এশিয়া কাপ ২০২২, গেল ৪ বছরের দীর্ঘ বিরতির পর শ্রীলঙ্কাকে নির্ধারণ করা হয়েছিল এই আসরের আয়োজক দেশ হিসেবে। দেশটির রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে সেখানে আয়োজন করা সম্ভব হবে কিনা তা নিয়ে ইতিমধ্যে তৈরি হয়েছে শঙ্কা। অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক অস্থিরতায় উত্তাল শ্রীলঙ্কার বর্তমান পরিস্থিতি। গেলো ২০১৮ তে শেষ এশিয়া কাপ আয়োজিত হলেও ২০২০ এ মহামারীর কারণে এই টুর্নামেন্ট স্থগিত করা হয়। এসিসি এর পরিকল্পনা অনুযায়ী চলতি বছরের ২৭ অগাস্ট থেকে ১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত টুর্নামেন্টের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। শ্রীলঙ্কায় এশিয়া কাপ ২০২২ আয়োজন করা সম্ভব না হলে বিকল্প ভেন্যু হিসেবে অংশগ্রহণকারী ৬ টি দেশের মধ্যে যেকোনো ১টি দেশেই বসবে এইবারের আসর। তবে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতায় আয়োজক দেশের তালিকা থেকে বাদ পরেছে ভারত ও পাকিস্তান। অগাস্ট ও সেপ্টেম্বরে গ্রিষের দাবদাহে সংযুক্ত আরব আমিরাতে এই আয়োজন করা সম্ভবনাও ক্ষীণ। ফলে বাংলাদেশকেই এই আয়োজনের বিকল্প আয়োজক দেশ হিসেবে নির্ধারণ করা হবে বলেই বেশি গুঞ্জন হচ্ছে ইতিমধ্যে। এইদিকে বিসিবি সভাপতি জানিয়েছেন শ্রীলঙ্কায় আয়োজন করা সম্ভব না হলে এই আসরের আয়োজন করতে পুরোপুরি প্রস্তুত বাংলাদেশ।
এসিসি এর এক কর্মকর্তাও বাংলাদেশকে এই আসর এশিয়া কাপ ২০২২ এর আয়োজক দেশ হিসেবেই ভাবছেন। কারণ বাকি ৫ দেশে এইবারের আসর আয়োজন করার সম্ভবনা খুবই কম থাকায় বাংলাদেশকেই পরবর্তী ভেন্যু হিসেবে নির্ধারণ করবে এসিসি। তবে এই বিষয়ে এখনও কোন সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছে এসিসি।

