Saturday 05 November 2022
ছদ্মবেশী সমাজী
আসসালামু আলাইকুম
আমি mrnazrul আপনাদের বাংলাদেশী বন্ধু।
বন্ধুরা
আপনারা সবাই কেমন আছেন !আশা করি মহান আল্লাহর রহমতে সবাই পরিবার পরিজন নিয়ে সুস্থ থেকে নিজ নিজ কার্য সমাধানের চেষ্টায় ব্যস্ত আছেন।
আলহামদুলিল্লাহ ,আমিও সবার দোয়া নিয়ে মহান আল্লাহর রহমতে পরিবার পরিজন নিয়ে সুস্থ থেকে সময় পার করছি।
বন্ধুরা
আমরা জানি "বিশ্বাসে মিলায় বস্তু, তর্কে বহুদূর"। তারপরও বিশ্বাসের মধ্যে কতটুকু ঘাপলা রয়েছে ,এতোটুকু জেনে আমাদের বিশ্বাস করা উচিত। তা না হলে বিশ্বাসও কখনো কখনো অতি অনিষ্টের কারণ হয়ে যেতে পারে।
যিনি এই কথাটি আবিষ্কার করেছেন, তিনি কোন লেখক, কবি ,বিজ্ঞানী ও দার্শনিক কোনটিই ছিলেন না।
এ কথার আবিষ্কারক আমার দেশের আপামর কৃষক কূল । তারা আমাদের কৃষি বিজ্ঞানী বাবা,মা, ভাই ও বোন।
আমরা সবাই কৃষক পরিবার থেকে আসলেও, কিংবা কৃষি কাজের সাথে জড়িত হয়ে সরকারি বড় বড় অফিসে কৃষক উন্নয়নের দায়িত্ব পেয়েও, আমরা পিতা কৃষকের কখনো খোঁজ খবর রাখার চেষ্টা করি না। সেই আসনেই অধিষ্ঠিত হয়ে ,আমরা সরকারি বা আমলা পক্ষের লোক হয়ে যাই।
হ্যাঁ বন্ধুগণ ,তর্ক কোন জিনিসকে সমাধান করে না ,তবে তর্ক আমাদের কে ভালো মন্দ শিখাতে সহযোগিতা করে। যা পুরোটাই শিক্ষণীয়। যদি তা সুশিক্ষিত সমাজে কিংবা জ্ঞানী সমাজে হয়ে থাকে । তর্কের মাধ্যমে আমরা একে অপরের ভালো-মন্দ ,মনের ভাব ,জানা-অজানা অনেক কিছুই জানতে পারি।
"তর্কে বহুদূর" মানেই ,এই কথা নয় যে ,তর্ক করা যাবে না। তবে তর্কের সময় খেয়াল রাখতে হবে ,আপনি যার সাথে তর্ক করবেন ,সে লোকটি কতটুকু জানে বা তার কাছ থেকে আমি কতটুকু শিখিয়ে নিতে পারব।
বন্ধুরা
আপনারা সবাই আমাকে যেভাবে জানেন, কেউ ভাবেন কবি ,কেউ ভাবে ডাক্তার, কেউ ভাবেন কি সব, কেউ ভাবেন ব্যবসায়ী, আসলে কি ?
আসলে আমি মানুষের দলে ।আমার পেশা ভিন্ন হতে পারে কিন্তু আমি পশু নই ।
"আমি পশু নই"। তার মানে এই নয় যে, আমি পশুকে ভালোবাসিনা। আমি বিশ্বের সকল প্রাণীর মঙ্গল চেয়ে, সব সময় মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করে থাকি।
শুধুমাত্র আপনাদের বিশ্বাসকে অটুট রাখতে আমি আজকের এই কয়েকটি, কবিতা নামের "চরণ" উৎপত্তি করলাম। যাহা তৈরি করার সময় কাল ছিল প্রায় ছয় ঘন্টা ।এখনো চলছে এখন প্রায় সন্ধ্যা ছটা বাজে ।আমি এটি প্রায় এগারোটার দিকে শুরু করেছি। তবে লাগলেও খুব শিগগিরই এই খেয়ালী কবিতা পোস্ট প্রকাশ করা যাবে।
আমার আজকের ছন্দ কবিতার নাম---
ছদ্মবেশী সমাজী
এ জে এম নজরুল ইসলাম।
লাল শাড়িতে ঁঁ চন্দ্রবিন্দু
আসছে সবুজ মাঠে,
তাই না দেখে ং অনুস্বারটা
লাফার চেষ্টা করে।।
পিপড়া ভাবে এইটা বুঝি
হবে 🦎টিকটিকির লেজ।
তাই না দেখে ঃ বিসর্ঘ টা
মিটায় মনের খেদ।।
লাফ বাড়িয়ে দুভাগ হয়ে
আ'ইলে বসে পড়ে,
তাইনা দেখে 🐸 ব্যাঙ 🤡 বাবু
ধরে খেতে আসে ।।
৺চন্দ্রবিন্দুর চোখে পড়ে ,
আসছে একটি 🐍 সাপ।
তাইনা দেখে ব্যাঙ🤡 বাবু
মুইত্তা মারে লাফ।।
চল চলিয়ে 🐍সাপ সাহেব,
🐸ব্যাঙ রে করে ধাওয়া ।
তাইনা দেখে ব্যাঙ বাবু
হয়ে যায় হাওয়া।।
ংঅনুস্বর কয় আমারে তুই ,
বানাইছো জেটির 🦎 লেজ।
পিঁপড়া 🐜তুমি সব কিছুতে
প'রো খাতকের ব্যাচ।।
লাল শাড়িতে চন্দ্রবিন্দু,
দাঁড়িয়ে দেখছে সব।
যাবার সময় মাড়িয়ে করল
লোভী পিঁপড়াকে শব।।
সবার নাচন বৃথা গেল,
চন্দ্রবিন্দু ঠিক।
জ্ঞানী লোক ধাওয়া করে
এমনটাই সঠিক।।
মিথ্যা ভাষণে ভালো মানুষ,
পিঁপড়ার 🐜পরিণতি।
মিথ্যারা সব ধ্বংস হবে,
পিঁপড়ার মতো অতি ।।
বিসর্গের মতো গোল আলুরা,
লাফায় সব জায়গায়।
তবু তারা কোন জায়গায়,
বসতে নাহি পায় ।।
লেজকাটা অনুস্বর ,
সদায় করে বাড়াবাড়ি।
ছোটদের হাতের পুতুল হয়ে
এই সমাজে থাকে ওঁতপাতি।
কূয়োর 🐸ব্যাঙ ঝলকানিতে,
আকৃষ্ট হয় বেশি।
ঢোড়া 🐍সাপ দেখে তারা ,
পালায় তাড়াতাড়ি।।
ছদ্মবেশীরা এই,
সমাজে বড়ই ভয়ংকর।
তাই তাদের ছোঁয়া থেকে,
অনেক দূরে স'র।।
শেষ
Writter/Photographer || @mrnazrul
Capture || Handset.
Cetegory || Nature, Photography,Idea Etc.
Edit || No Editing and Filtering
Click || One By One
Location || Rangpur,Bangladesh.
Visit My Another Activists
Best Regards



অভিনন্দন, আপনার পোস্ট @sereybd দ্বারা কিউরেট করা হয়েছে। Serey Bangladesh কমিউনিটিতে পোস্টটি শেয়ার করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ