আশা করি সবাই আল্লাহর অশেষ রহমতে ভালো আছেন আমিও আল্লাহর অশেষ রহমতে ভালো আছি। তো বন্ধুরা আমি আছি আপনাদের সাথে কথা বলব মাওলামা আব্দুল হামিদ খান ভাষানীর আজকে ৪৬ তম মৃত্যবার্ষীকী সম্পর্কে কিছু কথা বললো।তো বন্ধুরা কথা না বাড়িয়ে শুরু করা যাক।
আসলে তিনি ছিলেন এক অতুলনীয় সাহসী একজন মানুষ। যেখানে অন্যায় হয়েছে সেখানে তিনি প্রতিবাদ করেছেন। মওলানা ভাসানী আমাদের জাতীয় ইতিহাসে এক প্রাতঃস্মরণীয় নাম। সাম্রাজ্যবাদ, ঔপনিবেশবাদ ও আধিপত্যবাদ বিরোধী সংগ্রামের প্রবাদ পুরুষ মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানী ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে উপমহাদেশের নিপীড়িত-নির্যাতিত মানুষের পক্ষে তিনি আপোষহীন নেতৃত্ব দিয়েছেন।
অসহায় মানুষের ন্যায্য অধিকার আদায়, গণতন্ত্র, মানবাধিকার এবং স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব সুরক্ষায় মওলানা ভাসানী আমাদের প্রেরণার উৎস। তাঁর নিখাদ দেশপ্রেম, দেশ ও জাতির স্বার্থ রক্ষা এবং গণতন্ত্র ও মানবতার শত্রুদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী হতে যুগ যুগ ধরে আমাদেরকে অনুপ্রাণিত করবে।
অধিকার আদায়ে তিনি এদেশের মানুষকে সাহস যুগিয়েছেন তাঁর নির্ভিক ও বলিষ্ঠ নেতৃত্বের দ্বারা। তাঁর হুংকারে কেঁপে উঠতো অত্যাচারী শাসক ও শোষক গোষ্ঠীর মসনদ। জাতীর ভয়াবহ দুর্দিনে তিনি জনস্বার্থের পক্ষে থাকতেন আস্থা ও বিশ্বাসের অবলম্বন হিসেবে।
মাওলানা ভাসানী দেশমাতৃকার মুক্তির পথ প্রদর্শক। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম, গণতান্ত্রিক আন্দোলন এবং কৃষক শ্রমিক মেহনতি জনতার ন্যায্য অধিকার আদায়ের সংগ্রামে মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানী ছিলেন প্রদীপ্ত এক আলোকবর্তিকা। তাঁর অবস্থান ছিলো শোষণের বিরুদ্ধে শোষিতের পক্ষে। তো বন্ধুরা আজকে এই পর্যন্ত সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন। আর তার জন্যে সবাই দোয়া করবেন। আল্লাহ তায়ালা যেন তাকে জান্নাতুল ফেরদৌসের নছীব করুন।


অনেক ভালো হয়ছে