পর্বঃ৩
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম। আসসালামু আলাইকুম।পরম করুনা ময় আল্লাহর নামে শুরু করতেছি। আশা করি আল্লাহর রহমতে সকলে ভালো আছেন।আমি ও মোটামোটি অনেক ভালো আছি।আজকে আপনাদের সাথে রহস্যময় ডেবিট কাকার বন্ধ বাড়ির ঘরের দরজা সম্পর্কে আরও কিছু আলোচনা করব। আজকে হয়তো ডেভিড কাকার বন্ধ বাড়ির ঘরের কিছুটা রহস্য আপনারা বুঝতে পারবেন। গল্পটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক বাস্তবের সাথে কোন মিল নেই পুরো গল্পটি মনোযোগ সহকারে পড়ার জন্য সকলকে অনুরোধ করা হচ্ছে।
বন্ধ ঘরের রহস্য
দ্বিতীয় পর্বের পর থেকে শুরু করা হচ্ছে,লেখক বাতি নিয়ে ঘরের বাইরে এলো যা দেখল তা ছিল বিস্ময়কর। পুরো হলঘরটি খালি এবং সেটি খুবই ধুলোয় ভরা কার্পেটে।। লেখক দেখল তিনটি করে তিনটি বড় বড় দর্জা তিনটি ঘরে যাওয়ার কিন্তু ঘরের যাওয়ার জন্য কোন কার্পেট নেই। লেখক বাড়িটি করেও কোনো মানুষ খুঁজে পেল না। লেখক করতে করতে একটি দরজা খুজে পেলো। কিন্তু দরজাটি লাল রঙের একটা বড় সীল লাগানো ছিল।দরজার দিকে তাকিয়ে ভাবচি এই ঘরের আপনি কেন চলে গেছে। এমন সময় শুনলাম, কে যেন ডাকছে।ছেলেটি ঘরের বাতিটি দেখতে না পেয়ে অবাক হলো।ছেলেটি জিঞ্জাসা করলো আপনি ঘরের বাতি নিয়ে কোথায় চলে গিয়েছিলেন।লেখক উত্তর দিল আমি তোমাকে সাহায্য করার জন্য মানুষ খুজতে গিয়েছিলাম।
তখন ছেলেটি বললো আমি তো এই বাড়িতে একা থাকি।তখন ছেলেটি উত্তরাধিকার সূত্রে দূর্বল হার্ট তার।ব্যাথা পেলে বা আবেক বসত তার ঞ্জান চলে যায়।তখন লেখকে ছেলেটি জিঞ্জাসা করলো আপনি কি ডাক্তার লেখক উত্তর দিল যে আমি একজন উকিল।তখন ছেলেটি লেখক কে বললো তাহলে তো আপনি সব দেখে ফেলেছেন,ওই সিল করা দরজাটা।তখন ছেলেটি লেখক কে জিঞ্জাসা করলো ভেতর এ কি আছে তা জানতে ইচ্ছা করে নি আপনার।ছেলেটা বললো ওই দরজার ভেতর কি আছে ছেলেটাও জানে না।বিশাল শূন্য বাড়িটার একটাই রহস্য ওই সিল লাগানো দরজাটা।লেখক অনুভব করলো একটা অপ্রাকৃত পরিবেশ লেখকের দম বন্ধ করে দিচ্ছে।লেখক ছেলেটিকে জিঞ্জাসা করলো বাড়িটি বিক্রি করে দিচ্ছো না কেন? বাড়ি টা ভাড়াও দিচ্ছ না কেন।লেখেটি উত্তর দিল উপায় নাই।ছেলেটি তার বাবার নাম বললো লেখক তার বাবাকে চিনে ফেললো।পুরো পর্বটি মনোযোগ সহকারে পড়ার জন্য সকলকে অসংখ্যক ধন্যবাদ।

