বিসমিল্লাহির রহমানীর রহিম। আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ। আশা করি সবাই ভালো আছেন।আলহামদুলিল্লাহ আপনাদের দোয়ায় আমি অনেক ভালো আছি।আজকে বিঞ্জানী অ্যাইজ্যাক নিউটন কে নিয়ে গল্প করবো।বিঞ্জানী নিউটনকে চেনেন না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া যাবে না। বিঞ্জানী নিউটন কে না চিনেলেন আপেল মাথায় পড়ার বিঞ্জানীর নাম সবাই শুনেছেন।বিঞ্জানী অ্যাইজ্যাক নিউটন মাথায় আপেল পড়ার ঘটনা থেকে আবিস্কৃত হয়েছিল মধ্যার্কষণ শক্তি।আজকের গল্প টি আমি নিজে যত টুকু জানি তত টুকু আপনাদের কাছে শেয়ার করার চেষ্টা করবো।আশা করি সকলেই পুরো গল্পটা পড়ে অনেক কিছু জানতে পারবেন।সবাইকে পুরো গল্পটা মনোযোগ দিয়ে পড়ার জন্য অনুরোধ করছি।
বিঞ্জানী স্যার আইজ্যাক নিউটন
আজকে আপনাদের জানাবো তার জীবনের বিভিন্ন না জানা কথা।শোনাবো বেশ কিছু চমকে দেওয়া গল্প।আরো বলবো নিজেকে নিয়ে মৃত্যুর আগে কি লিখেছিলেন?খ্রিস্টানদের বড় দিনে জন্মগ্রহণ করে মায়ের বুক আলোকিত করছিল আইজ্যাক নিউটন।কিন্তু তিনি হওয়ার পর এতই দূর্বল ছিল যে তার বাঁচার আশাই ছেড়ে দিয়েছিল সবাই।হয়তো সৃষ্টি কর্তাই পৃথিবীর প্রয়োজনেই তাকে বাঁচিয়ে রেখেছিল।জন্মের পর তিনি তার বাবার মুখ দেখতে পারে নি কখোনো।কারণ তার জন্মের আগেই তার বাবা মৃত্যু বরণ করেছে।জন্মের পর প্রথম তিন বছর তার মায়ের সাথেই জীবন কাটে।তার জন্মের তিন বছর পরই তার মা আর এক জনের সাথে প্রেম করে বিয়ে করে।যার করাণে নিউটন থাকা সত্তেও মা হারিয়ে ফেলে।
এভাবেই বাবা-মা ছাড়া দাদীর কাছে বড় হতে থাকেন বিঞ্জানী আইজ্যাক নিউটন।ছোটবেলা থেকেই প্রখর মেধাবী ছিলেন তিনি।তার ১২ বছর বয়সে গ্রামের একটি স্কুলে তাকে ভর্তি করে দেওয়া হয়।শিক্ষকরাও তাকে খুব ভালো বাসতেন।একটা আবিস্কারের মাধ্যমে সবাইকে তাক লাগিয়ে দিল সে।
তার স্কুলের শিক্ষক প্রতিদিনই দেরি করে স্কুলে আসতেন।এই কারণটা দূর করার জন্য তিনি শিক্ষক কে একটা ঘড়ি তৈরি করে দিলেন।ঘড়ির উপরে থাকতো একটা পানির পাত্র।সেখানে প্রতিদিন পানি দেওয়া হতো।সেখান থেকে পানি ফোটা আকারে ঘড়ির কাটার উপর পড়তো।ঘড়ির কাটা আপন গতিতে চলতে লাগলো।যা দেখে সবার কাছে প্রশংসিত হলেন ছোট বালাক টি।

