ঘুম আসলে কতটুকু প্রয়োজন

M
রাত্রি বা  নিদ্রা সকলের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ l কেননা রাত্রের ঘুমিয়ে একমাত্র মানুষের প্রশান্তি এনে দেয় l 1 কোন মানুষ বাঁচতে পারে না এবং ঘুম ছাড়া নানা ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় l ঘুমাবে রাতে ঘটলে যেমন দেখা যায় মাথাব্যথা থেকে শুরু করে বমি বমি ভাব l মানুষ যতই পরিশ্রম করুক না কেন দিনশেষে রাতে তাকে ঘুমাতে হবে তা না হলে পরবর্তী দিন এসে আর ঠিকঠাক ভাবে কাজ করতে পারবে না একসময় দেখা যাবে সে নানা ধরনের অসুখে জর্জরিত হয়ে গেছে lদেহের রাজা ঘুম l
ডাক্তার বলেছেন একটা মানুষের পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুঘরের প্রয়োজন রয়েছে সে ঘুমের ঘাটতি হলে মানুষ দুর্বল হয়ে পড়ে এবং নানা ধরনের রোগে আক্রান্ত হয় l ডাক্তার আরো বলেনসুস্থ থাকতে হলে নিয়মিত ঘুমের বিকল্প নেই। কারণ সারা দিনের ক্লান্তি দূর করে ঘুম। তাই প্রতি রাতে ৬ থেকে ৭ ঘণ্টা ঘুমাতে হবে।  তবে অনেকেরই ঘুমের সমস্যা রয়েছে। ঘুমের জন্য অপেক্ষা করতে হয়। কারণ ঘুম আসে না। অনেকেই ঘুমানোর জন্য ঘুমের ওষুধ খেয়ে থাকেন। তবে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনো ওষুধ খাওয়া ঠিক নয়। ঘুমের ওষুধের প্রতি অতিরিক্ত নির্ভরশীলতাও আমাদের শরীরের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর।
আবার ঘুম না আসার কারণ অনেকগুলো রয়েছে lপ্রথমত অতিরিক্ত মাত্রায় চিন্তা করলে l চিন্তা যেমন মানুষের শরীরকে অনেক নষ্ট করে দেয় তেমনি ঘুম কেও নষ্ট ,করে দেয় l যারা অতিরিক্ত মাত্রায় টেনশন করে তাদের ঘুম পর্যাপ্ত পরিমাণ হয় না l অধিকাংশ ধনীদের এ ধরনের সমস্যা বেশি মোকাবেলা করতে হয় কেননা তাদের কোটি কোটি টাকার হিসাব রাখতে হয় এ কারণে তাদের সব সময় টেনশনের উপর থাকতে হয় তারা টেনশন যদি নাও করতে চায় তবুও টেনশন অটোমেটিক চলে আসে l সবথেকে গরিবদের ঘুমের সমস্যা খুব কম হয় l কেননা গরিবদের পর্যাপ্ত পরিমাণ টাকা খাবার জিনিস না থাকলেও তারা কোন প্রকার চিন্তা থাকে না তারা শুধু চিন্তা করে এই বেলা পেট ভরে খাবার l গরিবদের পেট ভরে খেতে যদি পায় তাহলে তাদের ঘুমের কোন প্রকার বাধা হয় না আমরা অনেক সময় রাস্তাঘাটে চলাফেরা করি তখন দেখতে পাই ট্রাকের মধ্যে কিছু শ্রমিক ঘুমিয়ে থাকে বা টাকের উপরে ঘুমিয়ে থাকে তারা আসলে কোন প্রকার চিন্তাভাবনা ছাড়াই জীবন যাপন করে এজন্য তাদের কোন প্রকার টেনশন হয় না lযারা কৃষক তারাও মাঝেমধ্যে নানান ধরনের ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে যেমন কীটনাশক দেওয়ার সময় নাকে কোন প্রকাশ সেফটি ব্যবহার না করেই কীটনাশক দেওয়া শুরু করে তখন সে কীটনাশক নাকের মধ্যে দিয়ে বা মুখের মধ্য দিয়ে পেটের মধ্যে প্রবেশ করে তখন তাদের নানান ধরনের আসুক এর সমর্থন হতে হয় এবং সে অসুখ সম্মুখীন হওয়ার সময় তাদের ঘুমের অনেক ব্যাঘাত ঘটে l পরিশেষে বলা যায় তাই ঘুম আমাদের জন্য অত্যন্ত জরুরি। আমাদের দৈহিক প্রায় সব কার্যকলাপই ঘুমের উপরে অনেকটাই নির্ভরশীল। তাই কোনও রকম অবহেলা না করে নিয়মিত প্রতিদিন অন্তত ৬-৭ ঘণ্টা ঘুমানো জরুরি। আর ঘুমের সমস্যা হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। ঘুমিয়ে একমাত্র সকল রোগের সমস্যা আর ঘুম থেকেই সকল রোগের জন্ম হয় l 

Comments

sereybd

আপনার পোস্টের লেখা সুন্দর হয়েছে। কিন্তু ছবি না ব্যবহার করার কারণে পোস্টের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায় নাই। নিচের দেওয়া লিংকে ক্লিক করে নিয়মগুলো পড়ে নিন

https://serey.io/bn/authors/sereybd/7463atxgc-h4en8n3qxd-im6x6pfdo

যেকোন প্রয়োজনে আমাদের ডিসকোর্ড চ্যানেলে যোগাযোগ করতে পারেন। - https://discord.gg/P4UFyjaZ

আপনার পোস্ট @sereybd দ্বারা কিউরেট করা হয়েছে। Serey Bangladesh কমিউনিটিতে পোস্টটি শেয়ার করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ

৥realsort-elyas দ্বারা ম্যানুয়ালি কিউরেট করা হয়েছে