গরু পালনে কিছু কথা ও এর অপব্যবহার

M
গরু পালার কিছু নিয়ম-নীতি রয়েছে। সাধারণত দেখা যায় গ্রামের মানুষরা বেশিরভাগ গরু পালন করে। ক্ষেত খামারে থেকে তারা খাবার সংগ্রহ করে গরুকে খাওয়া এবং এতে তাদের আর্থিক কোনো অর্থের প্রয়োজন হয় না এবং তারা আর্থিকভাবে লাভবান হয়। কোন গরুকে যদি ইউরিয়া মোলাসেস খাওয়ানো হয় তাহলে সাধারন গরু পালনের থেকে অধিকহারে লাভবান হওয়া যায়। ইউরিয়া মোলাসেস আসলে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি বলা হয়। বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে যদি কোন গরু পালন করা হয় তাহলে দেখা যায় সে গরুর উৎপাদন ক্ষমতা অনেক বেশি থাকে। ইউরিয়া মোলাসেস যদি কেউ এক টাকার খাওয়ায় গরুকে তাহলে তার গরু 10tk পরিমাণে তাকে লাভবান দিবে এটাই বিজ্ঞানীদের ধারণা এবং পরীক্ষিত। বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়া গরু পালনের মাধ্যম হলো ইউরিয়া মোলাসেস। ইউরিয়া মোলাসেসে এ ব্যবহার করা হয় ইউরিয়া সার এবং লালি। ইউরিয়া মোলাসেস এর মাধ্যমে গরুর মাংস বৃদ্ধি অতি দ্রুত হয়ে যায় এবং ব্যবসায় ক্ষেত্রে অনেক লাভবান হওয়া যায়। আবার গ্রামের মানুষ সাধারণত দেখা যায় বাহিরের অথবা মাঠ থেকে ঘাস সংগ্রহ করে বা খর খাওয়ে গরু পালন করে থাকে। কিন্তু সেগুলো থেকে আসলে ততোটা লাভবান হওয়া যায় না। তাই বর্তমান সময়ে বিজ্ঞান প্রযুক্তির উন্নয়নের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতি অবস্থান সচল হচ্ছে এবং দেখা যাচ্ছে খাদ্যের চাহিদা ও পুরন হচ্ছে।

আসলে ইউরিয়া মোলাসেস বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়া পরীক্ষিত  হলেও ইউরিয়া মোলাসেস যখন কোন গরুকে খাওয়ানো হয় তখন সেই গৌরঙ্গ মধ্যে এসে ইউরিয়া সারের বিক্রিয়া থেকে যায় এবং পরবর্তীতে যদি সেই গরু তো আমরা মানুষ খায় তাহলে দেখা যাবে নানা ধরনের অসুখ হচ্ছে বর্তমান সময়েও দেখা যাচ্ছে মানুষ এখন মানুষ অসুখে ভুগছে তবে এর কারণ হলো অতিরিক্ত কীটনাশক ব্যবহারের ফলে খাবারের পুষ্টি গুনাগুন নষ্ট হচ্ছে এবং অপরদিকে রাসায়নিক বিক্রিয়া করে আমাদের দেহে ঢুকে যাচ্ছে এবং পরবর্তীতে আমার নানা ধরনের অসুখে ভুগছি বর্তমান সময়ে ছোট থেকে শুরু করে অধিকাংশ মানুষের এখন বড় বড় ধরনের রোগ হচ্ছে যেমন পেটে আলসার ঘা বিশেষ করে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা পাকস্থলী দুর্বল এর প্রধান কারণ হলো সঠিক খাবার না খেলে বা শোষণ খাবার না খেলে পেটে এ ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। বর্তমান সময়ে দেখা যাচ্ছে 15 থেকে 20 দিয়ে যাচ্ছে এবং অপর পাশ থেকে ফসল কাটা হচ্ছে এবং সে ফসল কোন শোধন না করে বাজারে বিক্রি করা হচ্ছে।

শহরের অঞ্চলের মানুষের থেকে গ্রাম অঞ্চলের মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেক বেশি কারণ এরা বসত বাড়ির আঙিনায় শাকসবজি পালন করে এবং হাঁস-মুরগি পালন করে যাতে কোনো কৃত্রিমভাবে তৈরি কোন খাবার খাওয়ানো হয় না। এবং তাদের গড় উৎপাদন প্রক্রিয়ার বিভিন্ন রকম শুধু মাঠের ঘাস দিয়েই তারা তাদের গরু পালন করে এবং অতিরিক্ত কোন কৃত্রিম খাদ্য ব্যবহার করেন যার ফলে দেখা যায় গ্রাম অঞ্চলের মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি থাকে।

ছবিটা আমার তোলা না ছবিটা সংগ্রহ করা

Comments