রহস্যময় ঘড়িতে নেকলেস চুরি করে রাখার গল্প

M
mhrifat1

পর্বঃ৩

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম। আসসালামু আলাইকুম।পরম করুনা ময় আল্লাহর নামে শুরু করতেছি। আশা করি আল্লাহর রহমতে সকলে ভালো আছেন।আমি ও মোটামোটি অনেক ভালো আছি।আজকে আপনাদের সাথে ঘড়ির মধ্যে নেকলেন চুরির রহস্যময় একটা গল্প শেয়ার করবো।আমি বিগত দুইদিন যাবত একটা রহস্যের গল্প শেয়ার করছি।জানি বিগত পর্ব গুলো আপনাদের কেমন লেগেছে।যারা আজকের পর্ব পড়তেছেন বিগত পর্ব গুলো পড়েন নাই।তাদেরকে বিগত পর্ব গুলো পড়ার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।আশা করি সব গুলো পর্ব পড়লে আপনাদের ভালো লাগবে। 

 

দ্বিতীয় পর্বের পর শুরু করতেছি,ব্যস্ত ভাবে উঠে দাঁড়ালেন এতক্ষণ রোগীর আমার মুন্ডুপাত করছে চলে যাওয়ার পর কর্নেল একটু হেসে বললেন, তার জনপ্রিয় মশা মারতে কামান দেখেছেন কাকে এত সব ক্যাপসুল ট্যাবলেট শ্রীরাম দেখি কাউকে দিয়ে ওষুধ পত্র বানানো যায় নাকি?বললাম আমি এনে দিচ্ছি ড্রইং রুমের দরজার পর্দার ফাকে অবাক হয়ে দেখলাম ষষ্ঠীচরণ গিয়ে দেখি দরজা খুলে দিল ঘরে ঘরে এসে ঢুকলেন নমস্কার করে। কাঁচুমাচু মুখে তিনি বললেন কর্নেল সাহেবের মূল্যবান সময় নষ্ট করার জন্য দুঃখিত দাদা বলে গেছেন টাইম ইজ মানি। কাগজ আপনার কীর্তিকলাপ পড়েছি ছবি দেখেছি। অনেক চেষ্টায় ঠিকানা জোগাড় করে ছুটে এসেছে ওর কথার উপর কর্নেল বললেন, আপনি বসুন বলুন কি ব্যাপার ভদ্রলোক সোফায় বসে রুমের মুখ মুছে বললেন ওই যে বললাম দাদা বলে গেছেন টাইম ইজ মানি। ভদ্রলোক পাগল নন তো একটু বিরক্ত হয়ে বললাম বারবার বলছেন তাই মেজবানি অথচ নিজেই তাই নষ্ট করছেন। 

 

 

তবে উনি একজন সাংবাদিক দৈনিক পত্রিকার রিপোর্ট জয়ন্ত চৌধুরী মুখোশ খুলে দিন। হ্যাঁ এবার খবরটা সংক্ষেপে বলি কারণ টাইম ইজ মানি বলে উনি কর্নেলের থেকে ঘুরে বসলেন। আমার নাম প্রাণনাথ প্রায় নকল মেসিটিলেনে একটা মেয়ের বাড়িতে একখানা আলাদা ছোট্ট ঘরে থাকে চাকরি করি। মতিলাল ট্রেডিং কোম্পানিতে তো কিছুদিন থেকে একটা ভুতুড়ে ঘটনা লক্ষ্য করছি। এখানে নেই কিংবা ধরুন যে সার্টটা হ্যাঙ্গারের যেভাবে ঝুলিয়ে রেখেছিলাম এসে দেখি সেটা সেইভাবে ঝোলানো নেই জিনিসপত্র। এদিক ওদিক হয়ে আছে রোজ বিকেলে ছড়ি হাতে পার্কে বেড়াতে যাওয়ার অভ্যাস।পুরো গল্পটা মনোযোগ সহকারে পড়ার জন্য সকলকে অসংখ্যক ধন্যবাদ।

Comments