টাঙ্গাইল জেলার ঐতিহ্য

M
mhrifat1

পর্ব-৩

 

আসসালামু আলাইকুম।আশা করি সকলে ভালো আছেন।আজকে আমাদের টাঙ্গাইলের ঐতিহ্য নিয়ে আপনাদের সাথে গল্প করবো।আশা করি সকলের পড়ে ভালো লাগবে।আমাদের টাঙ্গাইলের ঐতিহ্য নিয়ে বলা শুরু করলে কখোনো বলে শেষ করা যাবে না।আপনারা জানেন ঢাকা বিভাগের সবচেয়ে বড় বিভাগ টাঙ্গাইল জেলা এজন্য এর ঐতিহ্যও অনেক বড়,সংক্ষেপে আপনাদের সাথে কিছু শেয়ার করি অবশ্যই মনোযোগ সহকারে পড়ে নিবেন।বাংলার চির পরিচিত লোক-সংস্কৃতি নিয়ে টাঙ্গাইল একটি ঐতিহ্যবাহী জনপদ। টাঙ্গাইলের তৈরি চমচম মিষ্টি আর তাঁতের শাড়ি ছিল উপমহাদেশ খ্যাত। বাংলাদেশের লোক ঐতিহ্যের অংশ মাটির মৃৎপাত্রের ফলক আর নকশী কাঁথা এখানেই বিকাশ লাভ করে। এছাড়াও কয়েকটি মুসলিম ঐতিহ্য তার মধ্যে আটিয়ার মসজিদ, ধনবাড়ির মসজিদ ও মাজার, কদিম হামজানির মসজিদ, খামার পাড়ার মসজিদ ও মাজার প্রভৃতি। উপজাতির ঐতিহ্যও রয়েছে গারোদের ওয়ানগালার যা বেশ পরিচিত।

হিন্দু ঐতিহ্যের মধ্যে রয়েছে গুপ্ত বৃন্দাবন, পাকুটিয়ার সৎসঙ্গ আশ্রম, বারো তীর্থ, আনন্দ মঠ ইত্যাদি। পাল, সেন আমলে প্রাচীন সভ্যতার ঐতিহ্য টাঙ্গাইল অঞ্চলে লুকায়িত রয়েছে। যেমন কালীদাস গ্রামে কালিদাস পন্ডিতের পুকুর। আর বায়ান্ন খাদা জমি নিয়ে রাধাকৃষ্ণ গোপিনীদের লীলা ভূমি গুপ্ত বৃন্দাবন। এখনো সাদৃশ্য ঐতিহ্যবাহী তমাল গাছ আর কাঠের যুগল রাধা-কৃষ্ণের মূর্তি। পাশেই প্রাচীন পুকুর। প্রবাহিত র্ঝনা ধারার পাশে এখনো বিরাট পাথরের স্ত্তপ জেগে আছে। কৃষ্ণ বিরহে আজও বিরহী রাধার আকুতি প্রতিধ্বনিত হয় এই গুপ্ত বৃন্দাবনে। তাছাড়া কালিয়া, মহানন্দপুর, কীর্ত্তন খোলা, প্রতিমা বংশী, দাড়িয়াপুর, শহর গোপিনাথপুর, রতনগঞ্জ, বেহুলা, লক্ষ্ণিদর, গড় গোবিন্দপুর প্রভৃতি স্থানগুলো ঐতিহ্যের শিরোনাম। ভাওয়ালের অরণ্যে শিশুপালের বিশাল দিঘি ও বিরাট রাজধানীর ভগ্ন কাঠামো পাওয়া যায়। মধুপুর ভগদত্তের গৃহভগ্নাবশেষে, পুষ্করিণী- ‘বারতীর্থ দিঘি, দেবলায়, মদন গোপালের বাড়ি প্রভৃতির চিহ্ন এখনও বিদ্যমান আছে। ভগদত্তের প্রতিষ্ঠিত ‘বারতীর্থ’ক্ষেত্র এখনও প্রতিবৎসর বৈশাখ মাসে ‘মেলা’হয়ে থাকে। প্রবাদ এই যে, রাজা ভগদত্ত স্বীয় পুণ্যশীলা জননীর আজ্ঞামতে বারতীর্থের পূণ্যোদক আনিয়া নিজ রাজধানীকে ‘বারতীর্থাশ্রম’করে ছিলেন। সেই ‘বারতীর্থাশ্রমের’পুণ্যনাম আজও তিরোহিত হয়নি।এখানে মুসলমানদের জন্য ২০১ গম্বুজ মসজিদ আছে। যেটা পুরো বাংলাদেশের মধ্যে সবচেয়ে বড়।এখানে প্রতিদিন অনেক মানুষ আসে শুধু মসজিদ দেখার জন্য।এখানে ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সকলেই আসে এক নজনের জন্য হলেও মসজিদটি দেখার জন্য।এমন অনেক ঐতিহ্য আছে যা সারা দিন লেখলেও শেষ হবে না।

 

বিঃদ্রঃ ছবিটি ফেইসবুক থেকে নামানো হয়েছে

Comments

sereybd

অভিনন্দন! আপনার পোস্টটি সেরিবাংলাদেশের কমিউনিটি আইডি থেকে কিউরেশন করা হয়েছে। আপনি সেরি বাংলাদেশ ডিসকর্ড সার্ভারে get_upvote_serey চ্যানেলে আপনার পোস্ট লিঙ্ক জমা দিয়ে প্রতি 24 ঘন্টার মধ্যে একবার আমাদের কমিউনিটি  থেকে ভোটের অনুরোধ করতে পারবেন, ধন্যবাদ।

Join sereyBangladesh Discord server:- Join Discord (https://discord.gg/YKPqUku8)
Join sereyBangladesh Telegram :- Join Telegram (https://t.me/SereyBangladesh)