গম চাষ বাংলাদেশে দিন দিন বেড়েই চলেছে গম চাষ করে বাংলাদেশে অনেক কৃষক স্বাবলম্বী হচ্ছে একটি গুরুত্বপূর্ণ ফসল সাধারণত শীতের মৌসুমে গম চাষ করা হয়ে থাকে ঘুম থেকে আমরা ময়দা থেকে আমরা রুটি তৈরি করে থাকি এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ফসল কারণ এটা আমাদের দৈনন্দিন জীবনে সবসময় রেগেই থাকে কারণ আমাদের ময়দার প্রয়োজন প্রতিদিন প্রায় হয়ে থাকেন।
গ্রাম্য এলাকা তে গমের চাষ সাধারণত বেশি হয়ে থাকে এবং উঁচু জমিতে সাধারণত গম চাষ করা হয়ে থাকে যাতে বৃষ্টির পানিতে ডুবে না যায় সে ক্ষেত্রে খেয়াল রাখতে হবে আর্গন সাধারণত শীতকালে চাষ করা হলেও গম চাষ করতে বেশি ফ্যাট এর প্রয়োজন হয় না সাধারণত দুই থেকে তিনবার সেচ দিতে হয়।
গম থেকে নানান ধরনের খাবার তৈরি করা হয়ে থাকে পাউরুটি থেকে রুটি বিভিন্ন ধরনের খাবারের ব্যবহার রয়েছে বিস্কুট তৈরিতে ব্যবহার রয়েছে তো আমরা সাধারণত দৈনিন্দ জীবনে যে কোনো খাবারের দিকে তাকালে আমরা দেখতে পাবো যে মোটামুটি ঘুমের ব্যবহার আমরা দেখতে পাই এজন্য গ্রমের চাহিদা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে যার কারণে বাংলাদেশে অনেক নতুন কৃষি উদ্যোক্তা ও গম চাষে আগ্রহী হচ্ছে।
কৃষকেরা গম যখন ঘুমের কাজ যখন পেকে যায় তখন ঘুমের গাছ কেটে বাড়িতে এনে মাড়াই ঝাড়াই করে ঘুম একত্র করে এবং তারপর তা বাজারে বিক্রি করে এবং বাজারে বিক্রি করে তাদের সংসার চালায় এবং অনেক লাভবান হয়ে থাকে এটা যেহেতু একটি লাভজনক ফসল তাই এটা অনেক কৃষকই চাষ করে থাকে।
এটা আমাদের এলাকাতে বেশি হারে চাষ করা না হলেও অনেক কৃষকই রয়েছেন যারা প্রতিবছর গমের চাষ করে থাকেন তবে অন্যান্য এলাকাতে গমের চাষ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে আমাদের এলাকাতে একটু কম গম চাষ করা হয়ে থাকে আমাদের এলাকাতে পানির চাষ বেশি হয়ে থাকে যার কারণে গম চাষে সবাই একটু কম আগ্রহী তবে আশা করছি আমাদের এখানেও একসময় গমের চাষ বৃদ্ধি পাবে।
গম দৈনিন্দ বিভিন্ন খাবার তৈরিতে গমের ব্যবহার রয়েছে এজন্য গম চাষ করা আমাদের জন্য দরকার এবং গম চাষ করে অনেক কৃষক লাভবান হচ্ছে তাই এটা একটি লাভজনক ফসল আমরা বলতে পারি আশা করছি বাংলাদেশে আরো বিপুল পরিমাণে গমের চাষ করা হবে এবং গ্রামের বিভিন্ন ধরনের গম থেকে খাবার তৈরি করা হবে এখন ঘুম থেকে বিভিন্ন ধরনের খাবার তৈরি করা হয়ে থাকে যেগুলো অনেক সুস্বাদু হয়ে থাকে এবং সকলের পছন্দ হয় এইসব খাবার।


