ঘূর্ণিঝড় ও এর করণীয়

M
পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট গভীর নিম্নচাপ ক্রমেই শক্তি সঞ্চয় করে উপকূলের দিকে এগিয়ে আসছে। 

মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এটি লঘুচাপ সুস্পষ্ট লঘুচাপ এবং নিম্নচাপের পর্যায় অতিক্রম করেছে। সোমবারের মধ্যে পরিণত হতে পারে ঘূর্ণিঝড়ে। এর নাম দেওয়া হয়েছে ইয়াস’।
অনেকেই মনে করছেন ঝড়টি যেহেতু বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট আর ধেয়ে আসছে ভারতের দিকে। হয়তো এটি হিন্দি শব্দ - ইয়াশ। যাকে বাংলায় যশ বলা যায়। যুবরাজকে যেভাবে হিন্দি ভাষায় ইয়ুভরাজ বলা হয়।

কিন্তু আসলে পুরো ব্যাপারটিই ভুল। ঘূর্ণিঝড়টির নাম ভারতীয় শব্দ নয় ইয়াস’ মূলত ফার্সি শব্দ। ওমানের দেওয়া এই শব্দের অর্থ ‘মরিয়া’। আরেকটি অর্থ বলছে ‘হতাশা বা দুঃখ।
ঝড়ের নামকরণ কিভাবে হয়?
বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা আঞ্চলিক কমিটি একেকটি ঝড়ের নামকরণ করে। যেমন ভারত মহাসাগরের ঝড়গুলোর নামকরণ করে এই সংস্থার আটটি দেশ। দেশগুলো হচ্ছে: বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, মায়ানমার, মালদ্বীপ, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড এবং ওমান।

এসব দেশের প্রস্তাব অনুসারে একটি তালিকা থেকে একটির পর একটি ঝড়ের নামকরণ করা হয়। যেমন তিতলির নামকরণ করেছে পাকিস্তান। এবারের ফণী নামকরণটি বাংলাদেশের।

বাংলাদেশ এ বছর ঘূর্ণিঝড় ‘ইয়াস’ মোকাবিলায়ও সরকারের ব্যাপক প্রস্তুতি ছিল। দারিদ্র্য বিমোচনসহ সামাজিক নিরাপত্তা অর্জনে জলবায়ু পরিবর্তন ও দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকারের গৃহীত পদক্ষেপগুলো বাংলাদেশের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করেছে। দারিদ্র্যমুক্ত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগ প্রশংসিত হয়েছে সারাবিশ্বে ।
প্রতিমন্ত্রী বলেন বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, নদী ভাঙ্গন, খরা, শৈত্য প্রবাহ অগ্নিকাণ্ড, বজ্রপাত এবং ভূমিধস আমাদের অতি পরিচিত দুর্যোগ। জনসচেতনতা ও পূর্ব প্রস্তুতি থাকলে যেকোনো দুর্যোগ মোকাবিলা করে জানমালের ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে আনা সম্ভব। প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার সে কাজটাই করে যাচ্ছে।

তিনি বলেন ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পরই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ত্রাণনির্ভর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার পরিবর্তে দুর্যোগঝুঁকি হ্রাসমূলক কার্যক্রম গ্রহণ করেন। 

ছবিটা আমার তোলা না ছবিটা সংগ্রহ করা হয়েছে। 

Comments