হ্যালো বন্ধুরা,
আপনারা সকলে কেমন আছেন?
আপনাদের দোয়ায় এবং সৃষ্টিকর্তার ইচ্ছায় আমি ভালো আছি। প্রত্যেকটা মানুষেরই এক একটি সখ থাকে। ঠিক তেমনি আমারও আছে। আর এটার মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ শখ হচ্ছে বিভিন্ন জিনিসের ফটোগ্রাফি সংগ্রহ করা এবং ঘুরতে যাওয়া।
এই ফটোগ্রাফিটি হচ্ছে সম্ভবত গতকালকের বিকেলের একটি দৃশ্য। হঠাৎ রাস্তার দিকে বের হয়েছি বাজারের উদ্দেশ্যে একটু কাজ রয়েছে আমার। এবং রাস্তার তিনমুখে দাঁড়াতেই দেখি ডান হাতে আমার সূর্য দেখাচ্ছে আকাশে এবং নারকেল গাছের ভিতর দিয়ে উঁকি দিচ্ছে সূর্যের আলো। এবং আপনারা দেখুন যে এই সূর্যের আলোয় নারকেল গাছের ভিতর দিয়ে যে আলোর রেখাটা বা রহস্যি আমরা দেখতে পাচ্ছি কতটা মনোমুগ্ধকর একটি দৃশ্য। আমরা জানি সূর্যের আলো ছাড়া গাছ তার পাতায় খাবার উৎপাদন বা তৈরি করতে পারে না। এবং আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হচ্ছে আমরা জানি পৃথিবীর সকল শক্তির উৎস হচ্ছে এই সূর্য।
এই মাঠে যুক্ত গাছের মূলের অংশটি দেখে আপনারা কেউ বুঝতেই পারবেন না যে এটি আসলে কোন গাছের শিকড় হতে পারে। আমি নিজেই অবাক হয়েছি আর যখন আমাদের বাড়িতে গাছ কেটে ফেলা হচ্ছে অস্থায়ীভাবে ঘর তৈরি করার জন্য, তখনই এই গাছটি মূলসহ উত্তোলন করা হয়েছে। এবং এই দৃশ্যটি হচ্ছে আমাদের দেশের জাতীয় ফল কাঁঠাল এসেই কাঁঠাল গাছের মূলের ফটোগ্রাফি। কি অদ্ভুত অসাধারণ রঙের অধিকারী এই কাঁঠাল গাছের মূল। এবং যে গাছের ফল আমাদের দেশের জাতীয় ফল হিসেবে পরিচিত এবং খুব বেশি সুস্বাদু।
এবং দেখুন এখানে আরেকটি ফটো তুলে ধরেছি যেখানে রয়েছে গাছ কাটা এবং ছাটাই করার পরে যখন ঘরের বা ঘর তৈরির কাজে ব্যবহার উপযুক্ত একটি অবস্থা। আমরা প্রতিনিয়ত আমাদের বিভিন্ন প্রয়োজনে জ্বালানি এবং বিভিন্ন আসবাবপত্র তারপর ঘর তৈরির কাজে নির্বিশেষে প্রয়োজনীয়ভাবে বা অপ্রয়োজনীয় ভাবে কাজ কেটে ফেলছি।
এরপর দেখুন আরেকটি খুবই সুস্বাদু ফলের গাছের অংশ তুলে ধরেছি এটি হচ্ছে লবণাক্ত এলাকার একটি বিখ্যাত সুস্বাদু ফলের গাছ। এটি সাধারণত লবণাক্ত এলাকায় বেশি দেখা যায় এবং এই সফেদা ফল আমাদের সকলের পরিচিত এবং খুবই সুস্বাদু। এ ফোনটাকে শরীরের জন্য খুবই উপকারী মিষ্টি স্বাদের এবং শরীরকে ঠান্ডা রাখে।
দেখুন কাছের অর্ধেক অংশ কেটে ফেলার পরে এটি রং কত সুন্দর দেখছে এবং এই কাজটা কিন্তু অনেক বেশি শক্ত হয়েছে। যেটা ঘরের মূল্যবান আসবাবপত্র অর্থাৎ পালঙ্কের বা ঘর সাজিয়ে রাখার উপকরণ রাখার যে শোকেস আছে সাধারণত দেখা যায় মূল্যবান এই আসবাবপত্রগুলো এবং এটা তৈরি করতে এ ধরনের শক্ত কাঠ ব্যবহার করা উত্তম হয়।
এরপর আর তুলে ধরেছি চায়ের দোকানে গিয়েছিলাম এবং সেখানে চা বানানো হচ্ছিল কেটলিতে এবং গ্যাসের আগুন ব্যবহার করে আপনারা দেখতেই পাচ্ছেন ফটোগ্রাফিতে। এরপর পানি যখন পর্যাপ্ত পরিমাণে উত্তপ্ত হয়েছে তখন যা প্রস্তুত করার জন্য দোকানদার সেই বাণীটিকে চায়ের পাত্রে দিচ্ছেন।
স্থান:- বাংলাদেশ রামপাল বাগেরহাট
বিষয়:- ফটোগ্রাফী
Mobile:- realme
Model:- realme 8


Thanks dear