পর্বঃ২
বিসমিল্লাহির রহমানীর রহিম। আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ। আশা করি সবাই ভালো আছেন।আলহামদুলিল্লাহ আপনাদের দোয়ায় আমি অনেক ভালো আছি।আজকে আপনাদের সাথে জগৎ বিঞ্জানী গ্যালিলিওর অজানা আবিস্কার নিয়ে গল্প লিখবো।গ্যালিলিও মূলত ডাক্তারী লাইনে পড়ালেখা শুরু করলেও পরবর্তীতে অর্থের সংকোটএর কারণে তিনি অংক নিয়ে পড়তে শুরু করেন।কেই বা জানতো তার এই অংক পড়ার মাধ্যমে জগৎ বিখ্যাত বিঞ্জানীতে পরিণত হবে একদিন।গ্যালিলিও কে গণিতের জনক ও বলা হয়।গল্পের আর্কষণ বাড়ানোর স্বার্থে গল্পটি পর্ব আকারে লেখা হয়েছে।গল্পগুচ্ছ গুলো মনোযোগ সহকারে পড়লে আপনি অনেক কিছুই জানতে পারবেন।
বিঞ্জানী গ্যালিলিও
প্রথম পর্বের পর থেকে শুরু করা হচ্ছে।প্রাচীন গ্রীসের মস্ত পন্ডিত ছিলেন এরিস্টটল। তিনি বলে গিয়েছিলেন।কোনো জিনিস যত বাড়ি হবে সেটা শূণ্যে ছেড়ে দিলে তত দ্রুত মাটির দিকে পড়বে।গ্যালিলিও এর আগে থেকেই পন্ডিতরা এই কথা বিশ্বাস করে এসেছে।বারি জিনিস ছেড়ে দিলে সেটা তো খুব দ্রুত মাটিতে পড়বে এমন ধারণাই ছিল সবার।কিন্তু এটার বিপক্ষে প্রশ্ন তুললেন গ্যালিলিও,তিনি বললেন পরীক্ষা করেই দেখা যাক।তখন তার শহরে ছিল একটা বড় স্তম্ভ।এই স্তম্ভ তৈরি হয়েছিল গীর্জার ঘন্টা বাজানোর চূড়া হিসেবে।প্রায় ১৮০ ফুট উচু এই স্তম্ভ।গ্যালিলিও এই স্তম্ভের চূড়ায় উঠলেন একই মাপের গোলা নিয়ে।তার একটা তৈরি লোহার আর একটা তৈরি কাঠের।লোহার তৈরি গোলাটিনকাঠের তৈরি গোলার থেকে ১০ গুণ ভারি।
এরিস্টটল এর কথা যদি সত্য হয় তাহলে স্তম্ভের উঁচু থেকে দুইটা গোলা ছোড়ার পর লোহার ১০ গুণ তাড়তাড়ি গোলটি আগে পড়বে।বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও ছাত্র ছাড়াও বহু লোক জড়ো হলো।কেউ কেউ বোকা বকি করছে গ্যালিলিও কে এই পাগল লোকটি কিভাবে প্রশ্ন তোলে এরিস্টটল এর শিক্ষার বিরুদ্ধে।পন্ডিতদের যুগ যুগ ধরে বিশ্বাস করা জিনিস উল্টে দিতে চাচ্ছে সে।গ্যালিলিও সাবধানে গোলা দুইটা রেলিং এর উপর ধরলেন।তার পর দুইটা গোলায় ছেড়ে দিলেন একসাথে।সবাই অবাক হয় দেখলো দুইটা গোলায় একসাথে মাটিতে পড়লো।নিজেদের কান ও চোখ যেন বিশ্বাস করতে পারলো না জনগণ।গ্যালিলিও এর এমন নতুন আবিস্কার এর ফলে তাকে ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের এ আর রাখা হলো না।তার মূল কারণ হচ্ছে আগের গণিত বিধ রা ভুল প্রামণিত হলো।আজকের গল্প এখানেই শেষ।পুরো গল্পটা মনোযোগ সহকারে পড়ার জন্য সকলকে ধন্যবাদ।


mojar ghotona