গ্রাম থেকে বেরিয়ে শহর মুখি হয়ে আমার জিবনের একটি ইতিহাস আজ আমি আপনাদের কে আমি শুনাবো।
আমি মুলত গ্রামের একজন সাধারন ছেলে, ছোট বেলা থেকে বড় হয়েছি সাধারন পরিবার থেকে বাবা কাজ করতো কৃষি জমিতে আর মা বাড়ির কাজ করতো, আর আমি পড়াশোনা করতাম সময় পেলে খেলতাম তো এভাবে চলতো আমাদের পরিবার। আর আমার ভাই বোন সবার বড় হওয়ার পর সবার বিয়ে দেওয়া হয়।
তারপর আমার ভাই বোনদের কিছু টাক দিয়ে চলতো আমাদের পরিবার, তারা ঢাকা শহরে চাকরি করতো। এভাবেই চলতে থাকে আমাদের পরিবার আর আমি পড়াশোনা করতাম তো।এবার বলবো আসল ঘটনা আমার অনেক আগে থেকে অসুস্থ ছিল সে কারনে তার পিছনে অনেক টাকা খরজ হতো। আমার মাকে প্রতি মাসে ডাওার দেখানো হতো সে কারনে তাকে চিকিৎসা দেয়ার জন্য নিয়ে যেতাম। তার পিছনে মোটামুটি টাকা পয়সা খরজ হতো, তাই আমরা কিছুটা আর্থিক ভাবে সংকটে পড়তে হতো।
এভাবে চলতে চলতে হটাৎ আমার মা বেসি অসুস্থ হয় তখন তাকে চিকিৎসা জন্য হসপিটালের ভর্তি করি তারপর কিছুদিন চিকিৎসা চলার পর কোনভাবেই সেরে উঠতে পারেনি । তারপর তাকে বাড়ি নিয়ে আসি বাড়িতে এসে কিছুদিন পর সে মারা যায়। তারপর থেকে নেমে আসে আমার জীবনের এক করুন পরিনতি। শেষ মেষ পড়াশোনা ছাড়তে হয় আমাকে এবং গ্রাম ছেড়ে ঢাকা শহরে আসতে হয়।
এভাবে আমার একটা ভালো সুন্দর জিবন অন্ধকার জিবনে পরিনিত হয়। পড়াশোনা ইতি টেনে চললাম কর্ম জিবনে তারপর একটা চাকরি নিলাম ঢ়াকা শহরে। এভাবে শহরে থাকতাম আর চাকরি করতাম, মাস শেষে যে টাকাও পেতাম দিয়ে চলতো আমাদের পরিবার এবং আমার জিবন।

