বিসমিল্লাহির রহমানীর রহিম। আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ। আশা করি সবাই ভালো আছেন।আলহামদুলিল্লাহ আপনাদের দোয়ায় আমি অনেক ভালো আছি।অনেকেই হয়তো ওয়ারেন বাফেটের সম্পর্কে জানেন না।তিনি এমন একজন মানুষ, তার জীবন থেকে আমরা সফল হওয়ার গল্প জানতে পারবো।জীবনে সফল হতে হলে মনীষীদের জীবনকে ফলো করা আমাদের সকলের প্রয়োজন।এমনি একজন সফল উদ্যোগতা ও ব্যবসায়ী হলেন ওয়ারেন বাফেট।অনেক এ তার নামের সাথে মিরাকেল কথাটি উল্লেখ করেছেন।
বর্তমানে তিনি একটি কোম্পানির চেয়ারম্যান।তিনি তার ১৩ বছর বয়সে তার একজন বন্ধুকে বলেন তিনি যদি ৩০ বছর এর মধ্যে মিলিয়ন ডলার এর মালিক হতে না পারেন তাহলে তিনি সেখানকার বড় বিল্ডিং সাদ থেকে পড়ে আত্মহত্যা করেন।২০০৮ সাল তিনি বিশ্বের ধনী ব্যক্তির তালিকায় প্রথম স্থান অধিকার করে তাক লাগিয়ে দেয় মার্কিন এ ব্যবসায়ী।২০১২ সালে তিনি ধনী ব্যক্তিদের তালিকায় তৃতীয় স্থান অধিকার করে।২০১৩ সালে তাকে দুনিয়ার সবচেয়ে প্রভাবশালী ব্যক্তি হিসেবে ঘোষণা করা হয়।২০১৮ সালে তার মোট সম্পত্তির পরিমান দাড়ায় প্রায় ৯০.২ বিলিয়ন ডলার।হয়ে উঠেন বিশ্বের সবচেয়ে সফল তম একজন ব্যবসায়ী।
এই শতাব্দীর সফলতম ব্যবসায়ী হয়ে উঠার গল্পটাই আপনাদের সাথে আজকে শেয়ার করবো।তার সফল ব্যবসায়ী হয়ে উঠার গল্প টা এত সহজ ছিল না।ব্যর্থতা বার বার তাকে ঘিরে ধরলেও কখোনো হার মানেন নি তিনি।ওয়ারেন্ট বাফেটের সফল হওয়ার গল্পটি আপনাকে আপনার সফলতার পিছে আর এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবে।শৈশব থেকেই বাফেটের স্বপ্ন ছিল নিজের পায়ে দাঁড়ানো।অভিজাত পরিবাবের সন্তান হওয়া সত্তেও অর্থ আহরণ এর পিছেন তার ছিল প্রবল আগ্রহ। শৈশবে বাফেট তার দাদার দোকানে কিছুদিন কাজ করে।বাফেট শৈশবে তিনটি শেয়ার কিনেন।হাইস্কুলে পড়ার সময় তিনি নানা ধরনের ব্যবসায় জড়িয়ে পড়েন।বাফেট অর্থনীতিতে অনার্স পাস করেন।একসময় তিনি উপলব্ধি করেন সবচেয়ে ভালো হবে নিজের ওপর ইনভেস্ট করা।বাফেটের মাঝে জনসম্মুখ কথা বলার অভ্যাস ছিল না।এজনয় কথা বলার অভ্যাস শুরু করে।আজকের গল্প এই পর্যন্তই।পুরো গল্পটি মনোযোগ সহকারে পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

