ব্যাচেলর লাইফ মানে একটু অন্যরকম বিনোদন

M
ব্যাচেলার জীবনের কতটা কষ্ট আসলে যে ব্যাচেলার সেই জানে যদি সেই ব্যাচেলার না রান্না করতে পারে এবং পরিবার থেকে না কোন সুযোগ সুবিধা পায় l ব্যাচেলারদের কষ্টের কিছু দিক নিয়ে আলোচনা করা হলো l (1) প্রথমত তাদের সমস্যা হয় রান্না করতে l আসলে তারা জানে না রান্না কিভাবে করতে হয় তারা শুধু জানে ঘুরতে বেড়াতে তারা যখন পরিবারের সঙ্গে জীবন যাপন করছিল তখন তারা রান্না বান্নার কাছেই যায়নি কারণ তা রান্নাবান্না করার জন্য তার মা-বাবায় যথেষ্ট l আর তখন যারা শিখে নেয় তারা প্রথমত ব্যাচেলর লাইফে রান্নার হাত থেকে বেঁচে যায় বা রান্না সমস্যা মোকাবেলা করতে পারে l
(2) নিজের কাপড়চোপড় নিজেকে ধোঁয়া তবে এটি তেমন কঠিন কাজ না রান্না বান্নার মত একবার দেখিয়ে দিলে তা আর কোনদিনও ভুলে যাওয়া সম্ভব না l ব্যাচেলর জীবনে নিজের কাপড় নিজেকেই ধুতে হয় l ব্যাচেলর লাইফ মানে শুধু কষ্ট আর কষ্ট তবে এ কষ্ট একসময় শেষ হয়ে যায় l
(3) যদি কোন ব্যাচেলার পারিবারিক থেকে কোন সাহায্য না পায় আর্থিকভাবে তাহলে তার জীবন যাপন করতে অনেক কষ্টসাধ্য হয়ে যায় l ব্যাচেলর লাইফ তখনই তাকে বলা যায় সে যখন একাই নিজেই বসবাস করতে শুরু করে বা থাকতে শুরু করে তার সাথে অনেক লোক থাকলেও তাকে অন্যান্য কাজে সাহায্য করে না বরং তার নিজের কাজ তাকে নিজেই করতে হয় এমন কাজকেই বলে বেচেলার জীবন l আবার গোসলের সময় হলে সবাই একসঙ্গে ঘুরাঘুরি করে গোসল দিতে আরম্ভ করে l তবে আসলে এটাতেও অনেক মজা আছে l সব থেকে মজার বিষয় হলো ব্যাচেলারদের সাধারণত একটি বা দুটি টয়লেট থাকে যা আসলে ১০-১২ জন ব্যাচেলর জন্য একেবারে উপযুক্ত নয় দুইটি টয়লেট l যখন একসঙ্গে পাঁচ ছয় জনের টয়লেট চাপে তখন তারা একে অপরের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে আগে কে ট্যালেন্টে ঢুকতে পারে তা নিয়ে কনটেস্ট হয় বা প্রতিযোগিতা হয় l যে আগে যেতে পারে সে আগে শান্তি উপভোগ করতে পারে আর যে পরে যায় সেও পরের শান্তি উপভোগ করে তবে সে শান্তিতে বেশি আগে উপভোগ করে অনেক কষ্ট l

ব্যাচেলরদের জীবনে শুধু কষ্ট থাকে না এর পাশাপাশি সুখের মুখো দেখা যায়
(1) ব্যাচেলার না যেখানে সেখানে যেতে পারে কোন বাধা দন্ড ছাড়াই তবে ব্যাচেলার ছাড়া অন্য যে কেউ যেকোনো জায়গায় বাধা বিপদে ছাড়া যেতে পারে তবে ব্যাচেলার ক্ষেত্রে সুবিধা অনেক বেশি কারণ তাকে কোন প্রকার কোন কৈফত কারো কাছে দিতে হয় না সে নিজের মন মত যেখানে সেখানে ঘুরে বেড়াতে পারে l বেচেলার রা যা ইচ্ছে হয় তাই খেতে পারে কারণ তারা নিজেরা রান্না করে খায় l
(2) ব্যাচেলরদের সুবিধা আরো একটি রয়েছে যেটি অনেক মূল্যবান এবং যেটা ছাড়া মানুষ কখনো বাঁচতে পারে না বাঁচলেও অতি কষ্টে জীবন যাপন করতে হয় আর সেই জিনিসটি হল ঘুম l বেচেলর রা তাদের কাজ শেষে যতক্ষণ ইচ্ছা ততক্ষণ ঘুমাতে পারে তাকে কেউ বিরক্ত করতে আসে না বা জাগিয়ে দিতে আসে না l ব্যাচেলরদের নিজের দায়িত্ব নিজের কাছে সবসময় থাকে l প্রত্যেকব্যাচেলরের বিছানার উপর দেখবেন লুঙ্গি গোল
করে পড়া আছে।লুঙ্গি চেন্জ করে প্যান্ট পড়ার পর,
লুঙ্গি গুছিয়ে রাখার মত পর্যাপ্ত সময় ব্যাচেলরদের হাতে থাকে না তাছাড়া আরেকটা সুবিধা হচ্ছে বাইরে থেকে এসেই আবার সেই গোল করা লুঙ্গি কোন বাধা বিপদে ছাড়াই পরা যায় আবার নতুন করে l

Comments

mrnazrul

যারা আজকে হোস্টেলকে ব্যাচেলর লাইফ মনে করছেন ,তারা একসময় বাবা মার সাথে থেকে তাদেরকে পারিবারিক কোন প্রকার সহযোগিতা করেন নাই। তাই তারা রান্না সহ অন্যান্য কাজ করতে বিরক্ত বোধ করেন আশা করি বুঝাতে পেরেছি।