পর্বঃ৬ ও শেষ পর্ব
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম। আসসালামু আলাইকুম।পরম করুনা ময় আল্লাহর নামে শুরু করতেছি। আশা করি আল্লাহর রহমতে সকলে ভালো আছেন।আমি ও মোটামোটি অনেক ভালো আছি।আজকে আপনাদের সাথে রহস্যময় ডেবিট কাকার বন্ধ বাড়ির ঘরের দরজা সম্পর্কে আরও কিছু আলোচনা করব।গল্পটির রহস্যের পর্দা ভেদ করতে আর বেশি একটা সময় লাগবে না।খুব তাড়াতাড়ি গল্পটি রহস্যের পর্দা ভেঙে যাবে।রহস্য পর্দা ভেদ করতে চাইলে পুরো গল্পটা মনোযোগ সহকারে পড়োন।
রহস্যময় দরজা খোলার পর
পঞ্চম পর্বের পর থেকে শুরু হচ্ছে,ছেলেটি খুব তাড়াতাড়ি ঘরের ভেতর প্রবেশ করলো।পরক্ষণেই একটা চিৎকার করে ঞ্জান হারিয়ে মাটিতে পড়ে গেল।দেখা গেল ঘরটিতে কোনো জানালা বা আসবাপত্র নেই।যেন একটা ফটোগ্রাফিক ল্যাবরেটরির ন্যায় সাজানো।এাপাশে বেশ কিছু সিস বতল রাখা।ঘরের মধ্যে ডুকতে একটা তীব্র অসস্থিকর গন্ধ পাওয়া গেল।ওই কিছুটা ক্যােমিকাল এর গন্ধ।বাতির আফসা আলোয় দেখা গেল।সামনে একটা টেবিল ও চেয়ার রাখা আছে।মনে হলো চেয়ার বসে কেউ কিছু একটা লিখছে।সবাই ভয়ে ভয়ে সামনের দিকে এগিয়ে গেল।কাছে যেতেই দেখা গেল মানুষ টিকে দেখতে একদম জীবন্ত মানুষের মতোন।কিন্তু তার ওপর আলো পড়তেই আতঙ্কে সবার লোম দাড়িয়ে গেল।লোকটির গাড় আমাদের হাড়ের মতো সরু।গায়ের চামড়া একবারে কুচকে কালো হয়ে গেছে।শরীরের ওপর ধূলোর একটা মোটা আস্তরন দেখা যাচ্ছে।তার কলমটা একটা বিবর্ণ কাগজের ওপর পড়ে আছে।এইখানেই
ছেলেটির বাবা সাত বছর ধরে বসে আছে।দেখুন টেবিলে একটা চাবি পড়ে আছে, ভেতর থেকে দরজায় চাবি লাগিয়ে দিয়েছিল।সবাই ঘর থেকে বের হয়ে এল।ছেলেটির ঞ্জান ফেরার পর ছেলেটি বলতে লাগলো উনিই তার বাবা।মৃত অবস্থায় চেয়ার এ বসে আছে।সাত বছর পর ওই ছেলেটির বাবা ঘরে মরে পড়ে আছে।ছেলেটি বললো তার মাথা ঘুরছে,কিছুই বুঝতে পারছে না।।তার মাকে ও তাকে লেখা চিঠি গুলো কি জাল।তখন ওই লোকটি উত্তর দিল ওই চিঠি গুলো তোমার বাবাই লিখেছিল।লোকটি বললো তোমার বাবা আমার মালিক ছিল কর্মচারী হিসেবে তার আদেশ আমি অক্ষরে অক্ষরে পালন করেছি।ছেলেটির বাবা আত্মহত্যা করেছিলেন।ছেলেটির মা এর হার্ট এ প্রবলেম থাকার কারণে ছেলেটির মা যদি মানসিক আঘাত পেয়ে না মরে যায় এজন্য কাউকে জানতে দেয় নি তার মৃত্যুর কারণ।পুরো গল্পটির এইভাবেই পরিসমাপ্তি করা হলো।সকলকে পুরো গল্পটা মনোযোগ সহকারে পড়ার জন্য অসংখ্যক ধন্যবাদ।

