জগৎ বিখ্যাত বিঞ্জানী গ্যালীলিও এর আবিস্কারের বিস্ময়কর ঘটনা।

M
mdraza

পর্বঃ৩

বিসমিল্লাহির রহমানীর রহিম। আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ। আশা করি সবাই ভালো আছেন।আলহামদুলিল্লাহ আপনাদের দোয়ায় আমি অনেক ভালো আছি।আজকে আপনাদের সাথে জগৎ বিঞ্জানী গ্যালিলিওর অজানা আবিস্কার নিয়ে গল্প লিখবো।বিঞ্জানের গল্প শুনতো সবারই ভালো লাগে। আর আমার ও বিঞ্জানের গল্প লিখতেও ভালো লাগে।পূর্বের পর্ব গুলোয় আমরা বিঞ্জানের গ্যালিলিও এর আবিস্কারের বিভিন্ন ঘটনা নিয়ে আলোচনা করেছিলাম। আজকের গল্পে তার পরবর্তী আরো কিছু আবিস্কারের কথা জানবো।পুরো গল্পটা পড়লে আপনারা অবশ্যই কিছুটা হলেও ঞ্জান আহোরণ করতে পারবেন।

 

গ্যালিলিওর বিস্ময়কর আবিস্কার

Image Source

দ্বিতীয় পর্বের পর থেকে শুরু করছি।তার সময়ে হলান্ড থেকে একটা খবর এল আর্চয্য আবিস্কারের কথা,সেখানে কাচ দিয়ে এমন একটা যন্ত্র আবিস্কার হয়েছে যেটা দূরের জিনিস কে খিব কাছে দেখায়।গ্যালিলিও মেতে উঠলেন এমন একটা যন্ত্র তৈরির জন্য।ছয় মাস পরিশ্রম করার পর তার দূরবিন বানানোর চেষ্টা সফল হলো।একদিন ইতালির ভেনিস শহরের গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সামনে তার দূরবিন দেখানো হলো।গ্রীজার উঁচু চূড়ায় উঠে সে দূরবিনোর নলে চোখ লাগিয়ে।দেখতে লাগলেন বহু দূরের জাহাজ।এত দূরের জাহাজ যে,দূরবিন এ দেখার দুই ঘন্টা পর খালি চোখে দেখা গেল সেই জাহাজকে।সবাই দেখে খুবই চমৎকৃত হলো।কর্তপক্ষ ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হিসেবে তার বেতন তিন গুণ এর বেশি বাড়িয়ে দিলেন।

 

দিন রাত হাজার হাজার মানুষ আসতে শুরু করলো তার কাছে।শুধু মাত্র একনজর দেখার জন্য। গ্যালিলিপ আকাশের পানে দিকে ধরলেন দূরবিন টি।চাঁদের গায়ে দেখলেন উঁচু উঁচু পাহাড় ও গভীর খাদ।নক্ষত্র মন্ডলে দেখলেন নতুন তারা যাদের খালি চোখে দেখা যায় না।চোখে পড়লো তার সূর্যের গায়ে কালো কালো দাগ।ছায়াপথ এ যে অগণিত তারাা মেলা তাও তার দূরবিন এর চোখে ধরা পড়লো।সবচেয়ে আশ্চর্য জিনিস দেখলেন বৃহস্পতি গ্রহের দিকে দূরবিন দিয়ে তাকিয়ে দেখলেন তার আশেপাশে রয়েছে চার ছোট খাটো তারা।রাতের পর রাত দেখতে দেখতে বুঝলেন এগুলো হলো বৃহস্পতির চাঁদ।যা নিজ নিজ কক্ষ পথে ঘুড়ছে বৃহস্পতির চারপাশে।

এতদিন সবাই জানতো সব কিছু ঘুড়ছে পৃথিবীকে কেন্দ্র করে,গ্যালিলিও জন্মের আগে কোপারকিনাস এর কথা সত্য হলো।সূর্য পৃথিবীকে কেন্দ্র করে ঘুড়ে না।পৃথিবী সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘুরে। আজকের গল্প এখানেই শেষ করা হলো।পুরো গল্পটা মনোযোগ সহকারে পড়ার জন্য সকলকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

Comments