প্রিয় বন্ধুরা,
আজ আবারও একটি ফটোগ্রাফি লেখা নিয়ে চলে আসলাম আপনাদের মাঝে। তবে আজকের সকালটা অন্যরকম অন্যান্য দিনের তুলনায়।
সকালের আকাশে মেঘের ঘনঘটা সেই সাথে ঝিরঝির বৃষ্টি। ঘুম থেকে উঠেই প্রথমে ব্রাশ করলাম এবং তারপর ঝিরঝির বৃষ্টি পড়ছে উঠানে কিছু ফটোগ্রাফি সংগ্রহ করলাম। তবে এই বৃষ্টি আসলে বর্ষাকালের সেই স্বাভাবিক কোন বৃষ্টি নয়। কারণ আমরা সকলেই জানি যে ভয়ংকর ঘূর্ণিঝড় "সিত্রাং" এর ঘনঘটা যার জন্য ঝিরঝিরে বৃষ্টি শুরু হয়েছে রাত থেকেই।
সবকিছু যেন মেঘের ঘন ঘটায় মুখ অন্ধকার করে আছে। গাছগুলোকে দেখেও মনে হচ্ছে যেন এরা মুখ ভার করে বসে আছে। যদিও মানুষ যেমন কথা বলতে পারে গাছপালা কথা বলতে পারে না কিন্তু গাছেরও প্রাণ আছে। আমি আসলে সঠিক জানিনা অনুভুতি আছে কিনা সম্ভবত নাই কারণ এটা আমি কখনো শুনিনি। তবে এটা আমাদের সবার জানা যে একটি ভয়ংকর প্রলয়নকারী ঝড়ে মানুষের জীবনহানি বা বসতবাড়ি ও অন্যান্য দ্রব্য সামগ্রী যে পরিমাণ ক্ষতি সাধিত হয় গাছও কিন্তু অনেকটা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ভয়ংকর ঘূর্ণিঝড়ে গাছ পড়ে যায় বড় বড় গাছ গুলো দেখা যায় মাটি নরম হওয়ার কারণে তাদের ভার সহ্য করতে পারে না এবং বাতাসের চাপে শিখরসহ উপড়ে পড়ে।
এবং একটা প্রাকৃতিক দুর্যোগ দেশের বনভূমিকে অনেকটা ক্ষতিগ্রস্ত করে। আমরা জানি যে একটা দেশের ভূমি অনুযায়ী 25% বনভূমি থাকা প্রয়োজন।
সে হিসাবে আমাদের বাংলাদেশে আসলে এই প্রয়োজন উপযোগী গাছের পরিমাণ নেই এবং যেটা আছে ঝড়ের কারণে তার পরিমাণটা আরো হ্রাস পাবে। সেটা দেশের জন্য বড় একটা ক্ষতির কারণ। এবং অর্থনীতিবিদ বা বিভিন্ন বার্তার মাধ্যমে এ তো পূর্বেই আমরা জেনেছি যে ২০২৩ সালের দিকে আমাদের বাংলাদেশ একটি বড় আকারের দুর্ভিক্ষ দেখা দিতে পারে এবং ধারণা করা হচ্ছে এই ঝড় তার সূচনা।
আমি আপনাদের সকলের উদ্দেশ্যে আমার লেখার শেষে একটি লিংক প্রদান করব এখানে আপনারা ক্লিক করে যে কোন ব্রাউজারে অন করলে বর্তমান ঝড়ের অবস্থান এবং প্রত্যেকটা মুহূর্ত আপনারা পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন। এবং বিশেষ করে যারা বাগেরহাট খুলনা বরিশাল শ্যামনগর পিরোজপুর মঠবাড়িয়া বরগুনা ইত্যাদি জেলা বা বিভাগের আশেপাশে রয়েছেন তারা নিজেরা সতর্কতা অবলম্বন করুন। নিরাপদ স্থানে শিশু বৃদ্ধা পশুপাখি এবং শুকনো খাবার প্রয়োজনমতো সাথে নিন। এটা করলে হয়তো কিছুটা হলেও ক্ষতির পরিমাণটা কম হবে।
এই প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রতিরোধ করা আপনার আমার সাধ্যের বাইরে বা এটা সম্ভব নয়। কিন্তু একটু সচেতনতা আপনাকে অনেক বড় ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করতে পারে।
ঝড়ের কিছু চিত্র আমি তুলে ধরছি অনলাইন ম্যাপ অনুসারে দেখুন আসলে এটা দেখলে ভয়ংকর মনে হচ্ছে। এবং সরাসরি সুন্দরবন এলাকায় আঘ াত চলছেই তো মধ্যেই। এবং বলতে পারেন আমি যেহেতু বাগেরহাট জেলার রামপাল উপজেলাতে বসবাস করি আমার উপজেলাতে এখনই ঝড়ের প্রকোপ শুরু হয়ে গেছে।
তো সকলে আমাদের উপকূলীয় এলাকায় যারা রয়েছি আপনারা সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করবেন যেন তিনি আমাদেরকে এই বিপদের হাত থেকে রক্ষা করেন এবং আমাকে আমাদেরকে ধৈর্য প্রদান করেন এই বিপদ স্থির রেখে চলতে।
ধন্যবাদ সকলকে আমার লেখাটি পর্যবেক্ষণ করার জন্য।
এবং এই যে ছবিগুলো সংগ্রহ করা হয়েছে আমার নিজস্ব মোবাইল ক্যামেরা এবং নিজেও এলাকা নিজেও বাসভবন থেকে:-
Realme 8


আপনি স্ক্রিনশটগুলো যে ওয়েবসাইট থেকে সংগ্রহ করেছেন সে ওয়েবসাইটের লিংক source হিসেবে ব্যবহার করা প্রয়োজন আশাকরি সংশোধন করবেন
অভিনন্দন, আপনার পোস্ট @sereybd দ্বারা কিউরেট করা হয়েছে। Serey Bangladesh কমিউনিটিতে পোস্টটি শেয়ার করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ
ধন্যবাদ,
ভুল শুধরে নিবো পরবর্তী তবে।