আসসালামু আলাইকুম আাশা করি সবাই ভালো আছেন।আজকে আমার জন্মভূমির ইতিবাচক মানুষ এর জীবনী নিয়ে আপনাদের সাথে গল্প শেয়ার করবো।যার কারণে ভূঞাপুর এত উন্নত হয়েছে।আশা করি সকল এর ভালো লাগবে গল্পটা পড়ে।ইবরাহীম খাঁ ১৮৯৪ সালের ফেব্রুয়ারী মাসে জন্মগ্রহণ করে। উপমহাদেশের প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক ও সমাজ সংস্কারক ছিলেন তিনি। তিনি টাঙ্গাইল জেলার তৎকালীন ভুঞাপুর থানার অন্তর্গত বিরামদী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।তার বাবার নাম শাবাজ খাঁ ও মায়ের নাম রতন খানম।ইবরাহীম খাঁ ১৯৭৮ সালের ২৯ মার্চ ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন।তাকে সমাহিত করা হয়েছে ইবরাহীম খাঁ কলেজ মসজিদ এর সামনে। ইব্রাহীম খাঁ ১৯০৬ সালে জামালপুরের সরিষাবাড়ির পিংনা উচ্চ বিদ্যালয়ে ভর্তি হন। তিনি ১৯১২ সাল পর্যন্ত ওখানে পড়ালেখা করেন। সাহিত্যিক প্রিন্সিপাল ইব্রাহীম খাঁ প্রথম মুসলমান ছাত্র যিনি পিংনা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এন্ট্রাস অর্থাৎ বর্তমান এস.এস.সি পাশ করেন। ১৯১৯ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম.এ.পাস করে। তিনি শিক্ষকতায় নিয়োজিত হন এবং ১৯২৪ সালে আইন পাস করে ময়মনসিংহে ওকালতি শুরু করেন। তিনি ১৯৪৮ সাল থেকে ১৯৫৩ সাল পর্যন্ত তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান ছিলেন।ইবরাহীম খাঁ স্মৃতিকথা, শিক্ষা-সাহিত্য-ধর্ম-বিষয়ক প্রবন্ধ, নাটক, ভ্রমণ কাহিনী, রসরচনা, গল্প, উপন্যাস, ইতিহাস ও জীবনচরিত, শিশু সাহিত্য, পাঠ্য বই ও অনুবাদ মিলিয়ে শতাধিক গ্রন্থ রচনা করেছেন। অনেক দায়িত্বপূর্ণ পদে কর্মব্যস্ত থেকেও অনলসভাবে তিনি বিশাল সাহিত্য ভান্ডার রচনা করেছেন। সাহিত্যের সকল শাখায়ই তিনি স্বচ্ছন্দে সফলতার সঙ্গে পদচারণা করেছেন। ব্রিটিশ ভারতে মুসলমানদের করুণ অবস্থা প্রত্যক্ষ করে ইবরাহীম খাঁ কর্মজীবনের শুরুতেই অসহযোগ আন্দোলন এবং খেলাফত আন্দোলনে জড়িয়ে পড়েন। এই আন্দোলন তার গভীরভাবে জনজীবনের সাথে প্রত্যক্ষ পরিচয় তৈরি করে দেয়। সেই সময় মুসলিম মনে আত্মসম্মানবোধ জাগ্রত করার জন্য তিনি ইতিহাস, জীবন নিয়ে, ইসলামের গৌরবময় অধ্যায় নিয়ে লিখেছেন। ব্রিটিশ ভারতে পণ্ডিতদেরকে তিনি তার কলেজে সুযোগ দিতেন- এমনকি অন্যত্র বহিষ্কৃত ছাত্ররাও তার আশ্রয়ে পড়াশোনার সুযোগ পেয়েছে। তিনি তার নিজের বিশ্বাসে দৃঢ় ছিলেন, কিন্তু অন্যের মতবাদকে বিন্দুমাত্র অশ্রদ্ধা করতেন না। অসংখ্য শৈবালদামে আচ্ছন্ন স্রোতধারার সংস্কারকেও কিছুটা বিপ্লবী ভূমিকা গ্রহণ করতে হয়- তিনি তা করেছেন।তিনি ১৯৭৮ সালের ২৯শে মার্চ মৃত্যুবরণ করেন।আমার বাসা থেকে ইবরাহিম খাঁ এর বাড়ি যেতে ১০ মিনিট এর মতো সময় লাগে।তার বাড়ি ঘর সব আগের মতোই আছে কিন্তুু সেখানে মানুষের বসবাস নাই বললেই চলে।তার বাড়ির সামনে অনেক খোলামেলা জায়গা রয়েছে যেখানে মানুষ হাওয়া অনুভব করতে বিকাল বেলা যায়।আশা করি আমাদের ভূঞাপুর ঞ্জান তাপস পিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ এর জীবন কাহিনী পড়ে সবার ভালো লেগেছে।
বিঃদ্রঃপিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ এর ছবটি ফেইসবুক থেকে নামানো হয়েছে।।


অভিনন্দন! আপনার পোস্টটি সেরিবাংলাদেশের কমিউনিটি আইডি থেকে কিউরেশন করা হয়েছে। আপনি সেরি বাংলাদেশ ডিসকর্ড সার্ভারে get_upvote_serey চ্যানেলে আপনার পোস্ট লিঙ্ক জমা দিয়ে প্রতি 24 ঘন্টার মধ্যে একবার আমাদের কমিউনিটি থেকে ভোটের অনুরোধ করতে পারবেন, ধন্যবাদ।
Join sereyBangladesh Discord server:- Join Discord (https://discord.gg/YKPqUku8)
Join sereyBangladesh Telegram :- Join Telegram (https://t.me/SereyBangladesh)