আলু, তৈলবীজ ও মসলা

P
piya3

 

 

আলু

আলু একটি প্রয়োজনীয় খাদ্য। আমাদের দেশের উর্বর দো-আঁশ ও বেলে মাটি আলু চাষের জন্য বিশেষ উপযোগী। এখানে গোল আলুর মিষ্টি আলুর চাষ বেশি হয়। দেশের চাহিদা মেটানোর পর উদ্বৃত্ত আলো বিদেশে রপ্তানি করা হয় যা থেকে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হয় প্রতিবছর।

 

তৈলবীজ

আমরা দৌলোদিয়া অনেক খাবার রান্না করি। সরিষা বাদাম বাতি সিরিয়াল করে আমরা তো পেয়ে থাকি। তবে চাহিদা পূরণের জন্য আমাদের বিদেশ থেকে তৈল ও আমদানি করতে হয়। যার জন্য প্রতিবছর দেশের একটি বড় ধরনের অর্থ ব্যয় হয় এই তৈল ও আমদানি করার জন্য।

 

মসলা

খাবারকে সুস্বাদু করতে আমরা খাবারে বিভিন্ন ধরনের মসলা ব্যবহার করি। আমরা পেঁয়াজ রসুন আদা মরিচ ইত্যাদি উৎপাদন করি। দেশে যে পরিমাণ মসলা উৎপাদন হয় তাতে দেশের মসলা চাহিদা অনেক খানি পূরণ হয়। তবে এই চাহিদা পূরণ হলেও কিছুটা ঘাটতি থেকে যায় এবং সেই ঘাটতি মেটানোর জন্য কিছু পরিমাণ মসলা আমদানি করতে হয়।

 

 

বাংলাদেশ একটি ছোট দেশ এবং এই ছোট দেশের জনসংখ্যা দেশের আয়তন অনেক বেশি বলা যায়। এবং আমাদের দেশের মাটি যথেষ্ট উর্বর ফসল উৎপাদনের জন্য। তারপরও জমি স্বল্পতার জন্য এবং আধুনিক প্রযুক্তির উপযুক্ত ব্যবহার করা সম্ভব না হওয়ার কারণে দেখা যায় কিছু কিছু খাদ্যদ্রব্য ফসল মসলা যেগুলো প্রতিবছর আমাদের দেশের জনসাধারণের চাহিদা মেটানোর জন্য বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। যার জন্য প্রচুর পরিমানের অর্থ ব্যয় হয়।

 

তাই আমাদের সকলের উচিত যার যেখানে যতটুকু জমি পড়ে আছে সেগুলো কে আবাদি জমি হিসেবে ব্যবহার করা। বিক্রি করে অর্থ বের করা প্রয়োজন অবশ্যই কিন্তু তার পূর্বে নিজের পরিবারের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হয় তাহলে ওই পরিবারের জন্য আর বিদেশ থেকে কোনপ্রকার খাদ্যদ্রব্য মসলা আমদানি করার প্রয়োজন হয় না।

Comments

shazara
খুব গুরুত্বপূর্ণ একটা পোস্ট করেছেন। আমাদের বাংলাদেশের মাটি খুব উর্বর এখানে খুব সহজেই ফসল ফলানো যায়। তবে উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার না পাড়ার কারণে আমরা অধিক ফলন পাচ্ছি না।