






"আজি দোলা মাটি মোর বতুয়ারে সাক
বতুয়া হল ফাল করে" রংপুরের আঞ্চলিক গানের একটি চরণ।
হ্যাঁ বন্ধুরা বলছিলাম বতুয়া শাকের কথা।এক সময় বতুয়া শাক বাড়ির আশেপাশে পতিত ও আবাদি জমিতে সহজেই পাওয়া যেতো। অল্প সময় ব্যয় করে শাক তুলে এনে, বাড়িতে সুখ করে খাওয়া যেত। কিন্তু এখন আর সেদিন নাই। যে জমিগুলোতে বতুয়া শাক বুনো হিসেবে জন্মিত, সে জমিগুলোতে নানান প্রকার ফসল আবাদ করায় বুনো জন্মানো এ শাক তেমন আর দেখা যায় না। তবে বাংলাদেশের কোথাও কোথাও এখনো আগের মতই দেখা যায়। আমাদের এলাকায়ও দেখা যায়, তবে এখন অন্য কোন আবাদের সাথে। আলুর জমিতে, গমের জমিতে, ভুট্টার জমিতে, সামান্য কিছু বুনো হিসেবে এখনো জন্মে থাকে। কিন্তু বুনো জন্মালে কি হবে, এসব জমির ক্ষেত নিড়ানি দিতে হয়। নিড়ানি দেওয়ার সময় এগুলো এমনিতেই আগাছা হিসেবে তুলিয়া ফেলা হয়। যেগুলো কোন কারনে তোলা হয় না ।সেগুলো এখন দামি ফসলে পরিণত হয়েছে। অর্থাৎ চাষিগন বা জমি ওয়ালা সব শাক নিজেরাই সংগ্রহ করে বাজারে বিক্রি করেন। যার ফলে ফ্রিতে আর এসব সংগ্রহ করা যায় না। এখন শুধু এসব শাক পেতে হলে বেশিরভাগ বাজার থেকেই সংগ্রহ করতে হয়। আর আমরা যারা খিয়ার এলাকায় বসবাস করি, তারা তো এ শাকের মুখ কখনোই দেখি না। আশেপাশে পলি জমিগুলোতে হইলেও তা জমিওয়ালার কব্জায় থেকে যায়।
বতুয়া শাকের এই ছবিগুলো সবজির দোকান থেকে মোবাইল ফোনের ক্যামেরায় ধারণ করা।
উপভোগ করুন।


Comments