পর্বঃ৩ ও শেষ পর্ব
বিসমিল্লাহির রহমানীর রহিম। আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ। আশা করি সবাই ভালো আছেন।আলহামদুলিল্লাহ আপনাদের দোয়ায় আমি অনেক ভালো আছি।আজকে আপনাদের সাথে এরিস্টটল এর জীবনের অজানা গল্প শেয়ার করবো।বিঞ্জানের নাম শুনছেন কিন্তু এরিস্টটল এর নাম শুনেন নাম এমন মানুষ খুজে পাওয়া যাবে।যারা বিঞ্জান সম্পর্কিত গল্প পড়তে বেশি ভালোবাসে তাদের জন্য এই গল্প।যারা এরিস্টটল সম্পর্কে অধিক ঞ্জান লাভ করতে চান তাদের জন্যই এই গল্পটি লেখা।দয়া করে সবাই মনোযোগ সহকারে পড়বেন।
এরিস্টটলের অজনা গল্প
দ্বিতীয় পর্বের পর শুরু হচ্ছে,তার শুভাকাঙ্ক্ষী ছাত্রদের কাছে খবর পেয়ে তিনি এথেন্স ত্যাগ করে হাইরিয়া দ্বিপে গিয়ে আশ্রয় নিলেন।এই চেচ্ছায় নির্বাসনের যন্ত্রণা বেশিদিন ভোগ করতে হয় নি এরিস্টটল কে।কিছুদিন এর মধ্যে বার্ধক্য জনিত কারণে তার মৃত্যু হলো।এরিস্টটল সমস্ত জীবন ধরে যেসব জিনিস রচনা করে গিয়েছিলেন মৃত্যুর আগে তার একজন বিশস্থ শীর্ষের কাছে সব দিয়ে যান।তার ওই শীর্ষের মৃত্যুর তার সন্তানেরা ওই পুথি-পত্র গুলোর মালিক হলেন।তার সন্তানেরা সব রচনা গুলো একটা লোহার সিন্ধুকে রেখে এরিস্টটল এর সমাধীর নিচে পুতে রাখে।২০০ বছর পর রোমের সেনাপ্রতি যখন গ্রীস দখল করে।সেই পুঁথি উদ্ধার করে রোমে নিয়ে আসা হয়।সেই পুঁথির অধিকাংশ রচনা জীর্ণ শীর্ণ হয়ে গেছে।পুঁথিগুলে রচানা পুনরায় লিপিবদ্ধ করে তা প্রকাশিত করা হয়।
বিষয় বস্তু অনুসারে এরিস্টটলের রচনা গুলোকে কয়েকটি ভাগে বিভক্ত করা হয়।যা তর্কবিদ্যা,অদিবিদ্যা,প্রকৃতি বিঞ্জান,নীতি স্বাস্র,অলংকার তত্ত্ব এবং কাব্য তত্ত্ব।এরিস্টটলের রচনার সংখ্যা ১০০০ হাজার এর কাছাকাছি।তবে এর বেশির ভাগই নষ্ট হয়ে গিয়েছে।সামন্য কিছু পাওয়া গেছে তা থেকে অনুমান করতে অসুবিধা হয় না কি ব্যাপক ছিল তার ঞ্জানের পরিধি।অনেক বিঞ্জানী থাকতেও তিনি প্রথম মানুষের নিকট ঞ্জানের মশাল তুলে ধরেন।তার রচনার ক্ষেত্রে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য মেটা ফিজিক্স, এথিক্স, নীতি স্বাস্র,ছিল।এই বই গুলোর মধ্যে তিনি অভিমত প্রকাশ করছেন জীবন গতিশীল এবং ক্রমান্বয়ে তার বিকাশ ঘটছে।এই সমস্ত রচানার মধ্যে অনেক নির্ভুল তত্ত্ব থাকলেও জোতির বিঞ্জান ও পদার্থ বিঞ্জানের ক্ষেত্রে কল্পনার অযৌতিক ধারণাই বেশি ছিল।পুরো গল্পটি এখানেই সমাপ্তিনক হলো।পুরো গল্পটা যারা মনেযোগ সহকারে পড়েছে তাদের ঞ্জানের পরিধি অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে।এত সময় ধরে পুরো গল্পটা পড়ার জন্য অসংখ্যক ধন্যবাদ সবাইকে।

