পর্বঃ২
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম। আসসালামু আলাইকুম।পরম করুনা ময় আল্লাহর নামে শুরু করতেছি। আশা করি আল্লাহর রহমতে সকলে ভালো আছেন।আমি ও মোটামোটি অনেক ভালো আছি।আজকে আপনদের কাছে প্রথম বিশ্ব যুদ্ধের অজানা কিছু কথা নিয়ে আলোচনা করবো।প্রথম বিশ্ব যুদ্ধের মারত্মক মৃত্যুর কথা সবাই শুনেছেন।এ যাবত কালের সব যুদ্ধ মিলেও এত মানুষ মারা যায়নি।পৃথিবীর এত বড় ক্ষতি ওইটায় প্রথম ছিল।পুরো গল্প পড়তে আপনারা অজানা অনেক বিষয় জানতে পারবেন।
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ
প্রথম পর্বের পর শুরু করছি,পুরো পৃথিবীতে জাতিয়তাবাদ এর উৎন্থান দেখা দেয় আর এর ধারাবাহিকতায় অষ্ট হাঙ্গারিয়া সমরাজ্যের অংশ কিংডম অফ সার্ডিনিয়া ১৮৪৮ সালে স্বাধীনতার ঘোষণা দেয় এর ৭ বছর পর ফান্সের সামরিক সহায়তায় সেনাবাহুনী অষ্ট হাঙ্গারিও বহিনী দখলদার বাহিনীকে পরাজিত করে।সার্ডিনিয়ার এই উদাহরণ এ অনুপ্রাণিত হয়ে,প্রতিবেশী কয়েকটি রাজ্য অষ্ট হাঙ্গারিয়া উপনিবেশিক এর ওপর আলাদা হয়ে কিংডম অফ ইতালি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।এই দুই পক্ষের মধ্যে সংগঠিত যুদ্ধকে ইতালির স্বাধীনতা যুদ্ধ হিসেবে বিবেচিত হয়।
সামরাজ্যের দক্ষিণে এমন অস্থির অবস্থা বিরাজ এর সময় উত্তরে অবস্থিত প্রসিয়া রাজ্যের সেনাবাহিনী ও অষ্ট হাঙ্গারিও সীমানায় ডুকে পড়ে।১৮৬৭ সালে শক্তিশালী হাঙ্গেরিও সেনাবাহিনী কে পরাস্ত করে ওই অঞ্চলের বিস্তৃত এলাকা নিয়ে নর্থ জার্মান নামে একটি রাষ্ট সামরাজ্য গড়ে তোলে প্রসিয়ারা।পাঁচ বছর পর এই ফেডারেশন প্রতিবেশী ফান্সের নিয়ন্ত্রণে থাকা দক্ষিণ এর জার্মাণ রাজ্য গুলো দখল করে নেয়।১৮৭১ সালে ফরাসী শহরের রাজ প্রাসাদ এ এক আন্তর্জাতিক চুক্তির মাধ্যমে ওই রাজ্য গুলোর নিয়ন্ত্রণ হস্তান্তর করে ফান্স।এভাবে জার্মানী নামক একটি রাজ্যের যাত্রা শুরু হয়।
একভূত জার্মানী হিসেবে আত্মপ্রকাশ এর পর রাজ্যটি নিজেদের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে বিবিধ কার্যক্রম শুরু করে।আর ফান্সের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক মহলের শক্তির বৃদ্ধির জন্য
তৎকালিন রুস ও অষ্ট হাঙ্গেরিয় রাজ্যের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ কুটনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তোলে জার্মানী।উনবিংশ শতকের দ্বিতীয় অর্ধে ইউরোপ এর মতো এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে রাজনৈতিক অস্থিরতা বিরাজ করছিল।১৮৭৭ সালে আটোম্যান সামরাজ্যের অন্তর্ভুক্ত বলকান এর জন সাদারণ এর মাঝে শাশক গষ্টি তীব্র তীব্রতর অসন্তুষ্ট দেখা দেয়।পরবর্তী পর্বে বাকি গল্প বলা হবে।গল্পটি ইকটু বড় হবে।আজকের পুরো পর্বটা মনোযোগ সহকারে পড়ার জন্য সকলকে অসংখ্যক ধন্যবাদ।

