
ফুটবল খেলায় শরীরের প্রতিটা অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ আলাদা আলাদা কাজ করে। খেলার মাঠে দাঁড়ানোর পর থেকে শেষ পর্যন্ত শরীর একদম টাইট হয়ে কাজ করে। সবচেয়ে বড় কাজটা করে আমাদের মস্তিষ্ক। মাঠে কার কাছে বল দিব, কখন শট নিব, কোথায় দৌড় দিব—সব হিসাব একসাথে কষে মাথা। বলি কি, মস্তিষ্ক না থাকলে ফুটবল খেলারই কোনো মানে নাই।
তারপর চোখের কাজ অনেক গুরুত্বপূর্ণ। বল কোথায়, সামনে কে আসতেছে, ফাঁকা জায়গা কোনটা—সবকিছু চোখ দিয়াই দেখতে হয়। চোখ ঠিকমতো না দেখলে খেলায় কাম নাই।
আর শরীরে সবচেয়ে বেশি খাটে আমাদের হার্ট আর ফুসফুস। দৌড়াতে গেলে বেশি বেশি অক্সিজেন লাগে। ফুসফুস তখন ফুল স্পিডে কাজ করে। হার্টও জোরে জোরে ধুকপুক করে। শরীরে শক্তি যোগায়।
পা তো বলার অপেক্ষা রাখে না—পা ছাড়া ফুটবল খেলা যায়? দৌড়, পাস, শট, ড্রিবল—সবকিছু চলে পা দিয়ে। হাঁটুর কাজও বড়, কারণ জোরে শট মারতে গেলে হাঁটুর জোর লাগে।
আর হাত? অনেকে ভাবে, ফুটবলে হাতের কোনো কাজ নাই। আসলে ভাই, হাত দিয়াও অনেক কিছু হয়—দৌড়ানোর সময় ব্যালেন্স রাখা, প্রতিপক্ষরে ঠেকানো, আবার গোলকিপার হলে তো হাতই সবচেয়ে বড় অস্ত্র।
সবশেষে বলি, ফুটবলে পেশিরও বড় ভূমিকা আছে। পেশি যত শক্ত, খেলোয়াড় তত ফিট। শরীর ফিট থাকলে মাঠে জমিয়ে খেলা যায়।
এইভাবে ভাই, ফুটবল খেলায় শরীরের প্রতিটা অংশ একসাথে কাজ করে বলেই খেলা জমে ওঠে। শুধু পা না, মাথা থেকে পা পর্যন্ত সবকিছুর দরকার পড়ে।


Comments