একটা মানুষ আসলে কেমন হবে সেটা তার পরিস্থিতির উপর ডিপেন্ড করে l পরিস্থিতির উপর ভিত্তি করে নানারকম কর্মে লিপ্ত হয়ে থাকে যেমন চুরি করার প্রধান কারণ হল তার পেটে ক্ষুধা এ কারণে সে চুরি করে সে খোদার নিবারণের পরিস্থিতিতে শিকার যে কারণে সে তার ক্ষুধার নিবারণের জন্য চুরি করতে বাধ্য হয় এটা তার একটা পরিস্থিতির শিকার বলা যায় l আবার বলা যায় যুদ্ধের সময় যেমন পরিস্থিতি তেমন যুদ্ধ করতে হয় যেমন দুধের সময় যদি হয় বন্ধুর সো লভ তাহলে অপর যুদ্ধ বন্ধুসুলভ ই হবে আর যদি যুদ্ধ শত্রু মিত্র হয় তাহলে অপরপক্ষ শত্রু মিত্র ভেবেই আক্রমণ করবে আসলে যুদ্ধ এবং প্রতিটি কাজের পেছনে রয়েছে কোনো না কোনো পরিস্থিতির কারণ l আসলে পরিস্থিতি বলতে বুঝায় আমরা যখন যে কাজ করি তাই হল আমাদের পরিস্থিতি l আমরা যখন লেখাপড়া করি তখন আমরা সবাই পরিস্থিতির শিকার কারণ লেখাপড়া ছাড়া আমাদের কোন ভাল চাকরি পাওয়া সম্ভব না আর এ কারণেই আমরা ভাল চাকরির জন্য ভালো পড়াশোনা করি আর এটাই আমাদের পরিস্থিতির শিকার l
পরিবারে প্রতিটি বাবা-মাই তার সন্তানদেরকে অনেক ভালোবাসে তবে পরিস্থিতির কারণে তা সন্তানদেরকে তারা দূরে সরে যেতে দ্বিধাবোধ করে না কারণ তারা পরিস্থিতির শিকার এ কারণে তারা বাধ্য হয়ে কোন কিছু উপায় না পেয়ে তারা তাদের সন্তানদেরকে দূরে ঠেলে দেয় l যাদের বাবা বাহিরে দেশে কর্মব্যস্ততার তারাও আসলে পরিস্থিতির শিকার কারণ তারা নির্দেশে তাদের আর্থিক স্বাবলম্বন করতে পেরে অপর দেশে আর্থিক স্বাবলম্ব হওয়ার জন্য গিয়ে কাজ করে আর এটাই তার পরিস্থিতি l কোথায় আছে নিচে বাসলে বাপ-দাদার নাম l পৃথিবীতে প্রতিটা মানুষই তার নিজের জীবনের চেয়ে আর অন্য কোন মানুষের জীবনের মূল্য বেশি নয় l একটি মানুষ ভালো লেখাপড়া করার হলেও সে ভালো কোথাও চাকরি পাচ্ছে না এটাও তার একটা পরিস্থিতির স্বীকার কারণ বর্তমানে চাকরি পেতে হলে তার নিজস্ব লোক থাকতে হয় তা না হলে চাকরি মোকাবেলা করতে অনেক কঠিন হয় এবং অনেক সময় দেখা যায় ভালো লেখাপড়া করার ফলে ও ভালো চাকরি মিলছে না l
বর্তমানে বাংলাদেশ বেকার পরিস্থিতিতে ভুগছে l বাংলাদেশের দিন দিন জনসংখ্যার হার বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং এর ফলে জমি সংকট দেখা দিচ্ছে যার ফলে দেখা যাচ্ছে নানা রকম দ্বিধাদন্ড মারামারি রাহাজানি ইত্যাদির রকমের অপরাধী l আমি আগেই বলেছি নিজের জীবনের চেয়ে অপরের জীবনের মূল্য অনেক কম বাম মূল্য নেই বললেই চলে কারণ বাংলাদেশে বর্তমানে জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে যার যার নিজের চিন্তা তার তার নিজেকেই করতে হয় এমনকি অপরকে হত্যা করে হলেও সে তার নিজের জীবনকে সুন্দরভাবে গঠন করতে চায় এটা কোন দ্বিধাবোধ করে না যে সেও এক একটা মানুষ l পৃথিবীতে সবথেকে বুদ্ধিমান ব্যক্তি মানুষ এবং পৃথিবীতে সর্বোচ্চ বুদ্ধি কমও মানুষেরই হয়ে থাকে মানুষ কিছু সময় এমন বোকামি কিছু কাজ করে তার সারা জীবন দিলেও তা শেষ হয় না l যারা মোটরসাইকেল চালায় তারা তাদের জীবনের সেফটি না নিয়েই ছুটে চলে কারণ তারা বর্তমানে বা এখন ভালো থাকতে চাই কিন্তু ভবিষ্যতে তারা এর কলেজে কি হতে যাচ্ছে তা আসলে তারা চিন্তা করে না l দেখতে পাই রাস্তার ধারে পড়ে আছে একটি মোটরসাইকেল এবং সাথে পড়ে রয়েছে একটি বা দুটি মানুষ এবং তাদের দেখা যাচ্ছে সাধারণত হাত অথবা পা কেটে যাচ্ছে অথবা এক পর্যায়ে সে মৃত্যুবরণ করছে l যাদের হাত পা ভেঙ্গে যায় বা এক পর্যায়ে কেটে ফেলতে হয় তারা আসলে সারা জীবন বেঁচে থেকেও না বাঁচা জীবনের মত থাকতে হয় এটা আসলে কোন জীবন নয় এজন্য পরিস্থিতির শিকার হলে সব সময় সব কাজ করা সম্ভব না হলেও চেষ্টা করা যেন সঠিক পথটি ঠিকভাবে বেঁচে নেওয়া l


অভিনন্দন, আপনার পোস্ট @sereybd দ্বারা কিউরেট করা হয়েছে। Serey Bangladesh কমিউনিটিতে পোস্টটি শেয়ার করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ