পর্বঃ৭ ও শেষ পর্ব
বিসমিল্লাহির রহমানীর রহিম। আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ। আশা করি সবাই ভালো আছেন।আলহামদুলিল্লাহ আপনাদের দোয়ায় আমি অনেক ভালো আছি।আজকে আমাদের সৌরজগতের মানুষ কতটা সাফল্য অর্জন করছে তার সম্পর্কে আলোচনা করবো।সৌরজগত সম্পর্কে বা বহির্জাগতিক সম্পর্কে গল্প লেখার আজকে সর্বশেষ পর্ব। যারা আমার লেখা আগের পর্ব গুলো পড়ছেন,তাদেরকে অসংখ্যক ধন্যবাদ।আজকের পর্বটা পড়ার জন্য আহব্বান জানাচ্ছী
সৌরজগতের অজানা গল্প
ছষ্ট পর্বের পর থেকে শুরু হচ্ছে,মহাকাশে যোগাযোগ একটা সময়সাপেক্ষ ব্যাপার, ধরুন আমরা ধরেই নিলাম আমরা একটা উন্নত সভ্যতার কাছে একটা তথ্য পাঠালাম, তথ্যটা তারা পেল এবং সে অনু্যায়ী জবাবও পাঠালো। জবাবটা আমাদের কাছে পৌছবে বহুকাল পরে, এটাও ধরে নিলাম যে ওই জবাবটাও আমরা পেলাম এবং আরেকটা তথ্য পাঠালাম। তথ্যটা তাদের কাছে পৌছাতে পৌছাতে তারা হয়ত ব্যাপারটা ভুলে যেতে পারে কিংবা দীর্ঘসুত্রীতার কারণে আগ্রহও হারিয়ে ফেলতে পারে।
আধারের বিপরীতে আলোও থাকে।অতি সম্প্রতি কিছু উল্কাপিন্ডের গায়ে পোকামাকড়সদৃশ প্রাণীর ছাপ পাওয়া গেছে।মঙ্গলগ্রহে দিনের আলোয় মিলেছে লবনাক্ত পানির ধারা ।এছাড়াও শনির উপগ্রহ টাইটানেও রয়েছে প্রাণসঞ্চারের জন্য কিছু উপাদান। নাসার পাঠানো যান ক্যাসিনি থেকে প্রাপ্ত তথ্যানু্যায়ী টাইটানের আবহমন্ডলে হাইড্রোজেন গ্যাস প্রবাহিত হচ্ছে এবং তা ভুপৃষ্ঠের কাছাকাছি এসে মিলিয়ে যাচ্ছে। এটা থেকে আন্দাজ করা হচ্ছে যে হয়ত টাইটানে হাইড্রোজেন শোষনকারী কোন জীবের উত্থান ঘটেছে ।কারণ একই ধরণের ঘটনা ঘটে পৃথিবীতে অক্সিজেনের বেলায়।গত ১৬ই মার্চ নাসা আরো তিনটি নতুন এক্সোপ্ল্যানেট বা পৃথিবীসদৃশ গ্রহের আবিষ্কারের কথা বলেছে।
অল্পকিছুদিন আগেই একটা নক্ষত্রকে ঘিরে বহির্জাগতিক প্রাণীদের তৈরি দানবাকার কোন সোলার এনার্জি কালেক্টর যন্ত্র বা সহজভাষায় এলিয়েন মেগাস্ট্রাকচারের অস্তিত্ব থাকার ব্যাপারে জোরালো দাবী তোলা হয়েছে।এই জিনিসটার উপর জোরেসোরে গবেষণা শুরু হয়েছে।নাসা দাবি করেছে যে তারা আগামী ২০ বছরের মধ্যে খুজে বের করবে মহাকাশে আমরা ছাড়া আর কোন প্রাণী আছে কি না। এছাড়াও ফিউশন ইঞ্জিন রকেট আর ওয়ার্মহোলের মত ব্যাপারগুলোতে যদি সাফল্য আসে এটা নিঃসন্দেহে বলা যায় যে যদি মহাকাশের কোথাও কোন সভ্যতা বিকশিত হয়ে থাকে আমরা তাদেরকে খুজে পাবে।সমস্ত গল্পের সমস্ত পর্ব এখানেই শেষ করা হলো।পুরো গল্পটি মনোযোগ সহকারে পড়ার জন্য সকলকে অসংখ্যক ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

