শিক্ষা ও কৃষি জাতির মেরুদন্ড

M
শিক্ষা জাতির মেরুদন্ড কথাটা পুরোপুরি ঠিক না আবার ঠিক। আসলে শিক্ষা জাতির মেরুদন্ড হলেও কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট এর মতে কৃষিজাত এর মেরুদন্ড এর কারণও আছে। কারণ হলো একটা মানুষ বেঁচে থাকতে হলে পর্যাপ্ত পরিমাণ খাবারের প্রয়োজন হয় আর সেই খাবার প্রাকৃতিক ভাবে উৎপাদন হলেও কিন্তু এর পরিচর্যা ও যত্ন কৃষি ইনস্টিটিউট অথবা কৃষকরাই যত নিয়ে থাকে। সহজে কৃষক কে সম্মান দেয়া হয় না কিন্তু তাদের একটা বড় পরিচয় হলো তারা এদেশের জনগণের খাদ্য যোগান বা চাহিদা মেটায়। কৃষকরা যদি কৃষিকাজ কাজ ছেড়ে দে তো তাহলে সবাইকে না খেয়ে মরতে হতো। জীবনের চলাফেরার জন্য শক্তির প্রয়োজন আর এসব  আসে একমাত্র খাবারের থেকে কৃষকরা এই খাবারের উৎপাদন হিসেবে কাজ করে কৃষকরা যদি সঠিকভাবে এবং নিয়মমাফিক তাদের পরিচর্যা করতে পারে তাহলে তাদের কৃষি যেমন সফল হবে তেমনি তারা নিজেরা লাভবান হবে এবং দেশের জনসংখ্যার খাদ্যের অভাব পূরণ করতে পারবে। আজকে বর্তমান বিশ্বে কৃষির অবদান সবথেকে বেশি তাদের অবদানের প্রধান কারণ হলো দেশের অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতি করছে দিনদিন তা করে যাবে। প্রাচীনকালে মানুষ কৃষি কাজ করতো এবং ধান চাষ করত। প্রাচীনকালের সময় তেমন তথ্যপ্রযুক্তির প্রাদুর্ভাব ছিলনা কিন্তু বর্তমান সময়ে তথ্যপ্রযুক্তির কদক্কাল অনেক লক্ষনীয় কারণ প্রাচীনকালে এক বিঘা জমিতে ধান হত 5 থেকে 7 মণ আর এখন বর্তমানে একই জমিতে অথবা সমপরিমাণ জমিতে ধান চাষ  করলে 20 থেকে 25 মণ ধান হয় আর এর প্রধান কারণ হলো কিছু গবেষণা ইনস্টিটিউট উন্নতি লাভ করেছে বা তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে তাদের গবেষণা কাজটি দিন দিন উন্নতি দিকে নিয়ে যাচ্ছে। আমাদের দেশকে সমৃদ্ধি হতে হলে একমাত্র কিসের উপর নির্ভর করতে হবে কারণ কৃষি বাংলাদেশের একমাত্র সবথেকে বড় খাত উন্নতির। তাই আমরা কৃষি কাজের উপযুক্ত রামদেব এবং কৃষি থেকে যে পরিমাণে অতিরিক্ত ফসল পাওয়া যায় তা পরবর্তীতে জমিয়ে রেখে লিখতে পব্লেম কৃষকরা লাভবান হয়। কাল সকালে বিদ্যালয় পড়াশুনা করে আসলে তারা ভালো বউ যেন একটা চাকরি বাকরি করতে পারে কিন্তু আসলে এটা ঠিক না যদিও দেশের 90% কে লেখাপড়া দেশে বর্তমানে অগ্রসর হয়েছে কিন্তু সবাই চাকরির বাজারে চাকরি পায় না প্রতিবছর 20 লক্ষ শিক্ষার্থী পরীক্ষা দেয় এবং এর মধ্যে পাশ করে কিছু কম এবং চাকরি পায় মাত্র 2000 থেকে ভদ্রলক আর কি করবে। তাদের আসল আত্ম-কর্মসংস্থানের পরিবর্তন করতে হবে তাতে কর্মসংস্থানের প্রধান কাজ হল কৃষি।

ছবিটা আমার তোলা না ছবিটা সংগ্রহ করা

Comments