পর্বঃ৫ ও শেষ পর্ব
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম। আসসালামু আলাইকুম।পরম করুনা ময় আল্লাহর নামে শুরু করতেছি। আশা করি আল্লাহর রহমতে সকলে ভালো আছেন।আমি ও মোটামোটি অনেক ভালো আছি।আজকে আপনাদের সাথে ঘড়ির মধ্যে নেকলেন চুরির রহস্যময় একটা গল্প শেয়ার করবো।আমি বিগত তিনদিন যাবত একটা রহস্যের গল্প শেয়ার করছি।আজকের পর্ব শেষ। যারা আমার গল্পের পুরো গল্পটা মনোযোগ সহকারে পড়তেছেন তাদেরকে অসংখ্যক ধন্যবাদ।আজকের গল্পটাও পড়ার জন্য সকলকে অনুরোধ করতেছি।
চতুর্থ পর্বের পর শুরু হচ্ছে,ওই ঘরে নাকি ভূত আছে তাকে ছাড়া কতটা গোপন রাখবেন। আপনার কোম্পানির অফিসার হিসেবে যাবো অসুস্থ হয়ে বেরিয়ে গেল। তাহলে কোন বর্ডার ধরুন এই ননী বাবু ঘাটা পাওয়ার জন্য ওর পেছনে লেগেছে ভূতের উপদ্রব ঘটেছে। প্রানোনাথ স্থাপত্যের আদলে কর্নেল উঠে দাঁড়ালে নিজের প্যাটেল লিন্ডার তাদেরকে দিয়ে ষষ্ঠীর ওষুধগুলো আনিনি। তুমি বোঝো বাড়ির একতলায় দোকানপাট দোতালায় ম্যাচ শেষ প্রান্তে প্রানোনাথ বাবু তেরা রানা তবু ম্যানেজার। প্রভাত অপরকে জানিয়ে গেলেন কোন কোম্পানির অফিসাররা ইম্পর্টেন্ট কাজে এসেছেন। চেয়ারে বসেই করজোড়ে নমস্কার করলেন ভদ্রলোক এবং বেটে মুখে তালা খুলে বললেন। আপনারা দয়া করে একটু বসুন আমি চা এর ব্যবস্থা করে আসি। বর্ণিল দেয়াল ঘড়িটার দিকে এগিয়ে গেলেন সত্যি এটা নাড়ানো হয়েছে।
ডানদিকে দুটো পা আর ইনশিকাক সরে এসেছে কর্নেল বললেন আপনি এই আলমারিটা খুলে মডেল আলমারি ভিতর যেন বলা শুরু করলেন। দাদা দেখছি শেয়ার মার্কেট বোকার ছেলে আপনি ম্যানেজার প্রভাত আমাকে ডাকুন ওর সঙ্গে একটা কথা বলতে চাই করালে কণ্ঠস্বরে দৃঢ় তা ছিল আমার সন্দেহ হলো প্রভাত তবু দরজার পাশেই হয়তো আড়িপেতে দাঁড়িয়েছিলেন কর্নেল বললেন আসল প্রভাবক আপনার সঙ্গে কিছু কথা আছে। এসব কি বলছ গ্রহীতা আমার দাদা তুমি ঠেলা সামলাও কারণ আমাকে সে ব্যাপারে জড়িও না। ছন্নছাড়া ছিলেন বটে থাকেন সেই টাকা গেল কোথায় গেলো।বললাম সব ছেড়ে এই ঘরে শুয়ে পরলেন কেন প্রেসেন্ট একটু মিস্টার জয় গোবিন্দ রায় ফর হেলথ সার্ভিস এন্ড অনি অক্কেশন অফ কুমার বাহাদুর। প্রমথ চৌধুরী সেমিনার বার্থ অ্যানিভার্সারি কথাটা মনে রাখিস ১২টা ৩০ এ রেখেছিল ঘটনা ঝলমলে হীরে-মুক্তো বসানো সোনার জালোটা। একটা চরণের মিটিমিটি হেসে বললেন তবে হরনাথ কিভাবে নেকলেসটা চুরি করেছিল এখন বুঝতে পারছি। পুরো গল্পের আজকেই সমাপ্তি হলো।পুরো গল্পটা মনোযোগ সহকারে পড়ার জন্য সকলকে ধন্যবাদ।

