পর্বঃ৭
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম। আসসালামু আলাইকুম।পরম করুনা ময় আল্লাহর নামে শুরু করতেছি। আশা করি আল্লাহর রহমতে সকলে ভালো আছেন।আমি ও মোটামোটি অনেক ভালো আছি।আজকে আপনাদের কাছে প্রথম বিশ্ব যুদ্ধ এশিয়ার ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করবো।আশা করি আলোচনাটি সকলের ভালো লাগবে।এজন্য সকলেই পুরো গল্পটা মনেযোগ সহকারে পড়ার জন্য অনুরোধ করছি।
এশিয়ার ভূমিকা
ছষ্ট পর্বের পর থেকে শুরু করতেছি।১৯১৫ সাল নাগাত একমাত্র দেশ ছিল সুইজারল্যান্ড যেখানে কোনো যুদ্ধের আবাশ পাওয়া যায় নি।এশিয়া মহাদেশের মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে ব্রিটিশ ও ফরাসি যৌথ বাহিনী,আটোম্যান ও জার্মানী সম্মলিত প্রতিরোধের মুখে পিছু হটতে বাধ্য হচ্ছিল।পরিস্থিতি মোকাবেলায় ১৯১৬ সালের ফেব্রুয়ারী আটোম্যান সামরাজ্যের দখলে থাকা মধ্যেপ্রাচ্য নিজেদের মধ্যে ভাগাভাগি করে নেওয়ার মর্মে গোপন যুক্তি করে ব্রিটেন ও ফান্স।বির্তকিত এই যুক্তি বাস্তবায়নকর উদ্দেশ্যে অটোম্যান দের বিরুদ্ধে আরব জাতিয়তাবাদী শক্তি গুলো কে উশকে দেয় ব্রিটেন ও ফান্স।এই ইন্দনের ফলে সৌদিআরবের মক্কা শহর থেকে অটোম্যান দের বিরুদ্ধে স্বাধীনতার দাবিতে আন্দোলন শুরু করে আরবরা।একই মাসে সমুদ্রে ব্রিটিশ ও জার্মান নৌবাহিনীর বিশ্বের সবচেয়ে বড় নৌযুদ্ধ হয়।তিন দিন ধরে চলা সে যুদ্ধে ব্রিটিশ নৌবাহিনীর প্রায় ১৪ টি জাহাজ ডুবে গিয়েছিল।আর প্রাণহানী হয়েছিল ৬ হাজার এর বেশি।এর বিপরীতে জার্মান নৌবাহিনীর ডুবে যাওয়া জাহাজের সংখ্যা ছিল ১১ টি।আর আড়াই হাজার এর জার্মান সেনা এই সংঘাত এ প্রাণ হারিয়েছিল।
দুই বছর ধরে যুদ্ধ চলায় জার্মানী ও ব্রিটিশ দুই দেশের অবস্থাই সোচনীয় হয়ে উঠেছিল।কিন্তু ফান্স ও ব্রিটেন এর পক্ষে যুক্তরাষ্ট্র সমর্থন থাকায় ওই দেশ গুলো তে অর্থনীতির টানাপোড়েন তেমন হয়ে উঠে নি।পরিস্থিতি মোকাবেলয়া আটলান্টিক মহাসাগর জুরে ডুব জাহাজ হামলা করে জার্মান নৌবাহিনী। শুধু তাই যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিবেশী মেক্সিকোর সরকার বরাবর ১৯১৭ সালের জানুয়ারী মাসে টেলিগ্রাফ পাঠায় জার্মান সরকার মেক্সিকোর প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সীমানায় সেনা হামলা চালানোর কথা বলা হয়েছিল দুভারগ্য বসত টেলিগ্রাফটি গন্তব্যে পৌছানোর আগেই ব্রিটিশ গোয়েন্দা রা টেলিগ্রাফটা আটকে দেয়।মেক্সিকোর পরিবর্তে যুক্তরাষ্ট্র সরকার এর নিকট টেলিগ্রাম টি উপস্থাপন করে এই উসকানির বদলা নিতে ১৯১৭ সালের এপ্রিল মাসে জার্মান জোটের বিরুদ্ধে যু্দ্ধ ঘোষণা করে যুক্তরাষ্ট্র।আজকের গল্প এখানেি শেষ।পুরো গল্পটা মনোযোগ সহকারে পড়ার জন্য সকলকে ধন্যবাদ।

