মহাবিঞ্জানী স্যার আইজ্যাক নিউটন এর সৃষ্টি রহস্য

M
mdraza

বিসমিল্লাহির রহমানীর রহিম। আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ। আশা করি সবাই ভালো আছেন।আলহামদুলিল্লাহ আপনাদের দোয়ায় আমি অনেক ভালো আছি।আজকে বিঞ্জানী স্যার অ্যাইজ্যাক নিউটন কে নিয়ে কিছু কথা বলবো।মহার্কষণ বল আবিস্কার করার যার ভূমিকা সবচেয়ে বেশি।তার মাধ্যমে মানব জাতি প্রথম সময় দেখার জন্য ঘড়ি পায়।তিনি একজন অনাথ ছিলেন।কিন্তু তার বুদ্ধি খুবই প্রখর ছিল।এজন্য তিনি এত বড় একজন বিঞ্জানী হতে পেরেছেন।আশা করি আজকে আমার কথা গুলো থেকে আপনারা কিছু হলেও শিখতে পারবেন।এজন্য সকলকেই মনোযোগ সহকারে পুরো গল্পটা পড়ার জন্য অনুরোধ করছি।

 

মহাবিঞ্জানী স্যার আইজ্যাক নিউটন

 

স্যার আইজ্যাক নিউটন এত টাই বুদ্ধিমান ছিল যে কোনো কঠিন অংক খুব সহজে করে দিতে পারতেন।তবু অংকের চেয়ে প্রকৃতির নানা রহস্যের দিকে নজর ছিল তার বেশি।তিনি বিশ্বাস করতেন প্রকৃতির এমন গোপন রহস্য উৎঘাটন করতে বিঞ্জান ই একামাত্র অবলম্বন হতে পারে।নিউটন চব্বিশ বছর বয়সে একটা চিঠিতে লিখেছিলেন পদ্ধতি উদ্ভাবনের সাথে সাথেই মাধ্যাকর্ষণ শক্তি নিয়ে চিন্তা শুরু করেছি।নিউটনের বিভিন্ন মৌলিক তত্তের জন্য অল্প বয়সেই নিউটনের খ্যাতি চারদিকে ছড়িয়ে পড়লো

 

স্যার আইজ্যাক নিউটন তার কলেজ ট্রিনিটি থেকে লাভ করলেন দূর্লভ সম্মাননা ফেলোশীপ ডিগ্রি।তার পর তিনি দূরবীক্ষণ যন্ত্র আবিস্কার করে সকলকে চমকে দেন।নিউটনের জীবনি থেকে জানতে পেরেছি একদিন এক ভদ্রলোক তার বাড়িতে গিয়ে তিনকোণা কাচ বা প্রিজ দেখিয়ে স্যার আইজ্যাক নিউটন এর কাছে তার মূল্য জানতে চাইলেন।নিউটন বলেছিলেন এর সঠিক মূল্য দেওয়া আমার সাধ্যের বাহিরে।পরে অনেক বেশি দাম দিয়ে প্রিজমটি কিনে নেয় নিউটন।এই ঘটনায় তাকে সবাই বোকা মনে করেছিল।কিন্তু এই প্রিজ থেকেই তিনি উদ্ভাবন করেছিলেন বর্ণতত্ব

 

 

দিনের বেশির ভাগ সময়ে তিনি বাগানে বসে সময় কাটাতেন।একদিন একটা আপেল পড়লো তার মাথায়।সে তখন ভাবতে শুরু করলো এটি আকাশের দিক না গিয়ে মাটিতে পড়লো কেন?তার প্রশ্নের মাধ্যমে তৈরি হলো মধ্যাকর্ষ।নিউটনের একটি যুক্তি হলো, এই বিশ্ব প্রকৃতি এমন এক সুশৃঙ্খল ভাবে সৃষ্টি হয়েছে,যার পেছনে কোনে ঐশ্বরিক শক্তি বা স্রষ্টা রয়েছেন।তিনি একজন বিঞ্জানী হয়ে সৃষ্টিকর্তা বিশ্বাস করতেন।এইজন্যই হয়তো সব বিঞ্জানীর চেয়ে মানব সভ্যতার কাছে নিউটনের সম্মান সবচেয়ে বেশি।আশা করি সকলেরই আজকের লেখা টা ভালো লেগেছে।এতসময় ধরে ধর্য্য ধারণ করে পড়ার জন্য সকলকেই ধন্যবাদ।।।

Comments