পর্বঃ৫
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম। আসসালামু আলাইকুম।পরম করুনা ময় আল্লাহর নামে শুরু করতেছি। আশা করি আল্লাহর রহমতে সকলে ভালো আছেন।আমি ও মোটামোটি অনেক ভালো আছি।আজকে আপনাদের সাথে রহস্যময় ডেবিট কাকার বন্ধ বাড়ির ঘরের দরজা সম্পর্কে আরও কিছু আলোচনা করব।গল্পটি পর্ব আকারে লেখা হয়েছে শুধু মাত্র আপনাদের কে গল্পের প্রতি আর্কিস্ট করার জন্য।গল্পটি সব গুলো চরিত্র কাল্পনিক।হয়তো কোনো কোনো ক্ষেত্রে গল্পটি বাস্তবের সাথে মিলে যায়।পুরো গল্পটি পড়ার জন্য সকলকে অনুরোধ করা হচ্ছে।
বন্ধ ঘরের রহস্য ভেদ
চতুর্থ পর্বের পর থেকে শুরু হচ্ছে,ছেলেটি আরো বলতে লাগলো তার মাধ্যমে তিনি কারো আর্থিক ক্ষতির কথা ভাবতেই পারতেন,আর তার আত্নসম্মান বোধ ছিল খুবই প্রখর।লেখক তার পর উঠে নিজের কার্ড টা রেখে শুভরাত্রি বলে রাওনা দিল নিজের বাড়ির দিকে।তার পর বেশ কিছু কাল কোনো খবর ই আর পেলো না লেখক।সময়টা ডিসেম্বর এর শেষ এর দিক,হঠাৎ একদিন দুপুরে অফিসের বেয়ারা একটা কার্ড দিয়ে গেল।যেখানে জগনাথ ব্যানার্জি বলে এক ব্যক্তি লেখক এর সাথে দেখা করতে চান।ইকটু পরেই তিনি ঘরে ডুকলেন,বয়স ৫০ এর কাছাকাছি।লোকটি ঘরে এসে ওই ছেলেটির সিল করা ঘরের কথা বলতে লাগলো।লোকটি বললো আজই ওই ছেলেটির বয়স ২১ হলো।লোকটি বললো এখোনো ঘরটি খোলা হয় নি, দরজা খোলার সময় একটি সাক্ষী উপস্থিত থাকা দরকার।লোকটি লেখক বললো আপনি সাক্ষী হিসেবে থাকতে রাজি তো।
লেখক বললো হ্যাঁ।লোকটি লেখক কে রাত ৯ টার দিক ওই বাড়িতে যেতে বললো।এই বলে ওই লোকটি বিদায় নিল।রাতে পৌছালো লেখক ওই বাড়িতে। ছেলেটির ছোট ঘরটিকে ওরা অপেক্ষা করছিল।ছেলেটিকে স্বাভাবিক ভাবেই খুব নারবাস লাগছিল।ছেলেটি লেখক কে দেখে বেশ খুশি হয়েছে বলে মনে হলো।ছেলেটি ওই লোকটির দিকে চেয়ে বললো আর দেরি করে কি লাভ যা হবে তা তাড়াতাড়ি হয়ে যাক।ওই লোকটি বাতি নিয়ে এগিয়ে চললো।দরজার কাছে যাওয়ার আগে সে দাঁড়িয়ে পড়লেন।দেখা গেলে লোকটি খুব ভয় পাচ্ছে,আর ছেলেটিকে বলছে, তুমি মন শক্ত কর,সিল ভেঙে দরজাটা খোলার পর তুমি যেন কোনো মানুষিক আঘাত না পাও।ছেলেটি একটার পর একটা চাবি দিয়ে দরজা খোলার চেষ্টা করলো।হঠাৎ একটা চাবি লেগে দরজা টা খুলে গেল।ছেলেটি তাড়াতাড়ি করে ঘরের ভেতর ডুকলো।পুরো গল্পটি মনোযোগ সহকারে পড়ার জন্য সকলকে অসংখ্যক ধন্যবাদ।

