সকল প্রসংশা মহান আল্লাহর। আসসালামু আলাইকুম। প্রিয় বন্ধুরা আপনারা কেমন আছেন? আশা করি সবাই অনেক ভালো আছেন। আমি ও ভালো আছি। আবার ও হাজির হলাম এক বিষয়ের পরের টুকু নিয়ে। বিষয়টি হচ্ছেঃ কোনো কিছুই কারো জন্য অপেক্ষা করে না। কিন্তু আজকে আমরা কিছু উক্তিকে ভূল প্রমাণিত করব।
৪. কিছু মানুষ এখন ও বিশ্বাস করে কামান থেকে নিক্ষিপ্ত গোলা আর ফিরিয়ে আনা যায় না।
এটিও সত্য নয়। এই কথাটার যুক্তি নেই। অনেক আগেকার দিনে কামানের মুখে মানুষকে বেঁধে গোলা ছোড়া হতো, এটা ছিল তখনকার সময়ের ভয়ংকর এক শাস্তি। কাজেই গোলাটা কিসের তৈরি, সেটার ওপরে নির্ভর করছে সবই। আমরা জানি, খেলনা বন্দুকের রাবারের গুলি, বারবার করে সেটা ছোড়া যায়। কাজেই কামানের গোলাটা যদি রিউইজেবল করে বানানো হয়ে থাকে, তাহলে কামানের ছুড়ে মারা সেই গোলাও আবার ব্যবহার করা যাবে।
৫. আর একটা উক্তি, মুখ থেকে ছুটে যাওয়া কথা আর ফিরিয়ে আনা যায় না।
এটাও নির্ভর করছে আপনার ক্ষমতার ওপরে। কারণ, আপনার যদি ক্ষমতা থাকে, তাহলে আপনি সকালে এক কথা, বিকেলে আরেক কথা বলতে পারেন। কোনো অসুবিধা নেই। আবার আপনি যদি ক্ষমতাহীন হন, তাহলে আপনার কথার কি–বা দাম।
দুইটি কৌতুক মনে পড়ে গেল। এই সময় ২ টা কৌতুক বলে ফেলা যাক.....
১/ একজন জাপানি, একজন আমেরিকান ও আরেক জন বাঙালি লঞ্চে ভ্রমণ করছে এবং তারা গল্পগুজব করছে। জাপানি একটা ঘড়ি নদীতে ফেলে দিয়ে বলল, ‘আমাদের দেশে বহুত ঘড়ি আছে।’
আমেরিকান এর লোকটা ১০০ ডলার পানিতে ফেলে দিয়ে বলল, ‘আমাদের বহুত ডলার আছে।’
বাংলাদেশিটা একটা বালককে পানিতে ফেলে দিল। বলল, ‘আমাদের দেশে মানুষ অনেক আছে।’
একটু পরে ওই ছেলেটা ডুবসাঁতার দিয়ে ঘড়িটা আর ডলারটা তুলে নিয়ে লঞ্চে উঠে পড়ল।
২/ তিনটি ভিন্ন দেশের পুলিশকে ট্রেনিং দেওয়া হলো। ট্রেনিং শেষে পুলিশদের বলা হলো, ‘যাও, বন থেকে হরিণ ধরে আনো।’ জাপানের পুলিশ এক ঘণ্টায় একটা হরিণ ধরে আনল। আমেরিকার পুলিশ দুই ঘণ্টা পরে ৫০০টা হরিণ এনে তার সামনে হাজির করল। আর তৃতীয় দেশের পুলিশ একটা ছাগল ধরে আনল, দুই দিন পর।
‘সে জিজ্ঞেস করলো কী ব্যাপার? ছাগল কেন আনলা? হরিণ আনার কথা।’
তৃতীয় দেশের পুলিশ বলল ‘খালি তারে রিমান্ডে নিতে দেন। সে নিজেই স্বীকার করবে, সে হরিণ।’
আনতে দুই দিন লাগল?
‘আরে, ধরছি তো দুই দিন আগেই, কিন্তু শ্যোন অ্যারেস্ট দেখাব আজকে...।’
আপনি যদি ক্ষমতাবান লোক হন, তাহলে আপনার ইচ্ছামতো কথার নড়চড় হতে পারে। আর আপনি যদি ক্ষমতার শিকার হন তাহলে ক্ষমতাবানেরা যখন যা বলবেন, তখন তা–ই আপনাকে মানতে হবে।
মুখ থেকে বেরিয়ে যাওয়া কথাও গিলে ফেলা যায়। অসুবিধা হয় না। তবে চীনা বিজ্ঞানীদের বললে তাঁরা এই যন্ত্র বানিয়ে ফেলবেন, যেখানে মুখ থেকে বেরিয়ে যাওয়া কথাকে ডিলিট করা যাবে, ফিরিয়েও আনা যাবে।
আমার শেষতম উপদেশ: যা তুমি আজ করতে পারো, তা কালকের জন্য ফেলে রেখো না।
সব সময়ই একটা পরশু বলে দিন আসবে।
সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ। ভালো থাকবেন। আসসালামু আলাইকুম।

