বিসমিল্লাহির রহমানীর রহিম। আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ। আশা করি সবাই ভালো আছেন।আলহামদুলিল্লাহ আপনাদের দোয়ায় আমি অনেক ভালো আছি।বর্তমান বিশ্বে সুইডিস বিঞ্জানী কার্ল শিরিকে চেনেন এমন মানুষই খুঁজে পাওয়া অনেক কষ্টসাধ্য ব্যাপার।কারণ তিনি দূর্ভাগ্য বিঞ্জানী ছিলেন যার আবিস্কারের কথা ইতিহাসের কোথাও লেখা হয় নি।এজন্য দুর্ভাগাদের তালিকায় তাকে প্রথম হিসেবে ধরা হয়।আপনাদের বুঝার সুবিধার জন্য গল্পটি চারটি পর্বে বিভক্ত করা হয়েছে।যারা আজকের পর্ব টা প্রথম পড়েছেন কিন্তু আগের পর্ব গুলো পড়েন নি তাদেরকে আগের পর্ব গুলো পড়ার অনুরোধ করা হচ্ছে।আজকেই এই পর্ব সর্বশেষ।আজকের পর্ব ওআজকের গল্পটি সকলকে পড়ার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।
আবার ১৭৭৪ সালে এক রাসায়নিক বিক্রিয়ায় মাধ্যমে একটা গ্যাস আবিষ্কার করেন বিঞ্জানী কার্ল শিলি। একটু সবুজ রঙের গ্যাস। গ্রিক শব্দ ক্লোরোস অর্থ সবুজ। তাই পরে গ্যাসটির নাম দেওয়া হয়েছিল ক্লোরিন। কিন্তু ওটা যে একটা মৌল, তা বুঝতে ব্যর্থ হন শিলি। ১৮০৮ সালে সেটা বুঝতে পারেন হামফ্রে ডেভি। আবারও কৃতিত্ব হাতছাড়া হলো দুর্ভাগা সুইডিশ বিজ্ঞানীর।
১৭৭৮ সালের দিকে মলিবডেনাম শনাক্ত করেন তিনি। কিন্তু বিশুদ্ধ মৌলটি আলাদা করতে ব্যর্থ হন। অথচ পিটার জেলম ঠিকই পেরেছিলেন। তিন বছর পর টাংস্টেনের অস্তিত্বের অনুমান করেন শিলি, কিন্তু এবারও মৌলটি আলাদা করতে ব্যর্থ হন। কিছুদিনের মধ্যেই কাজটা করেন ফাস্টো এলহুয়ার।
তবে রসায়ন বিজ্ঞানে শিলির অনেক অবদান আছে। তাই তাঁকে সম্মান জানাতে একটা খনিজের নামকরণ করা হয়েছে এই বিজ্ঞানীর নামে—শিলিলাইট। তবে দুর্ভাগ্য এবারও পিছু ছাড়ল না তাঁর। বেশ কয়েক বছর পর ওই খনিজটির নামকরণ করা হলো ক্যালসিয়াম টাংস্টেন। এভাবে রসায়নের ইতিহাসের পাতা থেকে আরেকবার ছিটকে পড়েন সুইডিশ রসায়নবিদ কার্ল শিলি। এসব কারণে তাকে ‘হার্ড লাক শিলি’ বলে আখ্যায়িত করেছেন বিখ্যাত কল্পবিজ্ঞান লেখক আইজ্যাক আসিমভ।
১৭৮৬ সালে মাত্র ৪৩ বছরে মারা যান রসায়নের ইতিহাসে সবচেয়ে দুর্ভাগা এই বিজ্ঞানী।ইতিহাসের হতভাগ্য বিঞ্জানী হিসেবে তার অনেক কুখ্যাতি রয়েছে।সমস্ত পর্ব এখানেই শেষ করা হচ্ছে।গল্পটি সকলের জন্য ঞ্জানের পরিধি বৃদ্ধি করার জন্যই লেখা হয়েছে।জীবন দশায় তিনি কোনো খ্যাতি অর্জন করতে না পারলেও মৃত্যুর পর তার খ্যাতি ছড়িয়েছিল।সকল পর্ব গুলো যারা পড়েছেন তাদেরকে অসংখ্যক ধন্যবাদ।আজকের পর্বটা পরার জন্য সকলকে অসংখ্যক ধন্যবাদ।

