পর্বঃ৩ ও শেষ পর্ব
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম। আসসালামু আলাইকুম।পরম করুনা ময় আল্লাহর নামে শুরু করতেছি। আশা করি আল্লাহর রহমতে সকলে ভালো আছেন।আমি ও মোটামোটি অনেক ভালো আছি।আজকে আপনারা জানতে পারবেন আইনস্টাইনের মাথার কি ছিল সেটাই জানতে পারবেন।আজকেই পুরো পর্বটির সবচেয়ে লাস্ট পর্বটি লেখা হচ্ছে।যারা আমার গল্পের পূর্ববর্তী পর্ব গুলো পড়েছেন,তাদেরকে অসংখ্যক ধন্যবাদ।যারা আজকের পর্বটি প্রথম পড়ছেন কিন্তু পূর্বের পর্ব গুলো পড়েন নি,তাদেরকে আজকের পর্ব সহ পূর্ববর্তী পর্ব গুলো পড়ার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে। আজকেই শেষ পর্ব সকলেই গল্পটি মনোযোগ সহকারে পড়বেন।
আইনস্টাইনের ব্রেনে কি ছিল
দ্বিতীয় পর্বের পর থেকে শুরু করা হচ্ছে, ডাক্তার ব্রেনটি ২০০ টি খন্ডে বিভক্ত করে, সারা পৃথিবীর নামি-দামি ডাক্তারের কাছে পাঠিয়ে দিলেন।ডাক্তার পরীক্ষা করে বের করলেন আইনস্টাইনের মাথার কোষের সংখ্যা সাধারন মানুষের মাথার কোষের থেকে অনেক বেশি ছিল। সাধারণ মানুষের মাথার ব্রেনের সাথে আইনস্টাইনের মাথার ব্রেনের কোন মিল ছিল না। তার মাথার ব্রেন থেকে আলাদা ভাবে তৈরি হয়েছিল। সাধারণ মানুষের ব্রেনের ভেতরে পেয়ারি কোরিয়ার থেকে তার মাথার ব্রেনের ভেতরের কোরিয়ার ২০ শতাংশ বেশি ছিল যার কারণে তার বুদ্ধি শক্তি এতটা তীক্ষ্ণ ছিল।
এজন্য আইনস্টাইনের ম্যাথমেটিক্স স্কিল সাধারণ মানুষের থেকে অনেক বেশি ছিল। তার ব্রেনে ডেনসিটি সাধারণ মানুষের থেকে ১৭ শতাংশ বেশি ছিল। এজন্যই হয়তো হতে পারে সায়েন্সের আইনস্টাইন অনেক বেশি শক্তিশালী হয়ে থাকে। আমাদের সাধারন মানুষের ব্রেনের যত ভোল্ট থাকে আলবার্ট আইনস্টাইনের ব্রেনে তার থেকে বেশি ভোল্ট ছিল। বর্তমানে আলবাট আইনস্টাইনের ব্রেনে একটি মিউজিয়াম এর ৪০ টি খন্ডে বিভক্ত করে রাখা হয়েছে। আজ সাইন্স কতইনা উন্নত করেছে তবুও আলবাট আইনস্টাইনের ব্রেন্টি আজও সকলের কাছে রহস্যই রয়ে গেছে। তবে সায়েন্টিস্টরা এটা বিশ্বাস করেন যে ফিউচারে আরে এর থেকে ভালো টেকনোলজির মাধ্যমে আইনস্টাইনের প্রিন্টিং আরো ভালোভাবে পরীক্ষা করা সম্ভব হবে।ডাক্তার থমাস আইনস্টাইনের ব্রেনটির সাথে যা যা করেছিলেন তার সম্পর্কে আপনি কি ভাবেন।আইনস্টাইন এতটা বুদ্ধিমান মানুষ ছিলেন যার সংঙ্গার কোনো ভুল কোনে বিঞ্জানী আজ পর্যন্ত ধরতে পারে নি। পুরো গল্পটির এখানে সমাপ্তি করা হলো।যারা পুরো গল্পটি পড়েছেন আশা করি আপনাদের ঞ্জানের পরিধী অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে।পুরো গল্পটি মনোযোগ সহকারে পড়ার জন্য সকলকে অসংখ্যক ধন্যবাদ।

