পর্বঃ১
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম। আসসালামু আলাইকুম।পরম করুনা ময় আল্লাহর নামে শুরু করতেছি। আশা করি আল্লাহর রহমতে সকলে ভালো আছেন।আমি ও মোটামোটি অনেক ভালো আছি।আজকে আপনাদের সাথে ঘড়ির মধ্যে নেকলেন চুরির রহস্যময় একটা গল্প শেয়ার করবো।গল্পটি বাস্তবের সাথে কোনো মিল নেই।গল্পটি পুরোটাই কাল্পনিক চরিত্রে লেখা হয়েছে।গল্পটি শুধু মাত্র আপনাদের বিনোদনের জন্য লেখা হয়েছে।গল্পটি আর্কষনীয় করে তোলার জন্য পর্ব আকারে লেখা হবে।রহস্যের পর্দা বেদ করতে হলে পুরো গল্পটা মনোযোগ সহকারে পড়তে হবে সকলকে।
আজ আপনাদের জন্য আছে একটি রহস্যময় ছোট গল্প। এর পক্ষ থেকে সবাইকে স্বাগত জানিয়ে আজকের গল্প শুরু করছি। গল্পটির নাম হল ঘড়ি রহস্য এর প্রিয় পরিচালক ষষ্ঠী চরণ এর দুদিন থেকে সামান্য সর্দি জ্বর। তাকে দেখতে এসেছিলেন ডাক্তার এবং লম্বা-চওড়া প্রেসক্রিপশন লিখে মেজাজে বসলেন দেশের হালচাল নিয়ে কিছুক্ষণ বকবক করে গেলেন। তারপর হঠাৎ মুচকি হেসে বললেন, আচ্ছা করনের সাহেব আপনি বিখ্যাত রহস্যভেদী রহস্য ফাঁস করেছেন শুনেছি এমন কোন কেশ আপনার হাতে এসেছে যার রহস্য ফাঁস করতে পারেননি।
প্রেসক্রিপশনটা দেখছিলেন প্রশ্নটা আপনাকেও করা যায়, একটু ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে বললেন কেন কেন? ডাক্তার হিসেবে আপনার সুনাম আছে আপনি কি সব রোগের সঠিক রোগ ধরতে পেরেছেন? মাথা নেড়ে বললেন সব রোগ সঠিক ভাবে ধরার কোন ডাক্তারি আমার দাবি করতে পারেন না। ভাব করে টেবিলে রাখলেন তারপর ইউসি চেয়ারে হেলান দিয়ে সাদা দাড়ি থেকে চুরুটের খাইছেরে বললেন আমার ক্ষেত্রেও তাই কিছু কিছু রহস্য ফাঁস করতে শেষ অবধি আমি ব্যর্থ হয়েছি। আগ্রহ দেখে বললে অন্তত তেমন একটা কেসের কথা বলুন, আমার জানতে ইচ্ছে করছে কর্নেল চোখ বুজে চকচকে তাকে হাত বোলাতে শুরু করলেন, এবার আমারও খুব আগ্রহ হলো কারণ দীর্ঘকাল যাবত আমি ওর প্রায় ছায়াসঙ্গী অসংখ্য জটিল রহস্যকে নিপুণ দক্ষতায় পাস করতে দেখেছে।নেকলেস চুরি গল্পের শুধু মাত্র পরিচয় পত্র লেখা হয়েছে এই পর্বে।নেকলেস টি ছিল রাজবাড়ির ঐতিহ্যবাহী একটি নেকলস ছিল।যার জন্য সেই নেকলেস বের করার জন্য কয়েকজন রহস্য বেদ কারী ডেকে আনা হয়েছিল।কিন্তু প্রায় সবই ব্যর্থ হয়েছে।আজকের পর্ব এখানেই শেষ করা হলো।পুরো পর্বটি মনোযোগ সহকারে পড়ার জন্য সকলকে অসংখ্যক ধন্যবাদ।

