রহস্যময় ডেভিড কাকার বাড়ি বন্ধ ঘরের রহস্য

M
mhrifat1

পর্বঃ৪

 

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম। আসসালামু আলাইকুম।পরম করুনা ময় আল্লাহর নামে শুরু করতেছি। আশা করি আল্লাহর রহমতে সকলে ভালো আছেন।আমি ও মোটামোটি অনেক ভালো আছি।আজকে আপনাদের সাথে রহস্যময় ডেবিট কাকার বন্ধ বাড়ির ঘরের দরজা সম্পর্কে আরও কিছু আলোচনা করব।সম্পূর্ণ গল্পটি কাল্পনিক চরিত্রে ভরপুর।বাস্তবের কোনো ছোয়া নাই।শুধু মাত্র আপনাদের বিনোদনের জন্য গল্পটি লেখা হয়েছে।সকলকে পুরো গল্পটি পড়ার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।

 

 

বন্ধ ঘরের দরজা

 

তৃতীয় পর্বের পর থেকে শুরু হচ্ছে,ছেলেটি জানে না তার বাবার কিভাবে মৃত্যু হয়েছে।যদি তার বাবা এখনও বেঁচে থাকতে তাহলে সসম্মানে ফিরে আসতো।তখন ছেলেটি বললো মনে হয় গত দু বছর এর মধ্যে কোনো এক সময় তার মৃত্যু হয়েছে।কেননা দুবছর আগেও ছেলেটি তার বাবার চিঠি পেয়েছে।চিঠিটা এসেছিল প্যারিস থেকে।,কিন্তু কোনো ঠিকানা ছিল না।ওই সময়ই ছেলেটার মা মারা যান।তখনই তার বাবা চিঠি টি দিয়েছিল।,চিটিতে ছেলেকে কিছু উপদেশ ও কিছু নির্দেশ দেয়।তার পর থেকে আর কোনো চিঠি পায় নাই।প্রথম চিঠিটি সাত বছর আগে লেখা ছিল।চিঠিটা ছেলেটার মাকে লেখা ছিল।তার বাবার একটা ঘরে কিছু জিনিস লুকিয়ে ছিল,আর সেই ঘরেরই সিল লাগানো ছিল।তার বাবা বলছিল তার বয়স যখন ২১ বছর হবে তখন সে ঔ ঘর ডুকতে পারবে এটা তার বাবার আদেশ ছিল।ছেলেটি তার বাবার কথায় দরজায় খিল লাগিয়ে দিয়েছিল। আর সেই সিল এখোনো লাগানো।

 

ছেলেটির মা হার্টের রোগী ছিল।এজন্য ডাক্তারা ভেবেছিল হয়তো তিনি বেশি দিন বাঁচবেন না।বাড়িটির সাথে ছেলেটির অনেক স্মৃতি জড়িয়ে ছিল।এজন্য ছেলেটি এত দারিদ্র্যের মধ্যে ও বাড়িটি বিক্রি করে নি।ছেলেটি আর ও বললো সে আর তার মা এতকাল আসবাবপত্র বিক্রি করে চালিয়েছে।ছেলেটি বললো আর মাত্র ২ মাস অপেক্ষা করতে হবে,২ মাস পর ছেলেটির ২১ বছর হবে।প্রথম কাজ ওই ঘরের দরজাটা খোলা, দ্বিতীয় কাজ বাড়িটি বিক্রি করে দেওয়া।ছেলেটি বললো, আপনি আমার বাবাকে চিনতেন যখন তিনি আমাদের ছেড়ে যান,তখন আমি খুব ছোট কিন্তু তিনি আমার আর্দশ ছিলেন।তার বাবার দোষ ছিল একটাই তিনি একজন স্পর্শকাতর মানুষ ছিলেন,নিজের স্বার্থ নিয়ে তিনি কখোনো কিছু ভাবেন নি।আজকের পর্ব এখানেি শেষ করা হচ্ছে।পুরো গল্পটি মনোযোগ সহহকারে পড়ার জন্য সকলকে অসংখ্যক ধন্যবাদ।

Comments