে পারছি এবং আমাদের জীবনকে অতিবাহিত করতে পারছি এই পৃথিবীতে আমাদের সুন্দর কাজের এবং সৃষ্টিশীল কাজের মধ্য দিয়ে।
যাহোক আর কথা না বাড়িয়ে আমি আমার মূল বিষয়ে চলে যাবো এখনই তো আজ আমি আপনাদের সামনে একটি ফটোগ্রাফি কনটেন্ট বা লেখা তুলে ধরব যেটা প্রকৃতি নিয়ে। আসলে এটি আজকের কোন ফটোগ্রাফি নয় এটি বিগত ২-৩ দিন পূর্বের একটি বিকেলের ফটোগ্রাফি যেটা আমি সংগ্রহ করেছিলাম আমার নিজেও গ্রামের এবং আমার বাসভবনের সামনে অবস্থিত রাস্তার পাশে অবস্থিত কিছু অচেনা বা নাম না জানা সবুজ কাছে ফুটে থাকা হলুদ রংয়ের ফুল নিয়ে।
হঠাৎ রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় চোখ পরল এই ফুলের উপর এবং ফুলগুলো দেখতে অনেকটা ছোট আকৃতির হলেও এই ফুলগুলোর রংটা বেশ আকর্ষণীয় ছিল এবং দৃষ্টি কাড়ার মত ছিল।
তো এটা দেখার পরে আমি আর বিলম্ব করলাম না কিছু ফটোগ্রাফি সংগ্রহ করে ফেললাম এবং বেশ ভালই লাগতেছিল যখন ফটোগ্রাফি গুলো সংগ্রহ করি কারণ প্রকৃতির সৌন্দর্য এতটাই আকর্ষণীয় যেটা অন্য কোন কিছুর সাথে তুলনা করা সম্ভব নয়। আপনি যতই টাকা ব্যয় করুন না কেন প্রকৃতির সৌন্দর্য দেখবেন সেই প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের সাথে অন্য কোন কিছু তুলনা করা সম্ভব হলেও বাস্তবে তা হয় না।
কারণ গাছের পাতা বা গাছের ফুল দিয়ে আপনি যতই আপনার ঘরকে সৌন্দর্যমন্ডিত করুন না কেন এবং অনেক ব্যয়বহুল বা টাকা অতিবাহিত করে যদি আপনি সেটা করেন হয়তো কিছুক্ষণ সময়ের জন্য ভালো লাগবে কিন্তু অনুরূপভাবে যদি আপনি এগুলো না করে একটি ফুলবাগান তৈরি করেন দেখবেন সেই সৌন্দর্যটা সম্পূর্ণ ভিন্ন এবং তার ভেতর যে আকর্ষণীয়তা আছে সেটা অন্য কোন কিছুর সাথে তুলনা করা যায় না।
ফটোগ্রাফিতে দেখুন ফুলগুলো ছোট হলেও এটা দেখতে অনেক সুন্দর লাগছে এবং এটাকে আপনি যখন অবসরে থাকবেন তখন পর্যবেক্ষণ করুন আপনি অনেক কিছু খুঁজে পাবেন। আমরা জানি গাছ থেকে আমরা অক্সিজেন পাই তবে কিছু মানুষ অবিবেচনা প্রকাশিত ভাবে কিছু গাছ জেনে বা না জেনে বুঝে বা না বুঝে আমরা কেটে ফেলি এটা আসলে ঠিক নয়।
এই যে নাম না জানা ফুল গাছটি হয়তো বৈজ্ঞানিক কোনো নাম অবশ্যই এটা রয়েছে যেটা হয়তো আমরা জানিনা কারন আমাদের প্রয়োজন হয় না কিন্তু গাছের যে উপকারী দিকগুলো রয়েছে এই দিকগুলো বিবেচনা করলে একটি গাছের মূল্য অনেক বেশি।
জানার প্রয়োজনীয়তা:
শুধুমাত্র আমাদের সাময়িক ব্যবহার জানলে হবে না এটার উপকারিতা অপকারিতা সম্পর্কে জানতে হবে। আসলে এই গাছটার জন্য আমরা কিন্তু কোন সময় ব্যয় করিনি এটা আপনা আপনি এখানে হয়েছে হয়তো কারো মাধ্যমে হতে পারে প্রাণী বা কোন পশু বা পাখি এমনকি মানুষের মাধ্যমেও এই গাছটির বীজ এখানে এসে আপনা আপনি হয়তো পড়েছিল না হলে গাছ জন্মতো না। তবে যেহেতু গাছটি আমাদের কোন ক্ষতির কারণ হচ্ছে না সেহেতু এই কাজগুলোকে আমাদের সংরক্ষণ করা উচিত কারণ প্রত্যেকটি সবুজ গাছের পাতা আমাদেরকে প্রচুর পরিমাণে অক্সিজেন সরবরাহ করে এবং প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষার জন্য অক্সিজেন খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
প্রতিবছর নদী উপকূলীয় যে দেশগুলো রয়েছে এখানে প্রচুর পরিমাণে প্রাকৃতিক দুর্যোগ দেখা যায় এবং এটার একমাত্র কারণ হচ্ছে দিন দিন গাছের পরিমাণ হ্রাস পাওয়া অর্থাৎ কার্বন ডাই অক্সাইড বেড়ে যাওয়া এবং অক্সিজেনের পরিমাণ কমে যাওয়া। তাই আমরা প্রতি বছর সরকারিভাবে বা বেসরকারিভাবে বা এবং নিজে দায়িত্বে অনেক কাজ সুমন করলেও দেখা যায় সেই ঘাটতি পূরণ হচ্ছে না সুতরাং যদি কোথাও এরকম কোন কাজ দেখে আমাদের উচিত সেগুলোকে সংরক্ষণ করা বা পরিচর্যা করতে না পারলেও যাতে ক্ষতি না হয় এ গাছটির অন্তত আমাদেরকে অক্সিজেন সরবরাহ করতে পারা সেদিকে নজর রাখা।
আমার এই ফটোগ্রাফি গুলো সংগ্রহ করা হয়েছে আমার নিজেও গ্রাম এবং আমার নিজেও জেলা বাগেরহাট এলাকা থেকে।
এবং এটি আমি সংগ্রহ করেছি আমার নিজস্ব মোবাইল ক্যামেরা ব্যবহার করে।
Realme 8
Size
3.5MB
Phone/DCIM/Camera
Dimensions
4624×2080Pixels
ধন্যবাদ সকলকে আমার লেখাটি পরিদর্শন করার জন্য।


No need as like comments
অভিনন্দন, আপনার পোস্ট @sereybd দ্বারা কিউরেট করা হয়েছে। Serey Bangladesh কমিউনিটিতে পোস্টটি শেয়ার করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ