ছবির উৎসঃ Unsplash
আসসালামু আলাইকুম। আশা করি সকলে ভালো আছেন আমিও ভালো আছি আপনাদের দোয়ায়। আজকে আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করব হাতের কিছু লক্ষণ বলে দেবে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি! তা সম্পর্কে:-
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (হু) বলেছেন, বিশ্বব্যাপী হৃদ্রোগ মৃত্যুর প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। জীবনযাত্রা সম্পর্কে সচেতন না হওয়ায় কারণে এ ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন যেকোনো বয়সের নারী-পুরুষই। তবে আপনি কি জানেন? হাতের কিছু লক্ষণ রয়েছে যেগুলো মাধ্যমে দুর্বল হার্টের ইঙ্গিত দেয়।
হাতের এসব উপসর্গ দুর্বল হার্টের ইঙ্গিত দেয়। এর পাশাপাশি যদি রোগীর উচ্চ রক্তচাপ, কোলেস্টেরল, ডায়াবেটিস থাকে তবে আমি মনে করি সে রোগীর হার্টের নানা রোগে আক্রান্ত হওয়ার শঙ্কার থাকে। এর সাথে রয়েছে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকিও।
ছবির উৎসঃ Unsplash
আসুন আমরা জেনে নিই, হাতের কোন কোন লক্ষণ দেখে সহজেই বুঝে নিতে পারবেন খুব শিগগিরই আপনার হার্ট অ্যাটাক ঝুঁকি হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে।
১. বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যদি আপনার হার্টের স্বাস্থ্য অবস্থা ভালো না থাকে তবে আপনার আঙুলের ফোস্কা পড়তে পারে, এমনকি ডগা ফুলে দেখা যেতে পারে।
২. হৃদ্রোগের সমস্যা থাকলে এতে করে নখের বৃদ্ধিও হ্রাস পেতে শুরু করে। বিশেষ করে তর্জনী ও বুড়ো আঙুলেই এ সমস্যা বেশি দেখা যায়।
৩. হার্টের সমস্যা থাকলে হাতের তালুর বর্ণ পরিবর্তন হতে শুরু করে। চিকিৎসকরা বলেছেন, হৃদ্যন্ত্র এবং তার পার্শ্ববর্তী রক্তনালিতে ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ হতে পারে। ফলে হাতের তালু বিবর্ণ হওয়ার লক্ষণ স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
৪. আপনি কি জানেন? আপনার হার্ট বা হৃদয় যদি দুর্বল হয় তাহলে আপনার হাতও দুর্বল হতে শুরু করবে। এক্ষেত্রে আপনি হাতে বেশি জোর পাবেন না। হাত মুঠ করতে গেলে কিংবা কিছু ভারী জিনিস ওঠাতে গেলে আপনি এ সমস্যা বেশি অনুভব করতে পারবেন।
৫. নখের নিচে লাল বা বেগুনি রঙের হালকা সূক্ষ্ম একটি রেখা দেখতে পেলে আপনার বুঝে নিতে হবে আপনার হার্টের সমস্যা রয়েছে। চিকিৎসাশাস্ত্রে, এ সমস্যাকে স্প্লিন্টার হেমারোজিং বলা হয়। কারণ এটি হৃদ্রোগের অন্যতম লক্ষণ। এই সমস্যার কারণে রোগীর প্রায়ই জ্বর আসবে, সেই সঙ্গে থাকবে রোগীর অনিয়মিত হৃদ্স্পন্দনও।
ছবির উৎসঃ Unsplash
এই সকল লক্ষণগুলো দেখা দিলে দেরি না করে দ্রুত দক্ষ এবং অভিজ্ঞ একজন চিকিৎসকের কাছে গিয়ে শরণাপন্ন হওয়াটাই সবথেকে বুদ্ধিমানের কাজ। তাছাড়া প্রয়োজনীয় চিকিৎসাও গ্রহণ করতে হবে।
পাশাপাশি অনিয়মিত খাওয়াদাওয়া, অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন, অতিরিক্ত মানসিক চাপের মতো কারণগুলো থেকে যতটা সম্ভব দূরে থাকতে হবে। জীবনযাত্রা সম্পর্কে সচেতন না হলে কম বয়েসেও অনেকে হৃদরোগে আক্রান্ত হতে পারে। তাই হৃদরোগ থেকে দূরে থাকতে হলে অবশ্যই খাদ্যাভাসের পাশাপাশি লাইফস্টাইলে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে হবে, এমনটাই মনে করি আমি।
আজকে এই পর্যন্তই। আশা করি সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন। নিজের প্রতি খেয়াল রাখবেন। আর এসব দেখে আপনিও আপনার এই রোগের সম্পর্কে কিছুটা জ্ঞান রাখতে পারবেন। ধন্যবাদ সবাইকে আমার পোস্টটি পড়ার জন্য।
আল্লাহ্ হাফেজ।


খুবই গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট। আমার শ্বশুরও হার্ট অ্যাটাকে মারা গেছেন।তার হাতের আঙ্গুলেও আগে লক্ষ্যণ দেখা গেছে যা আমরা বুঝি নাই।তিনিও হাতের আঙুলে জোর পেতেন না। এমনকি আঙলের ডগাগুলো ফুলে যেতো মাঝে মাঝেই।
আপনি যদি এই বিষয় সম্পর্কে আগে জানতে তাহলে উনাকে সঠিক চিকিৎসা করে উনাকে বাঁচানো যেত। কিন্তু মৃত্যু দেওয়ার মালিক আল্লাহ্। উনি কখন কাকে কিভাবে নিয়ে যাবে, আমরা কেউ জানি। আল্লাহ্ উনাকে জান্নাত নসিব দান করুন। আমিন